ঢাকা ০৪:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

ত্রিশালে ডেন্টাল চেম্বারে ছাগলের দাঁত উত্তোলন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:১০:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬
  • / 75

ছবি সংগৃহীত

 

ময়মনসিংহের ত্রিশালে কোরবানির পশু হিসেবে বিক্রির উদ্দেশ্যে একটি ছাগলের দাঁত তুলে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার একটি ডেন্টাল চেম্বারে এ ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়দের দাবি। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে সন্ধ্যা ৬টার দিকে ত্রিশাল পৌরসভার মহিলা কলেজ গেট-সংলগ্ন আলভি ডেন্টাল কেয়ার-এ ঘটনাটি ঘটে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রের দাবি, বিষয়টি জানতে পেরে এলাকাবাসী পৌরসভার জামে মসজিদ রোড এলাকা থেকে লিটন নামের এক ব্যক্তি ও তার এক সহযোগীকে আটক করেন। পরে স্থানীয়দের সামনে তারা ছাগলের দাঁত তোলার কথা স্বীকার করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযুক্তদের ভাষ্য অনুযায়ী, ছাগলটির দাঁত নড়বড়ে থাকায় তা তুলে ফেলা হয়েছে এবং পরে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছিল। তবে মানুষের চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত ডেন্টাল চেম্বারে কেন ছাগলের দাঁত তোলা হয়েছে—এ প্রশ্নের জবাবে তারা বলেন, সেখানে দাঁত তোলা হয় জেনেই ছাগলটি নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাদের অভিযোগ, কোরবানির পশুর বয়স গোপন করতে দাঁত তুলে ফেলা প্রতারণার শামিল। একই সঙ্গে প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ এবং একই চিকিৎসা সরঞ্জাম পশু ও মানুষের ক্ষেত্রে ব্যবহারের বিষয়টি জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগ তৈরি করতে পারে বলেও তারা মন্তব্য করেন।

আলভি ডেন্টাল কেয়ার-এর মালিক দন্ত চিকিৎসক আনোয়ার হোসেন মানিক বলেন, ঘটনার সময় তিনি উপস্থিত ছিলেন না। তার দাবি, প্রতিষ্ঠানের এক কর্মচারী বিষয়টি না বুঝে ছাগলের দাঁত তুলে ফেলেছেন।

দাঁত তোলার কথা স্বীকার করে রাকিব নামের এক ব্যক্তি বলেন, পরিচিত একজনের অনুরোধে তিনি কাজটি করেছেন। তবে এ জন্য কোনো অর্থ নেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

এ বিষয়ে ত্রিশাল উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নাজনীন সুলতানা বলেন, প্রাণিকল্যাণ আইন অনুযায়ী এ ধরনের কাজ শাস্তিযোগ্য অপরাধ। আইন অনুযায়ী এ অপরাধে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড, ১০ হাজার থেকে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ত্রিশালে ডেন্টাল চেম্বারে ছাগলের দাঁত উত্তোলন

আপডেট সময় ১২:১০:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬

 

ময়মনসিংহের ত্রিশালে কোরবানির পশু হিসেবে বিক্রির উদ্দেশ্যে একটি ছাগলের দাঁত তুলে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। উপজেলার একটি ডেন্টাল চেম্বারে এ ঘটনা ঘটেছে বলে স্থানীয়দের দাবি। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ২১ মে সন্ধ্যা ৬টার দিকে ত্রিশাল পৌরসভার মহিলা কলেজ গেট-সংলগ্ন আলভি ডেন্টাল কেয়ার-এ ঘটনাটি ঘটে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্রের দাবি, বিষয়টি জানতে পেরে এলাকাবাসী পৌরসভার জামে মসজিদ রোড এলাকা থেকে লিটন নামের এক ব্যক্তি ও তার এক সহযোগীকে আটক করেন। পরে স্থানীয়দের সামনে তারা ছাগলের দাঁত তোলার কথা স্বীকার করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

অভিযুক্তদের ভাষ্য অনুযায়ী, ছাগলটির দাঁত নড়বড়ে থাকায় তা তুলে ফেলা হয়েছে এবং পরে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছিল। তবে মানুষের চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত ডেন্টাল চেম্বারে কেন ছাগলের দাঁত তোলা হয়েছে—এ প্রশ্নের জবাবে তারা বলেন, সেখানে দাঁত তোলা হয় জেনেই ছাগলটি নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তাদের অভিযোগ, কোরবানির পশুর বয়স গোপন করতে দাঁত তুলে ফেলা প্রতারণার শামিল। একই সঙ্গে প্রাণীর প্রতি নিষ্ঠুর আচরণ এবং একই চিকিৎসা সরঞ্জাম পশু ও মানুষের ক্ষেত্রে ব্যবহারের বিষয়টি জনস্বাস্থ্যের জন্য উদ্বেগ তৈরি করতে পারে বলেও তারা মন্তব্য করেন।

আলভি ডেন্টাল কেয়ার-এর মালিক দন্ত চিকিৎসক আনোয়ার হোসেন মানিক বলেন, ঘটনার সময় তিনি উপস্থিত ছিলেন না। তার দাবি, প্রতিষ্ঠানের এক কর্মচারী বিষয়টি না বুঝে ছাগলের দাঁত তুলে ফেলেছেন।

দাঁত তোলার কথা স্বীকার করে রাকিব নামের এক ব্যক্তি বলেন, পরিচিত একজনের অনুরোধে তিনি কাজটি করেছেন। তবে এ জন্য কোনো অর্থ নেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি।

এ বিষয়ে ত্রিশাল উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নাজনীন সুলতানা বলেন, প্রাণিকল্যাণ আইন অনুযায়ী এ ধরনের কাজ শাস্তিযোগ্য অপরাধ। আইন অনুযায়ী এ অপরাধে সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড, ১০ হাজার থেকে দুই লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।