ঢাকা ০৯:১৫ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

আলোচনায় ‘ভাইকিং রো’, কী এই বিশেষ উদযাপন?

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৩৪:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬
  • / 51

ছবি: সংগৃহীত

ব্রাজিলকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ আটে ওঠার পর ‘ভাইকিং রো’ উদযাপনে মেতে ওঠে নরওয়ে। ঐতিহ্যবাহী এই উদযাপন শুধু সমর্থকদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, এখন জাতীয় দলের ফুটবলাররাও মাঠে বিজয় উদযাপনে এটি ব্যবহার করছেন।

‘ভাইকিং রো’ এমন একটি সমবেত উদযাপন, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা মাটিতে বা আসনে বসে শরীর সামনে-পেছনে দুলিয়ে বৈঠা চালানোর ভঙ্গি করেন। একজন ড্রামার তালের গতি নির্ধারণ করেন এবং প্রতি দুই বিট পরপর সবাই একসঙ্গে ‘রো’ বলে স্লোগান দেন।

এই উদযাপনের মাধ্যমে নরওয়ের ঐতিহাসিক ভাইকিং ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। ৮০০ থেকে ১০৫০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত সময়কে ‘ভাইকিং যুগ’ হিসেবে ধরা হয়। ওই সময়ে নরওয়ে ছিল ভাইকিংদের অন্যতম প্রধান আবাসভূমি এবং দেশটির জাতীয় পরিচয় গঠনে সেই ইতিহাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

আরও পড়ুন  আলোচনায় বসছে তেলাপোকা বাহিনী, থামছে না আন্দোলন

‘ভাইকিং রো’ উদযাপনের প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত নরওয়ের সমর্থক ওলে ফ্রয়স্তাদ। ২০২৬ সালের মার্চে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচে সমর্থকদের নিয়ে প্রথম এই উদযাপনের সূচনা করেন তিনি। শুরু থেকেই এটি দর্শকদের মধ্যে সাড়া ফেললেও বিশ্বকাপ চলাকালে এর জনপ্রিয়তা বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। এ কারণে তাকে ‘মিস্টার রো রো’ নামেও ডাকা হয়।

বর্তমানে নরওয়ের ফুটবলাররাও এই উদযাপনে অংশ নিচ্ছেন। আইভরি কোস্টের বিপক্ষে নকআউট পর্বের ম্যাচের আগে এবং শেষ ষোলো নিশ্চিত করার পর দলের তারকা ফরোয়ার্ড আর্লিং হাল্যান্ড ও অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ড সতীর্থদের নিয়ে ‘ভাইকিং রো’ উদযাপনে নেতৃত্ব দেন।

সম্প্রতি ইনসাইড ফিফাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ওলে ফ্রয়স্তাদ বলেন, মানুষকে একই তালে একসঙ্গে বৈঠা চালানোর ভঙ্গি করতে দেখাটা দারুণ অনুভূতি তৈরি করে। তার ভাষায়, এই উদযাপন মানুষের মধ্যে ঐক্যের বার্তা বহন করে এবং এটি তার কল্পনার চেয়েও অনেক বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আলোচনায় ‘ভাইকিং রো’, কী এই বিশেষ উদযাপন?

আপডেট সময় ০৭:৩৪:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

ব্রাজিলকে ২-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ আটে ওঠার পর ‘ভাইকিং রো’ উদযাপনে মেতে ওঠে নরওয়ে। ঐতিহ্যবাহী এই উদযাপন শুধু সমর্থকদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, এখন জাতীয় দলের ফুটবলাররাও মাঠে বিজয় উদযাপনে এটি ব্যবহার করছেন।

‘ভাইকিং রো’ এমন একটি সমবেত উদযাপন, যেখানে অংশগ্রহণকারীরা মাটিতে বা আসনে বসে শরীর সামনে-পেছনে দুলিয়ে বৈঠা চালানোর ভঙ্গি করেন। একজন ড্রামার তালের গতি নির্ধারণ করেন এবং প্রতি দুই বিট পরপর সবাই একসঙ্গে ‘রো’ বলে স্লোগান দেন।

এই উদযাপনের মাধ্যমে নরওয়ের ঐতিহাসিক ভাইকিং ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়। ৮০০ থেকে ১০৫০ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত সময়কে ‘ভাইকিং যুগ’ হিসেবে ধরা হয়। ওই সময়ে নরওয়ে ছিল ভাইকিংদের অন্যতম প্রধান আবাসভূমি এবং দেশটির জাতীয় পরিচয় গঠনে সেই ইতিহাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।

আরও পড়ুন  নরওয়ের রাজা পঞ্চম হারাল্ডের মৃত্যুতে শোকবইয়ে স্বাক্ষর মন্ত্রীর

‘ভাইকিং রো’ উদযাপনের প্রবর্তক হিসেবে পরিচিত নরওয়ের সমর্থক ওলে ফ্রয়স্তাদ। ২০২৬ সালের মার্চে সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচে সমর্থকদের নিয়ে প্রথম এই উদযাপনের সূচনা করেন তিনি। শুরু থেকেই এটি দর্শকদের মধ্যে সাড়া ফেললেও বিশ্বকাপ চলাকালে এর জনপ্রিয়তা বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। এ কারণে তাকে ‘মিস্টার রো রো’ নামেও ডাকা হয়।

বর্তমানে নরওয়ের ফুটবলাররাও এই উদযাপনে অংশ নিচ্ছেন। আইভরি কোস্টের বিপক্ষে নকআউট পর্বের ম্যাচের আগে এবং শেষ ষোলো নিশ্চিত করার পর দলের তারকা ফরোয়ার্ড আর্লিং হাল্যান্ড ও অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ড সতীর্থদের নিয়ে ‘ভাইকিং রো’ উদযাপনে নেতৃত্ব দেন।

সম্প্রতি ইনসাইড ফিফাকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ওলে ফ্রয়স্তাদ বলেন, মানুষকে একই তালে একসঙ্গে বৈঠা চালানোর ভঙ্গি করতে দেখাটা দারুণ অনুভূতি তৈরি করে। তার ভাষায়, এই উদযাপন মানুষের মধ্যে ঐক্যের বার্তা বহন করে এবং এটি তার কল্পনার চেয়েও অনেক বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।