ঢাকা ০২:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রথমার্ধে গোলশূন্য; রক্ষণ সামলাতেই ব্যস্ত আর্জেন্টিনা ‎বিতর্ক এড়াতে ফাইনালে সাত দেশের রেফারি জুলাই সনদ বিতর্কের ইতি টানার উচিত: মির্জা ফখরুলের ‎শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে ৫৮ নিহতের পরিচয় শনাক্ত: চিফ প্রসিকিউটর জিম্বাবুয়েকে ১৪৩ রানে থামাল বাংলাদেশ, লক্ষ্য ১৪৪ রাজনৈতিক পক্ষপাত ছাড়াই দায়িত্ব পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‎গণমাধ্যমের তোষামোদী সংস্কৃতি এখনো রয়ে গেছে— মির্জা ফখরুল ‎সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে টস হেরে বোলিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে দুই পরিবর্তন জুলাই বিপ্লবে বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলন সফল হয়েছে: রিজভী জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার পর নতুন দাবি তেহরানের

ডিসিদের কঠোর নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:২০:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬
  • / 95

ছবি সংগৃহীত

 

বিগত সরকারের আমলে রাজনৈতিক বিবেচনায় ইস্যু করা প্রায় ১০ হাজার লাইসেন্সধারী আগ্নেয়াস্ত্র এখনো জমা না পড়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এসব অস্ত্র দ্রুত উদ্ধার ও বাজেয়াপ্ত করার জন্য জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

বুধবার (০৬ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর অস্ত্র জমা দেওয়ার নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও একটি বড় অংশ এখনো মাঠ পর্যায়ে রয়ে গেছে। এই অস্ত্রগুলো উদ্ধার করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রয়োজনে মামলা দায়েরের জন্য মাঠ প্রশাসনকে তৎপর হতে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন  ইতালির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে বাংলাদেশ: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত নীতিমালার তোয়াক্কা না করে যেসব অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে, সেগুলো বাতিলের প্রক্রিয়া চলমান। জেলা পর্যায়ের কমিটির মাধ্যমে যাচাই-বাছাই শেষে ত্রুটিপূর্ণ লাইসেন্সের অস্ত্রগুলো সরকার বাজেয়াপ্ত করবে। তবে ২০০৯ সালের আগে ইস্যু করা বৈধ লাইসেন্সধারীরা যথাযথ প্রক্রিয়ায় তাদের অস্ত্র ফেরত পাবেন বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার রোধ করাকে সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেন মন্ত্রী। অস্ত্র উদ্ধারের পাশাপাশি মাদক, চাঁদাবাজি এবং অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধেও জেলা প্রশাসকদের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে অর্থ পাচার ও সামাজিক অবক্ষয় রোধে নতুন আইন প্রণয়নের কাজও বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোনো ধরনের শিথিলতা সহ্য করা হবে না জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং পুলিশ ও জেলা প্রশাসনকে এ লক্ষ্যে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ডিসিদের কঠোর নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

আপডেট সময় ০৪:২০:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মে ২০২৬

 

বিগত সরকারের আমলে রাজনৈতিক বিবেচনায় ইস্যু করা প্রায় ১০ হাজার লাইসেন্সধারী আগ্নেয়াস্ত্র এখনো জমা না পড়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এসব অস্ত্র দ্রুত উদ্ধার ও বাজেয়াপ্ত করার জন্য জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

বুধবার (০৬ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত অধিবেশন শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর অস্ত্র জমা দেওয়ার নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও একটি বড় অংশ এখনো মাঠ পর্যায়ে রয়ে গেছে। এই অস্ত্রগুলো উদ্ধার করে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং প্রয়োজনে মামলা দায়েরের জন্য মাঠ প্রশাসনকে তৎপর হতে বলা হয়েছে।

আরও পড়ুন  ফায়ার সার্ভিসের সক্ষমতা ও সুযোগ-সুবিধা বাড়াতে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ২০০৯ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পর্যন্ত নীতিমালার তোয়াক্কা না করে যেসব অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে, সেগুলো বাতিলের প্রক্রিয়া চলমান। জেলা পর্যায়ের কমিটির মাধ্যমে যাচাই-বাছাই শেষে ত্রুটিপূর্ণ লাইসেন্সের অস্ত্রগুলো সরকার বাজেয়াপ্ত করবে। তবে ২০০৯ সালের আগে ইস্যু করা বৈধ লাইসেন্সধারীরা যথাযথ প্রক্রিয়ায় তাদের অস্ত্র ফেরত পাবেন বলে আশ্বস্ত করেন তিনি।

আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে অবৈধ অস্ত্রের বিস্তার রোধ করাকে সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করেন মন্ত্রী। অস্ত্র উদ্ধারের পাশাপাশি মাদক, চাঁদাবাজি এবং অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধেও জেলা প্রশাসকদের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও জানান, অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে অর্থ পাচার ও সামাজিক অবক্ষয় রোধে নতুন আইন প্রণয়নের কাজও বর্তমানে প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোনো ধরনের শিথিলতা সহ্য করা হবে না জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং পুলিশ ও জেলা প্রশাসনকে এ লক্ষ্যে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।