দল হিসেবে জামায়াত অকৃতজ্ঞ: মীর শাহে আলম
- আপডেট সময় ০৩:২৮:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 18
জামায়াত দল হিসেবে অকৃতজ্ঞ বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তার দাবি, ২০০১ সালে খালেদা জিয়া জামায়াতের দুই নেতাকে মন্ত্রী করেছিলেন, যাতে তাদের ‘রাজাকারের তকমা’ দূর হয়। তবে জামায়াত এখন সেসব বিষয় ভুলে গেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে বন্যাদুর্গতদের মধ্যে চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী।
মীর শাহে আলম বলেন, বর্তমান সরকার জনগণের সরকার এবং দুই-তৃতীয়াংশ ভোটে নির্বাচিত। অথচ সরকার গঠনের ছয় মাস না যেতেই তারা লংমার্চ করে সরকার পতনের হুমকি দিচ্ছে।
আগামী বছরের জানুয়ারিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হবে জানিয়ে নেতাকর্মীদের প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করার ওপরও গুরুত্ব দেন প্রতিমন্ত্রী।
তিনি বলেন, স্থানীয় নির্বাচনে উপজেলা পর্যায়ে বিএনপি একক প্রার্থীকে সমর্থন দেবে। দলের সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে কেউ বিদ্রোহী প্রার্থী হলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এনসিপি ও জামায়াতের সঙ্গে আওয়ামী লীগের পুরোনো সম্পর্ক রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন মীর শাহে আলম। ভারতে অবস্থানরত আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে তাদের যোগাযোগ থাকতে পারে বলেও দাবি করেন তিনি। তার ভাষ্য, পুরোনো সেই সম্পর্ক আবারও জোড়া লাগতে পারে এবং দেশে তাদের বর্তমান আন্দোলন আওয়ামী লীগকে সহায়তা করার শামিল।
১১ দলীয় জোটের নেতাদের বক্তব্য নিয়েও সমালোচনা করেন প্রতিমন্ত্রী। তার দাবি, জোটের নেতারা সংসদের ভেতরে এক ধরনের কথা বললেও বাইরে ভিন্ন বক্তব্য দেন। এনসিপির নেতাদের বয়স কম হলেও তারা সম্মানজনক রাজনৈতিক ভাষায় কথা বলেন না এবং তারেক রহমানকে নিয়ে ‘বিশ্রী ভাষায়’ কথা বলেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
মীর শাহে আলম বলেন, বিএনপি কাউকে হুমকিতে পরোয়া করে না। গত নির্বাচনে যারা বিএনপির সঙ্গে বেঈমানি করেছে, তাদের আর দলে জায়গা হবে না। দলের দুঃসময়ে যারা কাজ করেছেন, তারা ঠিকাদারিসহ বৈধ সব সুযোগ পাবেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
এর আগে গত জুলাইয়ে চট্টগ্রামের বাঁশখালী, সাতকানিয়াসহ কয়েকটি উপজেলা ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বাঁশখালীতে প্রায় ১২ হাজার ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয় বলে অনুষ্ঠানে জানানো হয়।
বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় বৃহস্পতিবার ৫১০টি পরিবারকে ঘর নির্মাণের জন্য জেলা পরিষদের পক্ষ থেকে ৩০ হাজার টাকা করে দেওয়া হয়।

























