ঢাকা ০২:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু শীর্ষ সন্ত্রাসী কাইল্লা পলাশের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:১৭:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
  • / 89

ছবি: সংগৃহীত

 

রাজধানীর রামপুরায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর এক সপ্তাহ চিকিৎসাধীন থাকার পর মারা গেছেন ইয়াসিন খান পলাশ ওরফে ‘কাইল্লা পলাশ’।
শুক্রবার (১৯ জুন) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, নিহত পলাশ পশ্চিম রামপুরা এলাকার বাসিন্দা ইউনুস খানের ছেলে। তিনি যুবদল নেতা মিজানুর রহমান মিজান হত্যা মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। দীর্ঘ সময় কারাগারে থাকার পর প্রায় এক মাস আগে আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পান।

আরও পড়ুন  মিয়ানমারের ভূমিকম্পে মৃত্যু ছাড়াল ৩ হাজার ৬০০, ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনও মিলছে মরদেহ

গত বৃহস্পতিবার (১২ জুন) জুমার নামাজের পর রামপুরা ব্রিজ-সংলগ্ন একরামুন্নেছা বালক উচ্চবিদ্যালয়ের পাশের এলাকায় তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, নামাজ শেষে নিজ বাসার নিচে কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলার সময় অজ্ঞাত সশস্ত্র দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। ঘটনার পর হামলাকারীরা মোটরসাইকেলে করে দ্রুত এলাকা ত্যাগ করে।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, হামলাকারীরা পরপর কয়েক রাউন্ড গুলি চালায়। এতে পলাশ গুরুতর আহত হন।

পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে এক সপ্তাহ থাকার পর শুক্রবার দিবাগত রাতে তার মৃত্যু হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু শীর্ষ সন্ত্রাসী কাইল্লা পলাশের

আপডেট সময় ০৩:১৭:৩০ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

 

রাজধানীর রামপুরায় গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর এক সপ্তাহ চিকিৎসাধীন থাকার পর মারা গেছেন ইয়াসিন খান পলাশ ওরফে ‘কাইল্লা পলাশ’।
শুক্রবার (১৯ জুন) দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাতিরঝিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, নিহত পলাশ পশ্চিম রামপুরা এলাকার বাসিন্দা ইউনুস খানের ছেলে। তিনি যুবদল নেতা মিজানুর রহমান মিজান হত্যা মামলার সাজাপ্রাপ্ত আসামি ছিলেন। দীর্ঘ সময় কারাগারে থাকার পর প্রায় এক মাস আগে আদালত থেকে জামিনে মুক্তি পান।

আরও পড়ুন  গাজীপুরে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ হয়ে স্কুল অধ্যক্ষের মৃত্যু

গত বৃহস্পতিবার (১২ জুন) জুমার নামাজের পর রামপুরা ব্রিজ-সংলগ্ন একরামুন্নেছা বালক উচ্চবিদ্যালয়ের পাশের এলাকায় তার ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। পুলিশ সূত্র জানিয়েছে, নামাজ শেষে নিজ বাসার নিচে কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলার সময় অজ্ঞাত সশস্ত্র দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। ঘটনার পর হামলাকারীরা মোটরসাইকেলে করে দ্রুত এলাকা ত্যাগ করে।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, হামলাকারীরা পরপর কয়েক রাউন্ড গুলি চালায়। এতে পলাশ গুরুতর আহত হন।

পরে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসকদের নিবিড় পর্যবেক্ষণে এক সপ্তাহ থাকার পর শুক্রবার দিবাগত রাতে তার মৃত্যু হয়।