ঢাকা ০৮:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

আ: লীগেরকে নিষিদ্ধ রেখে সন্ত্রাসবিরোধী সংশোধনী বিল পাস

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৫৮:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬
  • / 138

ছবি: সংগৃহীত

 

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ রেখে সংসদে সন্ত্রাসবিরোধী সংশোধনী বিল পাস

জাতীয় সংসদে ‘সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) বিল-২০২৬’ পাসের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনগুলোর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন  বিচারের আওতায় আনতেই হবে হাসিনা ও সহযোগীদের – জাতিসংঘ

বুধবার দুপুরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিলটি উত্থাপন করলে কণ্ঠভোটে তা সর্বসম্মতভাবে অনুমোদিত হয়। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে এই গুরুত্বপূর্ণ আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হলো।

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে গত বছরের ১১ মে এক বিশেষ অধ্যাদেশের মাধ্যমে ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইন সংশোধন করে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। সেই সময় নির্বাহী আদেশে বলা হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।
বর্তমান সরকার সেই অধ্যাদেশটিকে এখন পূর্ণাঙ্গ আইনে রূপ দিল। এর ফলে নির্বাহী আদেশ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত দলটির কোনো ধরনের রাজনৈতিক তৎপরতা চালানোর সুযোগ থাকছে না।

এই আইনের অধীনে আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনগুলো কোনো মিছিল, সভা-সমাবেশ বা সংবাদ সম্মেলন করতে পারবে না। পাশাপাশি দলীয় কার্যালয় বন্ধ রাখা, ব্যাংক হিসাব জব্দ এবং সামাজিক মাধ্যম বা গণমাধ্যমে কোনো ধরনের প্রচারপত্র বা বিবৃতি প্রকাশের ওপরও কঠোর বিধি-নিষেধ বলবৎ থাকবে।

ইতিপূর্বে এই নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের সুনির্দিষ্ট শাস্তির বিধান স্পষ্ট না থাকলেও, নতুন পাস হওয়া আইনে নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার দায়ে ৪ থেকে ১৪ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

সংসদীয় কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এদিন আরও চারটি অধ্যাদেশ বিল আকারে পাস করা হয়। চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি জানিয়েছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশের আইনি সুরাহা করতে আগামী শুক্রবারও সংসদ অধিবেশন চলবে।
সংবিধানের নিয়ম অনুযায়ী, ১২ এপ্রিলের মধ্যে এসব অধ্যাদেশ সংসদে পাস না হলে সেগুলোর কার্যকারিতা হারিয়ে যেত, যা মোকাবিলা করতেই এই দ্রুত আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আ: লীগেরকে নিষিদ্ধ রেখে সন্ত্রাসবিরোধী সংশোধনী বিল পাস

আপডেট সময় ০৩:৫৮:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

 

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ রেখে সংসদে সন্ত্রাসবিরোধী সংশোধনী বিল পাস

জাতীয় সংসদে ‘সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) বিল-২০২৬’ পাসের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনগুলোর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন  স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঘোষণা: বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ইসরায়েলে প্রবেশ নিষিদ্ধ

বুধবার দুপুরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিলটি উত্থাপন করলে কণ্ঠভোটে তা সর্বসম্মতভাবে অনুমোদিত হয়। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে এই গুরুত্বপূর্ণ আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হলো।

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে গত বছরের ১১ মে এক বিশেষ অধ্যাদেশের মাধ্যমে ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইন সংশোধন করে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। সেই সময় নির্বাহী আদেশে বলা হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।
বর্তমান সরকার সেই অধ্যাদেশটিকে এখন পূর্ণাঙ্গ আইনে রূপ দিল। এর ফলে নির্বাহী আদেশ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত দলটির কোনো ধরনের রাজনৈতিক তৎপরতা চালানোর সুযোগ থাকছে না।

এই আইনের অধীনে আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনগুলো কোনো মিছিল, সভা-সমাবেশ বা সংবাদ সম্মেলন করতে পারবে না। পাশাপাশি দলীয় কার্যালয় বন্ধ রাখা, ব্যাংক হিসাব জব্দ এবং সামাজিক মাধ্যম বা গণমাধ্যমে কোনো ধরনের প্রচারপত্র বা বিবৃতি প্রকাশের ওপরও কঠোর বিধি-নিষেধ বলবৎ থাকবে।

ইতিপূর্বে এই নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের সুনির্দিষ্ট শাস্তির বিধান স্পষ্ট না থাকলেও, নতুন পাস হওয়া আইনে নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার দায়ে ৪ থেকে ১৪ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

সংসদীয় কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এদিন আরও চারটি অধ্যাদেশ বিল আকারে পাস করা হয়। চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি জানিয়েছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশের আইনি সুরাহা করতে আগামী শুক্রবারও সংসদ অধিবেশন চলবে।
সংবিধানের নিয়ম অনুযায়ী, ১২ এপ্রিলের মধ্যে এসব অধ্যাদেশ সংসদে পাস না হলে সেগুলোর কার্যকারিতা হারিয়ে যেত, যা মোকাবিলা করতেই এই দ্রুত আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে।