ঢাকা ০২:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬

বিকেলে ২৮৯৪ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের শঙ্কা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:২৫:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬
  • / 86

ছবি: সংগৃহীত

বিদ্যুতের ঘাটতি অব্যাহত থাকায় শনিবার, ২৯ আগস্ট দেশে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮৯৪ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে। বিকেল ৫টার দিকে বিদ্যুতের ঘাটতি সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে বলে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির (পিজিসিবি) তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে।

পিজিসিবির তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সকাল ১০টায় দেশে ১ হাজার ৩ মেগাওয়াট এবং দুপুর ১২টায় ১ হাজার ২০৩ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে।

বিকেলের দিকে বিদ্যুতের ঘাটতি আরও দ্রুত বাড়তে পারে। দুপুর ২টায় লোডশেডিং ১ হাজার ৪৭১ মেগাওয়াটে পৌঁছানোর আশঙ্কা রয়েছে। এরপর বিকেল ৩টায় তা বেড়ে ২ হাজার ৪৮৩ মেগাওয়াট এবং বিকেল ৪টায় ২ হাজার ৫৯৩ মেগাওয়াট হতে পারে।

আরও পড়ুন  চড়া দামে এলএনজি নাকি সহনীয় লোডশেডিং, সিদ্ধান্ত নিতে হবে: তথ্য উপদেষ্টা

বিকেল ৫টায় লোডশেডিং সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮৯৪ মেগাওয়াটে পৌঁছাতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।

সন্ধ্যার দিকে লোডশেডিং কিছুটা কমার সম্ভাবনা থাকলেও রাতে আবার তা বাড়তে পারে। সন্ধ্যা ৬টায় ২ হাজার ২১৬ মেগাওয়াট, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ১ হাজার ৫২৮ মেগাওয়াট এবং সন্ধ্যা ৭টায় ২ হাজার ৭৭০ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে।

এ ছাড়া রাত ৮টায় ২ হাজার ৫৫০ মেগাওয়াট এবং রাত ৯টায় ২ হাজার ৭০৩ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের পূর্বাভাস রয়েছে।

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, রাত ৯টায় দেশের বিদ্যুতের চাহিদা সর্বোচ্চ ১৮ হাজার ৭৩০ মেগাওয়াট হতে পারে। ওই সময়ে উৎপাদন ধরা হয়েছে ১৫ হাজার ৯০০ মেগাওয়াট।

রাত ১০টায় বিদ্যুতের চাহিদা ১৭ হাজার ৯৭০ মেগাওয়াটের বিপরীতে উৎপাদন হতে পারে ১৫ হাজার ৭০০ মেগাওয়াট। এ সময় লোডশেডিং হতে পারে ২ হাজার ১৬৮ মেগাওয়াট।

এর আগে গত কয়েক দিনেও দেশে বড় ধরনের বিদ্যুৎ ঘাটতি দেখা গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

বিকেলে ২৮৯৪ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের শঙ্কা

আপডেট সময় ০৩:২৫:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬

বিদ্যুতের ঘাটতি অব্যাহত থাকায় শনিবার, ২৯ আগস্ট দেশে সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮৯৪ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে। বিকেল ৫টার দিকে বিদ্যুতের ঘাটতি সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে বলে পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসির (পিজিসিবি) তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে।

পিজিসিবির তথ্য অনুযায়ী, শনিবার সকাল ১০টায় দেশে ১ হাজার ৩ মেগাওয়াট এবং দুপুর ১২টায় ১ হাজার ২০৩ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে।

বিকেলের দিকে বিদ্যুতের ঘাটতি আরও দ্রুত বাড়তে পারে। দুপুর ২টায় লোডশেডিং ১ হাজার ৪৭১ মেগাওয়াটে পৌঁছানোর আশঙ্কা রয়েছে। এরপর বিকেল ৩টায় তা বেড়ে ২ হাজার ৪৮৩ মেগাওয়াট এবং বিকেল ৪টায় ২ হাজার ৫৯৩ মেগাওয়াট হতে পারে।

আরও পড়ুন  গরমে লোডশেডিং সীমিত রাখতে সরকারের প্রচেষ্টা চলছে: জ্বালানি উপদেষ্টা

বিকেল ৫টায় লোডশেডিং সর্বোচ্চ ২ হাজার ৮৯৪ মেগাওয়াটে পৌঁছাতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।

সন্ধ্যার দিকে লোডশেডিং কিছুটা কমার সম্ভাবনা থাকলেও রাতে আবার তা বাড়তে পারে। সন্ধ্যা ৬টায় ২ হাজার ২১৬ মেগাওয়াট, সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ১ হাজার ৫২৮ মেগাওয়াট এবং সন্ধ্যা ৭টায় ২ হাজার ৭৭০ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে।

এ ছাড়া রাত ৮টায় ২ হাজার ৫৫০ মেগাওয়াট এবং রাত ৯টায় ২ হাজার ৭০৩ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের পূর্বাভাস রয়েছে।

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, রাত ৯টায় দেশের বিদ্যুতের চাহিদা সর্বোচ্চ ১৮ হাজার ৭৩০ মেগাওয়াট হতে পারে। ওই সময়ে উৎপাদন ধরা হয়েছে ১৫ হাজার ৯০০ মেগাওয়াট।

রাত ১০টায় বিদ্যুতের চাহিদা ১৭ হাজার ৯৭০ মেগাওয়াটের বিপরীতে উৎপাদন হতে পারে ১৫ হাজার ৭০০ মেগাওয়াট। এ সময় লোডশেডিং হতে পারে ২ হাজার ১৬৮ মেগাওয়াট।

এর আগে গত কয়েক দিনেও দেশে বড় ধরনের বিদ্যুৎ ঘাটতি দেখা গেছে।