ঢাকা ১০:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

রামিসা হত্যা মামলার ঈদের পরই বিচার শুরু: আইনমন্ত্রী

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৪২:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
  • / 63

ছবি সংগৃহীত

 

রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছর বয়সী শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার ডিএনএ প্রতিবেদন আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পাওয়া গেলে পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগেই আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। শনিবার (২৩ মে) তিনি সংবাদমাধ্যমকে এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, রামিসা হত্যা মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। ডিএনএ প্রতিবেদন হাতে না পেয়ে অভিযোগপত্র দাখিল করলে বড় ধরনের আইনি জটিলতা তৈরি হতে পারে, তাই যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে। ঈদুল ফিতরের আগেই মামলার ট্রায়াল বা বিচার শুরুর যাবতীয় আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে এবং ঈদের পরপরই মূল বিচারকাজ শুরু করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে।

দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাপ্রবাহের কথা উল্লেখ করে মো. আসাদুজ্জামান জানান, নেত্রকোণার মেঘলার ঘটনায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের বিচারিক প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি শিশু ধর্ষণের মামলার ক্ষেত্রে উচ্চ আদালতের পেপারবুক দ্রুত প্রস্তুত করার জন্য বিশেষ অনুমতি নেওয়ার অনুরোধ জানানো হবে।

বিগত সরকারের আমলে গুমের শিকার হওয়া পরিবারগুলোর অধিকার ও সুরক্ষার বিষয়ে আইনমন্ত্রী আশ্বস্ত করে বলেন, নির্দিষ্ট কোনো আইন চূড়ান্ত হওয়া না পর্যন্ত ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে সরকার আইনি সহায়তা ও সার্বিক নিরাপত্তা প্রদান করবে। সরকারি লিগ্যাল এইড বা আইনি সহায়তা কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও গতিশীল করার চেষ্টা চলছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

দেশের আদালতগুলোতে ঝুলে থাকা বিপুল সংখ্যক মামলার জট প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মন্ত্রী জানান, বর্তমানে প্রায় ৪৫ লাখ মামলা ঝুলে আছে। তবে এর মধ্যে আপসযোগ্য প্রায় ৮০ শতাংশ মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করা সম্ভব। আগামী তিন মাসের মধ্যে সারা দেশে অন্তত ৫০ হাজার মামলা নিষ্পত্তির লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
তৃণমূল পর্যায়ের সুপারিশের ভিত্তিতে আইন পরিবর্তনসহ প্রয়োজনীয় আইনি সংস্কার করা হবে এবং জাতীয় পর্যায় থেকে জেলা পর্যন্ত আইনি সহায়তা কার্যক্রম সচল রাখা হবে। এছাড়া প্রচলিত কোনো আইন যদি নাগরিক জীবনে বৈষম্য সৃষ্টি করে থাকে, তবে তা বাতিল করার পাশাপাশি আইনের সঠিক প্রয়োগের দিকেও বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হবে বলে তিনি স্পষ্ট করেন।

বিষয় :

নিউজটি শেয়ার করুন

রামিসা হত্যা মামলার ঈদের পরই বিচার শুরু: আইনমন্ত্রী

আপডেট সময় ০৩:৪২:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

 

রাজধানীর পল্লবীতে সাত বছর বয়সী শিক্ষার্থী রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার ডিএনএ প্রতিবেদন আগামী ৭২ ঘণ্টার মধ্যে পাওয়া গেলে পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগেই আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। শনিবার (২৩ মে) তিনি সংবাদমাধ্যমকে এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, রামিসা হত্যা মামলার বিচারিক প্রক্রিয়া দ্রুততম সময়ের মধ্যে সম্পন্ন করতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। ডিএনএ প্রতিবেদন হাতে না পেয়ে অভিযোগপত্র দাখিল করলে বড় ধরনের আইনি জটিলতা তৈরি হতে পারে, তাই যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে। ঈদুল ফিতরের আগেই মামলার ট্রায়াল বা বিচার শুরুর যাবতীয় আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে এবং ঈদের পরপরই মূল বিচারকাজ শুরু করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা দেওয়া হবে।

দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘটে যাওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাপ্রবাহের কথা উল্লেখ করে মো. আসাদুজ্জামান জানান, নেত্রকোণার মেঘলার ঘটনায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের বিচারিক প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হচ্ছে। পাশাপাশি শিশু ধর্ষণের মামলার ক্ষেত্রে উচ্চ আদালতের পেপারবুক দ্রুত প্রস্তুত করার জন্য বিশেষ অনুমতি নেওয়ার অনুরোধ জানানো হবে।

বিগত সরকারের আমলে গুমের শিকার হওয়া পরিবারগুলোর অধিকার ও সুরক্ষার বিষয়ে আইনমন্ত্রী আশ্বস্ত করে বলেন, নির্দিষ্ট কোনো আইন চূড়ান্ত হওয়া না পর্যন্ত ভুক্তভোগী পরিবারগুলোকে সরকার আইনি সহায়তা ও সার্বিক নিরাপত্তা প্রদান করবে। সরকারি লিগ্যাল এইড বা আইনি সহায়তা কার্যক্রমকে আরও কার্যকর ও গতিশীল করার চেষ্টা চলছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

দেশের আদালতগুলোতে ঝুলে থাকা বিপুল সংখ্যক মামলার জট প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মন্ত্রী জানান, বর্তমানে প্রায় ৪৫ লাখ মামলা ঝুলে আছে। তবে এর মধ্যে আপসযোগ্য প্রায় ৮০ শতাংশ মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করা সম্ভব। আগামী তিন মাসের মধ্যে সারা দেশে অন্তত ৫০ হাজার মামলা নিষ্পত্তির লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
তৃণমূল পর্যায়ের সুপারিশের ভিত্তিতে আইন পরিবর্তনসহ প্রয়োজনীয় আইনি সংস্কার করা হবে এবং জাতীয় পর্যায় থেকে জেলা পর্যন্ত আইনি সহায়তা কার্যক্রম সচল রাখা হবে। এছাড়া প্রচলিত কোনো আইন যদি নাগরিক জীবনে বৈষম্য সৃষ্টি করে থাকে, তবে তা বাতিল করার পাশাপাশি আইনের সঠিক প্রয়োগের দিকেও বিশেষ মনোযোগ দেওয়া হবে বলে তিনি স্পষ্ট করেন।