ঢাকা ০৫:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
দিল্লিতে শিক্ষার্থীদের থাকার ভবন ধসে পড়েছে, চলছে উদ্ধার অভিযান বিদেশ ভ্রমণে বৈদেশিক মুদ্রার সীমা বাড়াল বাংলাদেশ ব্যাংক ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পেপারবিহীন, আধুনিক সংসদ প্রতিষ্ঠায় ই-পার্লামেন্ট চালুর উদ্যোগ ইসরায়েলে বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা ইরানের ঢাকার নদী দূষণমুক্ত করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ আলাদা পে-স্কেলের চিন্তা শিক্ষকদের জন্য: শিক্ষামন্ত্রী মিলন দুই দিনের সফরে ঠাকুরগাঁও পৌঁছেছেন রাষ্ট্রপতি সদস্য দেশগুলোকে লক্ষ্য করে হাইব্রিড কর্মকাণ্ডে কঠোর বার্তা ন্যাটোর নতুন চাঞ্চল্য পাকিস্তান দলে, ক্রিকেটারদের ফোন জব্দ

পেপারবিহীন, আধুনিক সংসদ প্রতিষ্ঠায় ই-পার্লামেন্ট চালুর উদ্যোগ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:৩৮:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 21

ছবি: সংগৃহীত

 

পেপারবিহীন, আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সংসদ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ই-পার্লামেন্ট সিস্টেম বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ব্যবস্থার মাধ্যমে সংসদীয় নথি ব্যবস্থাপনা, তথ্য সংরক্ষণ ও আদান-প্রদান আরও সহজ, দ্রুত ও কার্যকর করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের লাইব্রেরি কমিটির সভাপতি ও ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এমপি এবং কমিটির সদস্য নায়াব ইউসুফ আহমেদ ও এ বি এম মোশাররফ হোসেন স্পিকারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় ই-পার্লামেন্ট সিস্টেম বাস্তবায়নের বিষয়ে আলোচনা হয়।

সাক্ষাৎকালে সংসদের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে ই-পার্লামেন্ট সিস্টেম বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। প্রস্তাবিত এ ব্যবস্থায় বাংলা ও ইংরেজি ভাষার সংস্করণ থাকবে। এর ফলে সংসদীয় নথি ব্যবস্থাপনা, তথ্য সংরক্ষণ ও আদান-প্রদানের কাজ আরও সহজ ও কার্যকর হবে।

ই-পার্লামেন্ট সিস্টেম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ডেপুটি স্পিকারকে চেয়ারম্যান করে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন স্পিকার। কমিটি প্রস্তাবিত সিস্টেমের কাঠামো, বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া, প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত অবকাঠামো এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করবে।

চলতি সেপ্টেম্বর মাসের শেষের দিকে ই-পার্লামেন্ট সিস্টেমের ওপর একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপনের জন্যও নির্দেশনা দিয়েছেন স্পিকার। ওই প্রেজেন্টেশনে প্রস্তাবিত সিস্টেমের কার্যপদ্ধতি, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, বাস্তবায়ন পরিকল্পনা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরা হবে।

সাক্ষাৎকালে উল্লেখ করা হয়, ই-পার্লামেন্ট সিস্টেম বাস্তবায়ন বর্তমান সরকারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হবে। এ ব্যবস্থা চালু হলে সংসদের বিভিন্ন কার্যক্রম ও নথি ডিজিটাল ব্যবস্থায় পরিচালিত হবে। এতে কাগজের ব্যবহার কমার পাশাপাশি সময় ও প্রশাসনিক ব্যয় সাশ্রয় হবে। একই সঙ্গে সংসদীয় কার্যক্রমে গতি, দক্ষতা ও সমন্বয় বাড়বে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় কারিগরি ও অন্যান্য সহযোগিতা নিশ্চিত করতে ইউএনডিপি, দাতা দেশ ও দাতা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী প্রকল্পের পরবর্তী পর্যায়ে তাদের সহযোগিতা নেওয়া হবে।

পেপারবিহীন ও প্রযুক্তিনির্ভর সংসদ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ই-পার্লামেন্ট সিস্টেম বাস্তবায়নকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও যুগোপযোগী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিষয় :

নিউজটি শেয়ার করুন

পেপারবিহীন, আধুনিক সংসদ প্রতিষ্ঠায় ই-পার্লামেন্ট চালুর উদ্যোগ

আপডেট সময় ০৪:৩৮:৪৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

পেপারবিহীন, আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর সংসদ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ই-পার্লামেন্ট সিস্টেম বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ব্যবস্থার মাধ্যমে সংসদীয় নথি ব্যবস্থাপনা, তথ্য সংরক্ষণ ও আদান-প্রদান আরও সহজ, দ্রুত ও কার্যকর করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের লাইব্রেরি কমিটির সভাপতি ও ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল এমপি এবং কমিটির সদস্য নায়াব ইউসুফ আহমেদ ও এ বি এম মোশাররফ হোসেন স্পিকারের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। এ সময় ই-পার্লামেন্ট সিস্টেম বাস্তবায়নের বিষয়ে আলোচনা হয়।

সাক্ষাৎকালে সংসদের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল, আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে ই-পার্লামেন্ট সিস্টেম বাস্তবায়নের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। প্রস্তাবিত এ ব্যবস্থায় বাংলা ও ইংরেজি ভাষার সংস্করণ থাকবে। এর ফলে সংসদীয় নথি ব্যবস্থাপনা, তথ্য সংরক্ষণ ও আদান-প্রদানের কাজ আরও সহজ ও কার্যকর হবে।

ই-পার্লামেন্ট সিস্টেম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ডেপুটি স্পিকারকে চেয়ারম্যান করে একটি কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছেন স্পিকার। কমিটি প্রস্তাবিত সিস্টেমের কাঠামো, বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া, প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত অবকাঠামো এবং সংশ্লিষ্ট অন্যান্য বিষয় পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় কার্যক্রম গ্রহণ করবে।

চলতি সেপ্টেম্বর মাসের শেষের দিকে ই-পার্লামেন্ট সিস্টেমের ওপর একটি প্রেজেন্টেশন উপস্থাপনের জন্যও নির্দেশনা দিয়েছেন স্পিকার। ওই প্রেজেন্টেশনে প্রস্তাবিত সিস্টেমের কার্যপদ্ধতি, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা, বাস্তবায়ন পরিকল্পনা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরা হবে।

সাক্ষাৎকালে উল্লেখ করা হয়, ই-পার্লামেন্ট সিস্টেম বাস্তবায়ন বর্তমান সরকারের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হবে। এ ব্যবস্থা চালু হলে সংসদের বিভিন্ন কার্যক্রম ও নথি ডিজিটাল ব্যবস্থায় পরিচালিত হবে। এতে কাগজের ব্যবহার কমার পাশাপাশি সময় ও প্রশাসনিক ব্যয় সাশ্রয় হবে। একই সঙ্গে সংসদীয় কার্যক্রমে গতি, দক্ষতা ও সমন্বয় বাড়বে।

প্রকল্পটি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় কারিগরি ও অন্যান্য সহযোগিতা নিশ্চিত করতে ইউএনডিপি, দাতা দেশ ও দাতা সংস্থার সঙ্গে যোগাযোগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রয়োজন অনুযায়ী প্রকল্পের পরবর্তী পর্যায়ে তাদের সহযোগিতা নেওয়া হবে।

পেপারবিহীন ও প্রযুক্তিনির্ভর সংসদ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে ই-পার্লামেন্ট সিস্টেম বাস্তবায়নকে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও যুগোপযোগী পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।