ঢাকা ০২:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
অস্ট্রেলিয়া সিরিজে বাংলাদেশ দলে চমক দেশে এখনও অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র চলছে: মির্জা ফখরুল মাজারের দিঘির কুমিরকে সরিয়ে নেওয়া হলো খুলনায় নেত্রকোনায় পাওনা দুই হাজার টাকার দ্বন্দ্বে ভাঙারি ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা সান মারিনো—বিশ্বের প্রাচীনতম প্রজাতন্ত্রের এক অনন্য গল্প মুক্তিযুদ্ধকে অসম্মান করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: ইশরাক হোসেন বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি; কার্যকর জুন থেকেই বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের পণ্যে নতুন মার্কিন শুল্ক প্রত্যেকটি নাগরিককে মাথায় রেখে বাজেট দেওয়া হচ্ছে: অর্থমন্ত্রী শিশু রামিসা হত্যা মামলা: আদালতে অপরাধ স্বীকার সোহেল রানার, যুক্তিতর্ক বৃহস্পতিবার

আ: লীগেরকে নিষিদ্ধ রেখে সন্ত্রাসবিরোধী সংশোধনী বিল পাস

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৫৮:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬
  • / 92

ছবি: সংগৃহীত

 

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ রেখে সংসদে সন্ত্রাসবিরোধী সংশোধনী বিল পাস

জাতীয় সংসদে ‘সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) বিল-২০২৬’ পাসের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনগুলোর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন  নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে সহযোগিতা করাও অপরাধের শামিল : অ্যাটর্নি জেনারেল

বুধবার দুপুরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিলটি উত্থাপন করলে কণ্ঠভোটে তা সর্বসম্মতভাবে অনুমোদিত হয়। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে এই গুরুত্বপূর্ণ আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হলো।

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে গত বছরের ১১ মে এক বিশেষ অধ্যাদেশের মাধ্যমে ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইন সংশোধন করে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। সেই সময় নির্বাহী আদেশে বলা হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।
বর্তমান সরকার সেই অধ্যাদেশটিকে এখন পূর্ণাঙ্গ আইনে রূপ দিল। এর ফলে নির্বাহী আদেশ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত দলটির কোনো ধরনের রাজনৈতিক তৎপরতা চালানোর সুযোগ থাকছে না।

এই আইনের অধীনে আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনগুলো কোনো মিছিল, সভা-সমাবেশ বা সংবাদ সম্মেলন করতে পারবে না। পাশাপাশি দলীয় কার্যালয় বন্ধ রাখা, ব্যাংক হিসাব জব্দ এবং সামাজিক মাধ্যম বা গণমাধ্যমে কোনো ধরনের প্রচারপত্র বা বিবৃতি প্রকাশের ওপরও কঠোর বিধি-নিষেধ বলবৎ থাকবে।

ইতিপূর্বে এই নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের সুনির্দিষ্ট শাস্তির বিধান স্পষ্ট না থাকলেও, নতুন পাস হওয়া আইনে নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার দায়ে ৪ থেকে ১৪ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

সংসদীয় কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এদিন আরও চারটি অধ্যাদেশ বিল আকারে পাস করা হয়। চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি জানিয়েছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশের আইনি সুরাহা করতে আগামী শুক্রবারও সংসদ অধিবেশন চলবে।
সংবিধানের নিয়ম অনুযায়ী, ১২ এপ্রিলের মধ্যে এসব অধ্যাদেশ সংসদে পাস না হলে সেগুলোর কার্যকারিতা হারিয়ে যেত, যা মোকাবিলা করতেই এই দ্রুত আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আ: লীগেরকে নিষিদ্ধ রেখে সন্ত্রাসবিরোধী সংশোধনী বিল পাস

আপডেট সময় ০৩:৫৮:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ এপ্রিল ২০২৬

 

আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ রেখে সংসদে সন্ত্রাসবিরোধী সংশোধনী বিল পাস

জাতীয় সংসদে ‘সন্ত্রাসবিরোধী (সংশোধন) বিল-২০২৬’ পাসের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনগুলোর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের ওপর নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন  নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে সহযোগিতা করাও অপরাধের শামিল : অ্যাটর্নি জেনারেল

বুধবার দুপুরে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিলটি উত্থাপন করলে কণ্ঠভোটে তা সর্বসম্মতভাবে অনুমোদিত হয়। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে এই গুরুত্বপূর্ণ আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হলো।

অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে গত বছরের ১১ মে এক বিশেষ অধ্যাদেশের মাধ্যমে ২০০৯ সালের সন্ত্রাসবিরোধী আইন সংশোধন করে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। সেই সময় নির্বাহী আদেশে বলা হয়, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার প্রক্রিয়া শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে।
বর্তমান সরকার সেই অধ্যাদেশটিকে এখন পূর্ণাঙ্গ আইনে রূপ দিল। এর ফলে নির্বাহী আদেশ প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত দলটির কোনো ধরনের রাজনৈতিক তৎপরতা চালানোর সুযোগ থাকছে না।

এই আইনের অধীনে আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠনগুলো কোনো মিছিল, সভা-সমাবেশ বা সংবাদ সম্মেলন করতে পারবে না। পাশাপাশি দলীয় কার্যালয় বন্ধ রাখা, ব্যাংক হিসাব জব্দ এবং সামাজিক মাধ্যম বা গণমাধ্যমে কোনো ধরনের প্রচারপত্র বা বিবৃতি প্রকাশের ওপরও কঠোর বিধি-নিষেধ বলবৎ থাকবে।

ইতিপূর্বে এই নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের সুনির্দিষ্ট শাস্তির বিধান স্পষ্ট না থাকলেও, নতুন পাস হওয়া আইনে নিষিদ্ধ সংগঠনের কার্যক্রম পরিচালনার দায়ে ৪ থেকে ১৪ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

সংসদীয় কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এদিন আরও চারটি অধ্যাদেশ বিল আকারে পাস করা হয়। চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি জানিয়েছেন, অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশের আইনি সুরাহা করতে আগামী শুক্রবারও সংসদ অধিবেশন চলবে।
সংবিধানের নিয়ম অনুযায়ী, ১২ এপ্রিলের মধ্যে এসব অধ্যাদেশ সংসদে পাস না হলে সেগুলোর কার্যকারিতা হারিয়ে যেত, যা মোকাবিলা করতেই এই দ্রুত আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে।