ঢাকা ১০:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের ১৪ দফা প্রস্তাব

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:২৩:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬
  • / 90

ছবি সংগৃহীত

 

 

মধ্যপ্রাচ্যসহ সবক্ষেত্রে চলমান যুদ্ধ ও সংঘাতের স্থায়ী অবসানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ১৪ দফার একটি নতুন শান্তি পরিকল্পনা পেশ করেছে ইরান।

আরও পড়ুন  হুমকির মুখে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা নাকচ ইরানের

গতকাল শনিবার রাতে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। তেহরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা কেবল সাময়িক কোনো যুদ্ধবিরতি চায় না, বরং বিদ্যমান সংকটের একটি টেকসই ও স্থায়ী সমাধানই তাদের মূল লক্ষ্য।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার জন্য দুই মাস সময় চেয়ে একটি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছিল। তবে ইরান সেই প্রস্তাব সরাসরি নাকচ করে দিয়ে পাল্টা শর্ত জুড়ে দিয়েছে। ইরানের দাবি অনুযায়ী, যাবতীয় সমস্যার সমাধান আগামী ৩০ দিনের মধ্যেই সম্পন্ন করতে হবে। নির্দিষ্ট এই সময়সীমার মধ্যেই সব পক্ষকে ঐকমত্যে পৌঁছানোর আহ্বান জানিয়েছে দেশটি।

ইরানের পক্ষ থেকে পেশ করা এই ১৪ দফা শান্তি পরিকল্পনায় বেশ কিছু কঠোর ও কৌশলগত শর্ত অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পরিকল্পনার অন্যতম প্রধান শর্ত হিসেবে ইরান দাবি করেছে, ভবিষ্যতে তাদের ওপর আর কোনো সামরিক আগ্রাসন চালানো হবে না—এমন নিশ্চয়তা যুক্তরাষ্ট্রকে দিতে হবে। পাশাপাশি ইরানের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলো থেকে সব মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে।

এছাড়া ইরানের ওপর দীর্ঘকাল ধরে আরোপিত সব ধরনের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও নৌ-অবরোধ তুলে নেওয়ার বিষয়টিও এই পরিকল্পনায় গুরুত্ব পেয়েছে। একই সঙ্গে বিদেশের বিভিন্ন ব্যাংকে জব্দ থাকা ইরানের সব সম্পদ অবিলম্বে ফেরত দেওয়ার দাবি করা হয়েছে। তেহরান স্পষ্ট করে বলেছে, লেবাননসহ বর্তমানে চলমান সব রণাঙ্গনে যুদ্ধের চূড়ান্ত অবসান ঘটাতে হবে।

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই নতুন পরিকল্পনা মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী স্থিতিশীলতা আনার একটি বড় উদ্যোগ হলেও এর কঠোর শর্তগুলো নিয়ে ওয়াশিংটনের প্রতিক্রিয়া কী হয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়। তেহরান মনে করছে, স্থায়ী শান্তি ফেরাতে এই পদক্ষেপগুলোর কোনো বিকল্প নেই।

নিউজটি শেয়ার করুন

মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠায় যুক্তরাষ্ট্রকে ইরানের ১৪ দফা প্রস্তাব

আপডেট সময় ১০:২৩:২৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩ মে ২০২৬

 

 

মধ্যপ্রাচ্যসহ সবক্ষেত্রে চলমান যুদ্ধ ও সংঘাতের স্থায়ী অবসানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ১৪ দফার একটি নতুন শান্তি পরিকল্পনা পেশ করেছে ইরান।

আরও পড়ুন  হুমকির মুখে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমঝোতা নাকচ ইরানের

গতকাল শনিবার রাতে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। তেহরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারা কেবল সাময়িক কোনো যুদ্ধবিরতি চায় না, বরং বিদ্যমান সংকটের একটি টেকসই ও স্থায়ী সমাধানই তাদের মূল লক্ষ্য।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র আলোচনার জন্য দুই মাস সময় চেয়ে একটি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দিয়েছিল। তবে ইরান সেই প্রস্তাব সরাসরি নাকচ করে দিয়ে পাল্টা শর্ত জুড়ে দিয়েছে। ইরানের দাবি অনুযায়ী, যাবতীয় সমস্যার সমাধান আগামী ৩০ দিনের মধ্যেই সম্পন্ন করতে হবে। নির্দিষ্ট এই সময়সীমার মধ্যেই সব পক্ষকে ঐকমত্যে পৌঁছানোর আহ্বান জানিয়েছে দেশটি।

ইরানের পক্ষ থেকে পেশ করা এই ১৪ দফা শান্তি পরিকল্পনায় বেশ কিছু কঠোর ও কৌশলগত শর্ত অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। পরিকল্পনার অন্যতম প্রধান শর্ত হিসেবে ইরান দাবি করেছে, ভবিষ্যতে তাদের ওপর আর কোনো সামরিক আগ্রাসন চালানো হবে না—এমন নিশ্চয়তা যুক্তরাষ্ট্রকে দিতে হবে। পাশাপাশি ইরানের সীমান্তবর্তী এলাকাগুলো থেকে সব মার্কিন বাহিনী প্রত্যাহারের দাবি জানানো হয়েছে।

এছাড়া ইরানের ওপর দীর্ঘকাল ধরে আরোপিত সব ধরনের অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও নৌ-অবরোধ তুলে নেওয়ার বিষয়টিও এই পরিকল্পনায় গুরুত্ব পেয়েছে। একই সঙ্গে বিদেশের বিভিন্ন ব্যাংকে জব্দ থাকা ইরানের সব সম্পদ অবিলম্বে ফেরত দেওয়ার দাবি করা হয়েছে। তেহরান স্পষ্ট করে বলেছে, লেবাননসহ বর্তমানে চলমান সব রণাঙ্গনে যুদ্ধের চূড়ান্ত অবসান ঘটাতে হবে।

আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের এই নতুন পরিকল্পনা মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘস্থায়ী স্থিতিশীলতা আনার একটি বড় উদ্যোগ হলেও এর কঠোর শর্তগুলো নিয়ে ওয়াশিংটনের প্রতিক্রিয়া কী হয়, সেটিই এখন দেখার বিষয়। তেহরান মনে করছে, স্থায়ী শান্তি ফেরাতে এই পদক্ষেপগুলোর কোনো বিকল্প নেই।