কুয়েতে ইরানি হামলায় নেপালি নিহত
- আপডেট সময় ০৬:৫০:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই ২০২৬
- / 12
কুয়েতের উত্তরাঞ্চলে একটি চীনা প্রতিষ্ঠানের ভবনে ইরানের হামলায় এক নেপালি নাগরিক নিহত হয়েছেন। হামলায় ভবনটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। এ ঘটনাকে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনার নতুন মাত্রা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
কুয়েতের উত্তরাঞ্চলে অবস্থিত একটি চীনা কোম্পানির স্থাপনায় ইরানের হামলায় এক নেপালি নাগরিক নিহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তি কোম্পানিটির উপ-ঠিকাদারের অধীনে চালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। কুয়েতের সশস্ত্র বাহিনী ও দেশটিতে অবস্থিত চীনা দূতাবাসের তথ্যের বরাতে এ খবর জানিয়েছে বার্তা সংস্থা সিনহুয়া।
কুয়েতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকালে হামলাটি সংঘটিত হয়। এতে ভবনটির উল্লেখযোগ্য ক্ষয়ক্ষতি হলেও কোনো চীনা নাগরিক হতাহত হননি।
মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সৌদ আল-আতওয়ান বলেন, হামলার পরপরই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অন্যান্য সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে।
কুয়েতের সশস্ত্র বাহিনী এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় তারা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে এবং প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে।
অন্যদিকে, কুয়েতে অবস্থিত চীনা দূতাবাস নিশ্চিত করেছে যে হামলায় কোনো চীনা নাগরিক নিহত বা আহত হননি।
এর আগে কয়েকদিন বিরতির পর বুধবার মধ্যরাত থেকে ইরানের বিভিন্ন স্থাপনায় আবারও বিমান হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র। এর প্রতিক্রিয়ায় ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) কুয়েত ও জর্ডানে হামলা চালায় বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সূত্র জানিয়েছে।
হামলার পর আইআরজিসি এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রকে সহায়তাকারী উপসাগরীয় দেশগুলোকে সতর্ক করে জানায়, তারা অবস্থান পরিবর্তন না করলে ‘কঠোর পরিণতি’ ভোগ করতে হবে। একই সঙ্গে সংস্থাটি দাবি করে, যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি ও সামুদ্রিক চলাচলে হস্তক্ষেপ অব্যাহত থাকলে হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করা সম্ভব হবে না।
এদিকে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন বাহিনীর ওপর ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার চেষ্টার জবাবে বুধবার রাতে ইরানের বিভিন্ন সামরিক ও কৌশলগত লক্ষ্যবস্তুতে ব্যাপক বিমান হামলা চালানো হয়েছে। স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, ওই হামলার সময় কেশম, কিশ, বন্দর আব্বাস, আবাদান ও বুশেহরসহ বিভিন্ন এলাকায় একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।

























