নারায়ণগঞ্জে মাদরাসার ছাদে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট ৫ ছাত্রী, অবস্থা আশঙ্কাজনক
- আপডেট সময় ১২:৪৫:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 26
নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় আবাসিক মাদরাসার ছাদে খেলতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে গুরুতর দগ্ধ হয়েছে পাঁচ ছাত্রী। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে রাজধানীর জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে ফতুল্লার কাশীপুর হাজীপাড়া এলাকার মাহেলা খাতুন বালিকা মাদরাসার তিনতলা ভবনের ছাদে এ ঘটনা ঘটে।
দগ্ধ শিক্ষার্থীরা হলো—ষষ্ঠ শ্রেণির জিদনী (১৪), চতুর্থ শ্রেণির লামিয়া আক্তার শাপলা (১৩), সপ্তম শ্রেণির সুমাইয়া আক্তার (১৩), তৃতীয় শ্রেণির আসিয়া আক্তার আফরোজা (১২) এবং চতুর্থ শ্রেণির আতিয়া (১১)। পাঁচজনই মাদরাসাটির আবাসিক শাখায় থেকে পড়াশোনা করে।
মাদরাসার ক্যাশিয়ার মো. ইউসুফ আলী জানান, বিকেলে পাঁচ শিক্ষার্থী একসঙ্গে ছাদে খেলতে যায়। কিছুক্ষণ পর ছাদ থেকে বিকট শব্দ শুনতে পেয়ে তারা সেখানে ছুটে যান। গিয়ে শিক্ষার্থীদের দগ্ধ অবস্থায় দেখতে পান। পরে দ্রুত তাদের স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় সেখান থেকে ঢাকার বার্ন ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়।
তিনি জানান, মাদরাসার ছাদের কাছ দিয়ে উচ্চভোল্টেজের বৈদ্যুতিক লাইন চলে গেছে। ওই লাইনের সংস্পর্শে এসে দুর্ঘটনাটি ঘটে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ঠিক কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
চিকিৎসাধীন শিক্ষার্থীরা জানায়, তারা ছাদে খেলছিল। হঠাৎ করেই তাদের শরীরে আগুন ধরে যায়। তবে কীভাবে আগুন লাগল, সে বিষয়ে তারা কিছু বুঝতে পারেনি।
শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক ডা. সুলতান মাহমুদ বলেন, পাঁচ শিশুর শরীরেই গুরুতর দগ্ধের ক্ষত রয়েছে। তাদের প্রত্যেকের অবস্থা আশঙ্কাজনক। বর্তমানে জরুরি বিভাগে তাদের নিবিড় চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দুর্ঘটনার খবর পাওয়ার পর ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে দগ্ধ পাঁচ শিক্ষার্থীকে বর্তমানে ঢাকার বিশেষায়িত হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।






















