ঢাকা ০৯:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার
আন্তর্জাতিক

মোদি-ট্রাম্প ফোনালাপের পরও ভারতকে নিয়ে ট্রাম্পের বিস্ফোরক মন্তব্য

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:২০:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৫
  • / 405

ছবি সংগৃহীত

 

গতকাল, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে আলোচনা করেছেন। ফোনালাপে দুই নেতা পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তবে, ফোনালাপের পরের দিনই ট্রাম্প ভারতকে নিয়ে একটি বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন যা বিশ্ব মিডিয়ায় আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। 

ট্রাম্প মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) এক ভাষণে ভারত, চীন ও ব্রাজিলকে ‘ভয়াবহ শুল্ক আরোপকারী দেশ’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, এই দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে উচ্চ শুল্ক আরোপ করছে এবং তিনি আর এ ধরনের আচরণ সহ্য করবেন না। ট্রাম্প বলেন, ‘‘আমরা আমেরিকার স্বার্থে যা প্রয়োজন, তাই করব।’’

আরও পড়ুন  ট্রাম্প-স্টারমারের প্রথম ফোনালাপ: মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা ও বাণিজ্য নিয়ে আলোচনা।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেন, ভারত, চীন ও ব্রাজিল নিজেদের স্বার্থে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি করার চেষ্টা করছে। তিনি আরও জানান, ‘‘আমরা এমন দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপ করব যারা আমাদের অর্থনীতির ক্ষতি করতে চায়।’’ ভারতীয় পণ্যগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের বিষয়ে ট্রাম্পের মন্তব্য থেকে স্পষ্ট যে, আগামী দিনে এই বিষয়ে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

এদিকে, মোদি-ট্রাম্পের ফোনালাপে শুল্ক নিয়ে আলোচনা হয়েছে কিনা তা স্পষ্ট হয়নি, তবে ভারতীয় অভিবাসীদের বিষয়টি উঠে এসেছে বলে জানা গেছে। ভারতে অবৈধ অভিবাসীদের সংখ্যা নিয়ে ট্রাম্প আগে থেকেই কঠোর অবস্থান নিয়েছেন এবং তার প্রশাসন ভারতীয় নাগরিকদের বিরুদ্ধে আরও পদক্ষেপ নিতে পারে বলে শঙ্কা রয়েছে।

এ সব কিছু ঘটছে এমন সময়, যখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি বিশ্ব পরিসরে ভারতের মর্যাদা বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার দিকে নজর রেখেছেন। কিন্তু ট্রাম্পের মন্তব্য ভারতে কিছুটা অস্বস্তি তৈরি করতে পারে, বিশেষ করে উভয় দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আন্তর্জাতিক

মোদি-ট্রাম্প ফোনালাপের পরও ভারতকে নিয়ে ট্রাম্পের বিস্ফোরক মন্তব্য

আপডেট সময় ০৮:২০:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৫

 

গতকাল, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে আলোচনা করেছেন। ফোনালাপে দুই নেতা পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তবে, ফোনালাপের পরের দিনই ট্রাম্প ভারতকে নিয়ে একটি বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন যা বিশ্ব মিডিয়ায় আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। 

ট্রাম্প মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) এক ভাষণে ভারত, চীন ও ব্রাজিলকে ‘ভয়াবহ শুল্ক আরোপকারী দেশ’ বলে উল্লেখ করেন। তিনি জানান, এই দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে উচ্চ শুল্ক আরোপ করছে এবং তিনি আর এ ধরনের আচরণ সহ্য করবেন না। ট্রাম্প বলেন, ‘‘আমরা আমেরিকার স্বার্থে যা প্রয়োজন, তাই করব।’’

আরও পড়ুন  পুতিনের প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের অভিযোগ জেলেনস্কির, জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলা

মার্কিন প্রেসিডেন্ট দাবি করেন, ভারত, চীন ও ব্রাজিল নিজেদের স্বার্থে যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষতি করার চেষ্টা করছে। তিনি আরও জানান, ‘‘আমরা এমন দেশগুলোর ওপর শুল্ক আরোপ করব যারা আমাদের অর্থনীতির ক্ষতি করতে চায়।’’ ভারতীয় পণ্যগুলোর ওপর শুল্ক আরোপের বিষয়ে ট্রাম্পের মন্তব্য থেকে স্পষ্ট যে, আগামী দিনে এই বিষয়ে আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

এদিকে, মোদি-ট্রাম্পের ফোনালাপে শুল্ক নিয়ে আলোচনা হয়েছে কিনা তা স্পষ্ট হয়নি, তবে ভারতীয় অভিবাসীদের বিষয়টি উঠে এসেছে বলে জানা গেছে। ভারতে অবৈধ অভিবাসীদের সংখ্যা নিয়ে ট্রাম্প আগে থেকেই কঠোর অবস্থান নিয়েছেন এবং তার প্রশাসন ভারতীয় নাগরিকদের বিরুদ্ধে আরও পদক্ষেপ নিতে পারে বলে শঙ্কা রয়েছে।

এ সব কিছু ঘটছে এমন সময়, যখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি বিশ্ব পরিসরে ভারতের মর্যাদা বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক সম্পর্ক শক্তিশালী করার দিকে নজর রেখেছেন। কিন্তু ট্রাম্পের মন্তব্য ভারতে কিছুটা অস্বস্তি তৈরি করতে পারে, বিশেষ করে উভয় দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে।