ঢাকা ০৯:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

২০২৭ সালের রমজান ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৩১:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 37

ছবি সংগৃহীত

 

ইসলামি চন্দ্রপঞ্জিকা অনুযায়ী ২০২৭ সালের পবিত্র রমজান সোমবার, ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে পারে। তবে রমজানের আনুষ্ঠানিক সূচনা নির্ভর করবে নতুন চাঁদ দেখার ওপর। জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব অনুযায়ী, ৭ ফেব্রুয়ারি রোববার সন্ধ্যায় রমজানের নতুন চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ইসলামি বর্ষপঞ্জিতে এক বছর প্রায় ৩৫৪ দিনের হওয়ায় গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জির তুলনায় রমজান প্রতিবছর প্রায় ১০ থেকে ১১ দিন এগিয়ে আসে। এভাবেই প্রায় ৩৩ বছরের একটি চক্রে রমজান বছরের বিভিন্ন ঋতুতে ফিরে আসে।

আরও পড়ুন  রমজান মাসে ভেজালবিরোধী অভিযান: কঠোর মনিটরিং ও আইনানুগ ব্যবস্থা

২০২৭ সালের রমজানের সম্ভাব্য চাঁদ দেখার তারিখ ধরা হচ্ছে ৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা। ওই সন্ধ্যায় নতুন চাঁদ দেখা গেলে সেদিন রাত থেকেই তারাবির নামাজ শুরু হবে এবং পরদিন সোমবার, ৮ ফেব্রুয়ারি প্রথম রোজা পালিত হতে পারে।

তবে কোনো দেশে ওই সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা না গেলে স্থানীয় ধর্মীয় কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রমজান শুরু এক দিন পিছিয়ে যেতে পারে। ইসলামি রীতিতে পবিত্র মাসের সূচনা নির্ধারণে নতুন চাঁদ দেখা গুরুত্বপূর্ণ।

রমজান ২৯ অথবা ৩০ দিন স্থায়ী হতে পারে। শাওয়ালের নতুন চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করবে রমজানের শেষ দিন। জ্যোতির্বিজ্ঞানের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ঈদুল ফিতর বুধবার, ১০ মার্চ পালিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ঈদের তারিখও চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল।

ইসলামি বর্ষপঞ্জির নবম মাস রমজান মুসলমানদের কাছে বিশেষ পবিত্র। মুসলিমদের বিশ্বাস, এ মাসেই মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর পবিত্র কোরআন নাজিলের সূচনা হয়। রমজানে সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও ধূমপান থেকে বিরত থেকে রোজা পালন করা হয়।

এ মাসে নামাজ, দান-সদকা, আত্মসংযম এবং পরিবার ও সমাজের প্রতি দায়িত্ব পালনের ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

২০২৭ সালের রমজান শুরু হতে কয়েক মাস বাকি থাকলেও মুসলিমপ্রধান দেশগুলোতে ধীরে ধীরে প্রস্তুতি শুরু হবে। মসজিদ প্রস্তুত করা, জনসেবা কার্যক্রমের পরিকল্পনা এবং চাঁদ দেখার আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়াসহ বিভিন্ন প্রস্তুতি নেওয়া হবে।

জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব রমজানের সম্ভাব্য সময় নির্ধারণে সহায়ক হলেও ইসলামি রীতি অনুযায়ী পবিত্র মাসের আনুষ্ঠানিক সূচনা এখনো নতুন চাঁদ দেখার ওপরই নির্ভরশীল।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

২০২৭ সালের রমজান ও ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ

আপডেট সময় ১২:৩১:৫১ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

ইসলামি চন্দ্রপঞ্জিকা অনুযায়ী ২০২৭ সালের পবিত্র রমজান সোমবার, ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে পারে। তবে রমজানের আনুষ্ঠানিক সূচনা নির্ভর করবে নতুন চাঁদ দেখার ওপর। জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব অনুযায়ী, ৭ ফেব্রুয়ারি রোববার সন্ধ্যায় রমজানের নতুন চাঁদ দেখা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

ইসলামি বর্ষপঞ্জিতে এক বছর প্রায় ৩৫৪ দিনের হওয়ায় গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জির তুলনায় রমজান প্রতিবছর প্রায় ১০ থেকে ১১ দিন এগিয়ে আসে। এভাবেই প্রায় ৩৩ বছরের একটি চক্রে রমজান বছরের বিভিন্ন ঋতুতে ফিরে আসে।

আরও পড়ুন  শবে কদরের রাতে যে ৫টি আমল অবশ্যই করবেন

২০২৭ সালের রমজানের সম্ভাব্য চাঁদ দেখার তারিখ ধরা হচ্ছে ৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা। ওই সন্ধ্যায় নতুন চাঁদ দেখা গেলে সেদিন রাত থেকেই তারাবির নামাজ শুরু হবে এবং পরদিন সোমবার, ৮ ফেব্রুয়ারি প্রথম রোজা পালিত হতে পারে।

তবে কোনো দেশে ওই সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা না গেলে স্থানীয় ধর্মীয় কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রমজান শুরু এক দিন পিছিয়ে যেতে পারে। ইসলামি রীতিতে পবিত্র মাসের সূচনা নির্ধারণে নতুন চাঁদ দেখা গুরুত্বপূর্ণ।

রমজান ২৯ অথবা ৩০ দিন স্থায়ী হতে পারে। শাওয়ালের নতুন চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করবে রমজানের শেষ দিন। জ্যোতির্বিজ্ঞানের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ঈদুল ফিতর বুধবার, ১০ মার্চ পালিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ঈদের তারিখও চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল।

ইসলামি বর্ষপঞ্জির নবম মাস রমজান মুসলমানদের কাছে বিশেষ পবিত্র। মুসলিমদের বিশ্বাস, এ মাসেই মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর পবিত্র কোরআন নাজিলের সূচনা হয়। রমজানে সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও ধূমপান থেকে বিরত থেকে রোজা পালন করা হয়।

এ মাসে নামাজ, দান-সদকা, আত্মসংযম এবং পরিবার ও সমাজের প্রতি দায়িত্ব পালনের ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

২০২৭ সালের রমজান শুরু হতে কয়েক মাস বাকি থাকলেও মুসলিমপ্রধান দেশগুলোতে ধীরে ধীরে প্রস্তুতি শুরু হবে। মসজিদ প্রস্তুত করা, জনসেবা কার্যক্রমের পরিকল্পনা এবং চাঁদ দেখার আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়াসহ বিভিন্ন প্রস্তুতি নেওয়া হবে।

জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব রমজানের সম্ভাব্য সময় নির্ধারণে সহায়ক হলেও ইসলামি রীতি অনুযায়ী পবিত্র মাসের আনুষ্ঠানিক সূচনা এখনো নতুন চাঁদ দেখার ওপরই নির্ভরশীল।