জি-৭ সম্মেলনে মোদিকে ‘কিলার’ বললেন ট্রাম্প
- আপডেট সময় ১২:১১:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬
- / 17
ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ‘কঠিন আলোচক’ ও ‘কঠিন ব্যবসায়ী’ হিসেবে বর্ণনা করে তার প্রতি গভীর শ্রদ্ধার কথা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে তিনি ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ককে অত্যন্ত শক্তিশালী বলে উল্লেখ করেন এবং ভারতের প্রতি যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থনের কথাও তুলে ধরেন।
বুধবার, ১৭ জুন জি-৭ সম্মেলনের এক ফাঁকে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে ট্রাম্প মোদির নেতৃত্ব, আলোচনার দক্ষতা ও ব্যক্তিত্বের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, মোদি অত্যন্ত দক্ষ ও কঠিন আলোচক, যিনি নিজের দেশের স্বার্থ রক্ষায় দৃঢ় অবস্থান নেন। পাশাপাশি তিনি মোদিকে একজন নম্র কিন্তু দৃঢ়চেতা নেতা হিসেবেও উল্লেখ করেন।
বৈঠক চলাকালে ট্রাম্প বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী দীর্ঘদিনের বন্ধু এবং তার সঙ্গে সবসময়ই ইতিবাচক সম্পর্ক বজায় রয়েছে। তিনি আরও বলেন, হোয়াইট হাউসে তার প্রশাসনের সময় ভারত একজন নির্ভরযোগ্য বন্ধু পাবে এবং যুক্তরাষ্ট্রে ভারতের প্রতি ব্যাপক শ্রদ্ধা রয়েছে।
ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের প্রসঙ্গ টেনে ট্রাম্প বলেন, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ছে। এ বিষয়ে উভয় দেশের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
ভারতের নিরাপত্তা প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, কোনো পরিস্থিতিতে ভারত আক্রান্ত হলে যুক্তরাষ্ট্র সহযোগিতার জন্য পাশে থাকবে। তবে এ বক্তব্যে তিনি প্রধানমন্ত্রী মোদির নেতৃত্বের বিষয়টিও উল্লেখ করেন।
পশ্চিম এশিয়ার চলমান পরিস্থিতি নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। এ সময় ট্রাম্প বলেন, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ইস্যুতে ভারত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে এবং ভবিষ্যতেও সেই ভূমিকা অব্যাহত থাকবে বলে তিনি প্রত্যাশা করেন।
অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি পশ্চিম এশিয়ায় শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টায় ট্রাম্পের ভূমিকার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, এ অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে, যা দীর্ঘমেয়াদি সমাধানের পথ সুগম করতে পারে।
মোদি আরও বলেন, বৈশ্বিক অর্থনীতির স্বার্থে হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল স্বাভাবিক রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়ে ভারত শুরু থেকেই গুরুত্ব দিয়ে আসছে এবং ভবিষ্যতেও দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করতে পারে।
বৈঠকে ভারত-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্কের ক্রমবর্ধমান গতি, আঞ্চলিক নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা নিয়ে উভয় নেতা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।






















