ঢাকা ০৮:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

হরমুজ প্রণালিতে ‘চাঁদা আদায় এখনই বন্ধ করতে হবে’, ইরানকে ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:১১:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬
  • / 108

ছবি সংগৃহীত

 

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী তেলবাহী জাহাজ থেকে ইরানের ‘ফি’ বা চাঁদা আদায়ের খবরে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি ইরানকে কড়া সতর্কবার্তা দিয়ে বলেছেন, এই ধরনের কর্মকাণ্ড এখনই বন্ধ করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) এনবিসি নিউজের এক প্রতিবেদনে ট্রাম্পের এই বার্তার কথা জানানো হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, “শোনা যাচ্ছে হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়া জাহাজ থেকে ইরান ফি নিচ্ছে। তারা যেন এটি না করে এবং করে থাকলে তা এখনই বন্ধ করা উচিত।”

আরও পড়ুন  ইরানে ভয়াবহ বিস্ফোরণে আহত ৫৬১ ছাড়ালো, দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি

তিনি আরও দাবি করেন, “আমার কারণে ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র পাবে না। খুব শিগগিরই তেল সরবরাহ স্বাভাবিক করা হবে, তাতে ইরানের সহযোগিতা থাকুক বা না থাকুক।”

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিতে ইরান শিপিং কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে ক্রিপ্টোকারেন্সিতে ফি নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। মূলত সাম্প্রতিক যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে নিতেই এই কৌশল নিয়েছে তেহরান। যদিও এ বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পরপরই ট্রাম্পের এমন কঠোর মন্তব্য সামনে এলো। এর আগে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, ইরান যদি হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল।

স্বাভাবিক ও নিরাপদ রাখে, তবে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক অভিযান সাময়িকভাবে স্থগিত রাখতে পারে।
উল্লেখ্য, বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে এই জলপথকে ঘিরে তৈরি হওয়া নতুন উত্তেজনা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

হরমুজ প্রণালিতে ‘চাঁদা আদায় এখনই বন্ধ করতে হবে’, ইরানকে ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারি

আপডেট সময় ১২:১১:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ এপ্রিল ২০২৬

 

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী তেলবাহী জাহাজ থেকে ইরানের ‘ফি’ বা চাঁদা আদায়ের খবরে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি ইরানকে কড়া সতর্কবার্তা দিয়ে বলেছেন, এই ধরনের কর্মকাণ্ড এখনই বন্ধ করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) এনবিসি নিউজের এক প্রতিবেদনে ট্রাম্পের এই বার্তার কথা জানানো হয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, “শোনা যাচ্ছে হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়া জাহাজ থেকে ইরান ফি নিচ্ছে। তারা যেন এটি না করে এবং করে থাকলে তা এখনই বন্ধ করা উচিত।”

আরও পড়ুন  ইরান, চীন ও হংকংয়ের একাধিক ব্যক্তি ও সংস্থার ওপর পদক্ষেপ যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা

তিনি আরও দাবি করেন, “আমার কারণে ইরান কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র পাবে না। খুব শিগগিরই তেল সরবরাহ স্বাভাবিক করা হবে, তাতে ইরানের সহযোগিতা থাকুক বা না থাকুক।”

বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের অনুমতি দিতে ইরান শিপিং কোম্পানিগুলোর কাছ থেকে ক্রিপ্টোকারেন্সিতে ফি নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। মূলত সাম্প্রতিক যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি পুষিয়ে নিতেই এই কৌশল নিয়েছে তেহরান। যদিও এ বিষয়ে ইরানের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সাম্প্রতিক যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পরপরই ট্রাম্পের এমন কঠোর মন্তব্য সামনে এলো। এর আগে ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, ইরান যদি হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল।

স্বাভাবিক ও নিরাপদ রাখে, তবে যুক্তরাষ্ট্র সামরিক অভিযান সাময়িকভাবে স্থগিত রাখতে পারে।
উল্লেখ্য, বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ এই হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। ফলে এই জলপথকে ঘিরে তৈরি হওয়া নতুন উত্তেজনা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা তৈরি করতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।