ঢাকা ০৯:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

নেতানিয়াহুর পদত্যাগ ও লেবাননে হামলা বন্ধের দাবিতে উত্তাল ইসরাইল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৫৮:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
  • / 88

ছবি: সংগৃহীত

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সরকারের পদত্যাগ এবং দক্ষিণ লেবাননে সামরিক অভিযান বন্ধের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে তেল আবিব। শনিবার (৯ মে) দিবাগত রাতে কয়েকশ বিক্ষোভকারী রাজপথে নেমে সরকারের যুদ্ধনীতি এবং অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। চলতি বছরের শেষের দিকে দেশটিতে সাধারণ নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও তার আগেই লেবানন ও ইরান ইস্যু এবং সামরিক বাহিনীতে কট্টর অর্থোডক্সদের নিয়োগ নিয়ে সরকারের ভেতরে ও বাইরে চরম টানাপোড়েন শুরু হয়েছে।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ৮৩ বছর বয়সী অবসরপ্রাপ্ত নাগরিক ডেভিড আলকান রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বর্তমান প্রশাসনকে ‘বিপর্যয়’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, এই সরকার জনগণকে বিভ্রান্ত করতে ক্রমাগত মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য প্রদান করছে। আলকান আরও দাবি করেন, বহিরাগত শত্রুর চেয়েও ইসরাইলের বর্তমান অভ্যন্তরীণ বিভাজন দেশটির জন্য বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষ করে সামরিক সেবা দিতে কট্টর অর্থোডক্স গোষ্ঠীগুলোর অস্বীকৃতি জানানোর কঠোর সমালোচনা করেন তিনি।

সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া আন্দোলনের বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, বিক্ষোভকারীরা সরকারের সমালোচনা করে বিভিন্ন বিতর্কিত প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করছেন। অনেক প্ল্যাকার্ডে ‘গণহত্যা বন্ধ করো’ এবং ‘৭ অক্টোবর ভুলে যাও’—এর মতো স্লোগান দেখা যায়। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর ডাকনাম ‘বিবি’-র সঙ্গে কুখ্যাত ড্রাগ লর্ড পাবলো এসকোবারের নাম জুড়ে দিয়ে তাকে ‘বিবি এসকোবার’ বলে ব্যঙ্গাত্মক সম্বোধন করতে দেখা গেছে।

আরও পড়ুন  বোমা হামলার হুমকি: রোমে আমেরিকান এয়ারলাইনসের ফ্লাইট জরুরি অবতরণ

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, লেবানন ও ইরানের সঙ্গে চলমান বহুমুখী সংঘাত এবং বাধ্যতামূলক সামরিক সার্ভিস নিয়ে অভ্যন্তরীণ বৈষম্য নেতানিয়াহু প্রশাসনকে এক কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে। আন্তর্জাতিক চাপ এবং নিজ দেশের জনগণের এই ধারাবাহিক অসন্তোষ আসন্ন নির্বাচনে ক্ষমতাসীন জোটের জন্য বড় ধরনের অন্তরায় হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

নেতানিয়াহুর পদত্যাগ ও লেবাননে হামলা বন্ধের দাবিতে উত্তাল ইসরাইল

আপডেট সময় ০৬:৫৮:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সরকারের পদত্যাগ এবং দক্ষিণ লেবাননে সামরিক অভিযান বন্ধের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে তেল আবিব। শনিবার (৯ মে) দিবাগত রাতে কয়েকশ বিক্ষোভকারী রাজপথে নেমে সরকারের যুদ্ধনীতি এবং অভ্যন্তরীণ অস্থিরতার বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন। চলতি বছরের শেষের দিকে দেশটিতে সাধারণ নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও তার আগেই লেবানন ও ইরান ইস্যু এবং সামরিক বাহিনীতে কট্টর অর্থোডক্সদের নিয়োগ নিয়ে সরকারের ভেতরে ও বাইরে চরম টানাপোড়েন শুরু হয়েছে।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ৮৩ বছর বয়সী অবসরপ্রাপ্ত নাগরিক ডেভিড আলকান রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বর্তমান প্রশাসনকে ‘বিপর্যয়’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন। তিনি অভিযোগ করে বলেন, এই সরকার জনগণকে বিভ্রান্ত করতে ক্রমাগত মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য প্রদান করছে। আলকান আরও দাবি করেন, বহিরাগত শত্রুর চেয়েও ইসরাইলের বর্তমান অভ্যন্তরীণ বিভাজন দেশটির জন্য বেশি ঝুঁকিপূর্ণ। বিশেষ করে সামরিক সেবা দিতে কট্টর অর্থোডক্স গোষ্ঠীগুলোর অস্বীকৃতি জানানোর কঠোর সমালোচনা করেন তিনি।

সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া আন্দোলনের বিভিন্ন ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, বিক্ষোভকারীরা সরকারের সমালোচনা করে বিভিন্ন বিতর্কিত প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করছেন। অনেক প্ল্যাকার্ডে ‘গণহত্যা বন্ধ করো’ এবং ‘৭ অক্টোবর ভুলে যাও’—এর মতো স্লোগান দেখা যায়। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর ডাকনাম ‘বিবি’-র সঙ্গে কুখ্যাত ড্রাগ লর্ড পাবলো এসকোবারের নাম জুড়ে দিয়ে তাকে ‘বিবি এসকোবার’ বলে ব্যঙ্গাত্মক সম্বোধন করতে দেখা গেছে।

আরও পড়ুন  নতুন সংগঠন থেকে পদত্যাগ: গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদের দুই সমন্বয়ক বিদায়

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, লেবানন ও ইরানের সঙ্গে চলমান বহুমুখী সংঘাত এবং বাধ্যতামূলক সামরিক সার্ভিস নিয়ে অভ্যন্তরীণ বৈষম্য নেতানিয়াহু প্রশাসনকে এক কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখে ঠেলে দিয়েছে। আন্তর্জাতিক চাপ এবং নিজ দেশের জনগণের এই ধারাবাহিক অসন্তোষ আসন্ন নির্বাচনে ক্ষমতাসীন জোটের জন্য বড় ধরনের অন্তরায় হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।