ঢাকা ০৯:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

যমুনা সেতু এলাকায় ১৮ কিলোমিটার যানজট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:২১:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬
  • / 68

ছবি সংগৃহীত

 

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের যমুনা সেতু এলাকায় অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ এবং একাধিক যানবাহন বিকল হয়ে পড়ায় প্রায় ১৮ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে ঈদ-পরবর্তী যাতায়াতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্কদের ভোগান্তি বেড়েছে।

শনিবার (৬ জুন) সকালে মহাসড়কের যমুনা সেতুর টোল প্লাজা থেকে টাঙ্গাইলের পৌলি এলাকা পর্যন্ত যানজটের এ চিত্র দেখা যায়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শুক্রবার (৫ জুন) দিবাগত রাত থেকেই যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হতে শুরু করে।

আরও পড়ুন  দ্বিতীয় যমুনা ও তৃতীয় মেঘনা সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা সরকারের

যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাত ১২টা থেকে শুক্রবার রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সেতু দিয়ে মোট ৪০ হাজার ৫৮০টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এ সময় টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ১৪ লাখ ২৭ হাজার ২৫০ টাকা।

এর মধ্যে উত্তরবঙ্গমুখী ১৫ হাজার ৪৪৮টি যানবাহন সেতু পার হয়েছে, যেখান থেকে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৩৫ লাখ ৫৮ হাজার ৮০০ টাকা। অন্যদিকে ঢাকামুখী ২৫ হাজার ১৩২টি যানবাহন পারাপার হয়েছে এবং এ খাতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৭৮ লাখ ৬৮ হাজার ৪৫০ টাকা।

যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, অতিরিক্ত যানবাহনের চাপের পাশাপাশি সেতুর ওপর এবং সংযোগ সড়কে রাতে একাধিক যানবাহন বিকল হয়ে যাওয়ায় যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে সেতুর উভয় প্রান্তে নয়টি করে মোট ১৮টি বুথ দিয়ে যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। এছাড়া মোটরসাইকেলের জন্য পৃথক দুটি বুথ চালু রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. জুয়েল মিয়া বলেন, মহাসড়কে যানবাহনের চাপ রয়েছে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কাজ করছে। দ্রুত যান চলাচল স্বাভাবিক হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

যমুনা সেতু এলাকায় ১৮ কিলোমিটার যানজট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা

আপডেট সময় ১১:২১:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৬ জুন ২০২৬

 

ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের যমুনা সেতু এলাকায় অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ এবং একাধিক যানবাহন বিকল হয়ে পড়ায় প্রায় ১৮ কিলোমিটার দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। এতে ঈদ-পরবর্তী যাতায়াতে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন যাত্রীরা। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বয়স্কদের ভোগান্তি বেড়েছে।

শনিবার (৬ জুন) সকালে মহাসড়কের যমুনা সেতুর টোল প্লাজা থেকে টাঙ্গাইলের পৌলি এলাকা পর্যন্ত যানজটের এ চিত্র দেখা যায়। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শুক্রবার (৫ জুন) দিবাগত রাত থেকেই যানবাহনের দীর্ঘ সারি তৈরি হতে শুরু করে।

আরও পড়ুন  দ্বিতীয় যমুনা ও তৃতীয় মেঘনা সেতু নির্মাণের পরিকল্পনা সরকারের

যমুনা সেতু কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাত ১২টা থেকে শুক্রবার রাত ১২টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় সেতু দিয়ে মোট ৪০ হাজার ৫৮০টি যানবাহন পারাপার হয়েছে। এ সময় টোল আদায় হয়েছে ৩ কোটি ১৪ লাখ ২৭ হাজার ২৫০ টাকা।

এর মধ্যে উত্তরবঙ্গমুখী ১৫ হাজার ৪৪৮টি যানবাহন সেতু পার হয়েছে, যেখান থেকে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৩৫ লাখ ৫৮ হাজার ৮০০ টাকা। অন্যদিকে ঢাকামুখী ২৫ হাজার ১৩২টি যানবাহন পারাপার হয়েছে এবং এ খাতে টোল আদায় হয়েছে ১ কোটি ৭৮ লাখ ৬৮ হাজার ৪৫০ টাকা।

যমুনা সেতু সাইট অফিসের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ রিয়াজ উদ্দিন বলেন, অতিরিক্ত যানবাহনের চাপের পাশাপাশি সেতুর ওপর এবং সংযোগ সড়কে রাতে একাধিক যানবাহন বিকল হয়ে যাওয়ায় যানজটের সৃষ্টি হয়েছে। বর্তমানে সেতুর উভয় প্রান্তে নয়টি করে মোট ১৮টি বুথ দিয়ে যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। এছাড়া মোটরসাইকেলের জন্য পৃথক দুটি বুথ চালু রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে এবং বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়ে আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. জুয়েল মিয়া বলেন, মহাসড়কে যানবাহনের চাপ রয়েছে। তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে কাজ করছে। দ্রুত যান চলাচল স্বাভাবিক হবে বলেও তিনি আশা প্রকাশ করেন।