হাতের লেখায় মিল না থাকায় ভাইভায় ধরা যুবক
- আপডেট সময় ১২:১০:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 24
পটুয়াখালী জেলা প্রশাসনের অফিস সহায়ক পদে নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতির অভিযোগে জহিরুল ইসলাম (২৩) নামে এক যুবককে আটক করা হয়েছে। লিখিত পরীক্ষায় অন্য ব্যক্তিকে দিয়ে পরীক্ষা দেওয়ানোর পর নিজে মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে এসে হাতের লেখার অসঙ্গতিতে তিনি ধরা পড়েন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পটুয়াখালী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মৌখিক পরীক্ষা দিতে গেলে তাকে আটক করা হয়। জহিরুল বাউফল উপজেলার নওমালা ইউনিয়নের বটকাজল এলাকার আমির হোসেন হাওলাদারের ছেলে।
থানা সূত্রে জানা যায়, ২৫ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত পটুয়াখালী সরকারি কলেজের বাণিজ্য ভবনে জেলা রাজস্ব প্রশাসনের ২০তম গ্রেডের অফিস সহায়ক পদে নিয়োগের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রায় ৩ হাজার ৯০০ পরীক্ষার্থী অংশ নেন। লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ৫৯ জনকে পরদিন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে মৌখিক পরীক্ষার জন্য ডাকা হয়।
মৌখিক পরীক্ষার বোর্ডে জহিরুল উপস্থিত হলে লিখিত পরীক্ষার খাতায় থাকা তার হাতের লেখার সঙ্গে ভাইভায় দেওয়া লেখার অসঙ্গতি কর্মকর্তাদের নজরে আসে। একই সঙ্গে বোর্ডের বিভিন্ন প্রশ্নের সন্তোষজনক উত্তর দিতে না পারায় তার বিষয়ে সন্দেহ তৈরি হয়।
পরে লিখিত পরীক্ষার খাতার হাতের লেখা যাচাই-বাছাই করা হয়। এ সময় অসঙ্গতি পাওয়ার পর জহিরুলকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন কর্মকর্তারা। একপর্যায়ে লিখিত পরীক্ষায় অন্য ব্যক্তিকে দিয়ে পরীক্ষা দেওয়ানোর কথা তিনি স্বীকার করেন বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পটুয়াখালী সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুজ্জামান বলেন, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের অফিস সহায়ক নিয়োগ পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের অভিযোগে জহিরুলকে আটক করা হয়েছে। লিখিত পরীক্ষায় তার হয়ে অন্য একজন পরীক্ষা দিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে তিনি নিজে মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে এলে সন্দেহের ভিত্তিতে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। একপর্যায়ে বিষয়টি প্রকাশ পায়।
ওসি বলেন, এ ঘটনায় জহিরুলের বিরুদ্ধে মামলা করার প্রস্তুতি চলছে।























