ঢাকা ১২:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬

দেশে ২,৬৯৫ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের পূর্বাভাস

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:০৯:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
  • / 104

ছবি সংগৃহীত

 

দেশে বিদ্যুৎ ঘাটতির কারণে শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সর্বোচ্চ ২ হাজার ৬৯৫ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে। পাওয়ার সিস্টেমের ‘ফোরকাস্ট সিনারিও’ অনুযায়ী, দিনের শেষভাগে বিদ্যুতের ঘাটতি সবচেয়ে বেশি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

শুক্রবার দুপুরে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি) পিএলসি থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে এ পূর্বাভাস পাওয়া গেছে।

আরও পড়ুন  বঙ্গোপসাগরে লঘুচাপের আভাস, তিন বিভাগে বজ্রসহ বৃষ্টির পূর্বাভাস

পূর্বাভাস অনুযায়ী, দুপুরের পর থেকেই লোডশেডিং বাড়তে পারে। দুপুর ১২টায় ৩৬৩ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা রয়েছে। বেলা ১টায় তা বেড়ে ১ হাজার ১৪১ মেগাওয়াট হতে পারে।

বিকেল ৩টায় ৯৪১ মেগাওয়াট, ৪টায় ৭৩৮ মেগাওয়াট এবং ৫টায় ৫২৭ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।

সন্ধ্যার পর বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘাটতিও তীব্র হতে পারে। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ২৬৮ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের পর সন্ধ্যা ৭টায় তা বেড়ে ১ হাজার ৮ মেগাওয়াটে পৌঁছাতে পারে।

রাত সাড়ে ৭টায় লোডশেডিং ১ হাজার ৭০৪ মেগাওয়াট এবং রাত ৮টায় ১ হাজার ৭৪৪ মেগাওয়াট হতে পারে।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাত ৯টায় লোডশেডিং বেড়ে ২ হাজার ১৩৩ মেগাওয়াটে দাঁড়াতে পারে। রাত ১০টায় তা ২ হাজার ১৬ মেগাওয়াট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এরপর রাত ১১টায় দিনের সর্বোচ্চ ২ হাজার ৬৯৫ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

ওই সময়ে দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ১৭ হাজার ১৪০ মেগাওয়াটে পৌঁছাতে পারে। বিপরীতে উৎপাদনের পূর্বাভাস রয়েছে ১৪ হাজার ৩১৭ মেগাওয়াট।

চলতি আগস্টেও দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতিতে ঘাটতির চিত্র দেখা গেছে। মাসজুড়ে বিভিন্ন সময়ে ২ হাজার থেকে ৩ হাজার মেগাওয়াটের বেশি লোডশেডিংয়ের তথ্য পাওয়া গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

দেশে ২,৬৯৫ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের পূর্বাভাস

আপডেট সময় ০৩:০৯:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬

 

দেশে বিদ্যুৎ ঘাটতির কারণে শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সর্বোচ্চ ২ হাজার ৬৯৫ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে। পাওয়ার সিস্টেমের ‘ফোরকাস্ট সিনারিও’ অনুযায়ী, দিনের শেষভাগে বিদ্যুতের ঘাটতি সবচেয়ে বেশি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

শুক্রবার দুপুরে পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ (পিজিসিবি) পিএলসি থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণ করে এ পূর্বাভাস পাওয়া গেছে।

আরও পড়ুন  লোডশেডিং ব্যবস্থাপনা ছাড়া আপাতত উপায় নেই: বিদ্যুৎমন্ত্রী

পূর্বাভাস অনুযায়ী, দুপুরের পর থেকেই লোডশেডিং বাড়তে পারে। দুপুর ১২টায় ৩৬৩ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের আশঙ্কা রয়েছে। বেলা ১টায় তা বেড়ে ১ হাজার ১৪১ মেগাওয়াট হতে পারে।

বিকেল ৩টায় ৯৪১ মেগাওয়াট, ৪টায় ৭৩৮ মেগাওয়াট এবং ৫টায় ৫২৭ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে বলে পূর্বাভাসে উল্লেখ করা হয়েছে।

সন্ধ্যার পর বিদ্যুতের চাহিদা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ঘাটতিও তীব্র হতে পারে। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় ২৬৮ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের পর সন্ধ্যা ৭টায় তা বেড়ে ১ হাজার ৮ মেগাওয়াটে পৌঁছাতে পারে।

রাত সাড়ে ৭টায় লোডশেডিং ১ হাজার ৭০৪ মেগাওয়াট এবং রাত ৮টায় ১ হাজার ৭৪৪ মেগাওয়াট হতে পারে।

পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, রাত ৯টায় লোডশেডিং বেড়ে ২ হাজার ১৩৩ মেগাওয়াটে দাঁড়াতে পারে। রাত ১০টায় তা ২ হাজার ১৬ মেগাওয়াট হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এরপর রাত ১১টায় দিনের সর্বোচ্চ ২ হাজার ৬৯৫ মেগাওয়াট লোডশেডিং হতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।

ওই সময়ে দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ১৭ হাজার ১৪০ মেগাওয়াটে পৌঁছাতে পারে। বিপরীতে উৎপাদনের পূর্বাভাস রয়েছে ১৪ হাজার ৩১৭ মেগাওয়াট।

চলতি আগস্টেও দেশের বিদ্যুৎ পরিস্থিতিতে ঘাটতির চিত্র দেখা গেছে। মাসজুড়ে বিভিন্ন সময়ে ২ হাজার থেকে ৩ হাজার মেগাওয়াটের বেশি লোডশেডিংয়ের তথ্য পাওয়া গেছে।