ঢাকা ০৪:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে

‘মসজিদ’ ভেবে ইহুদি উপাসনালয়ই ধ্বংস করল ইসরাইল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:০৫:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬
  • / 149

ছবি: সংগৃহীত

 

ইরানের ওপর চলমান যৌথ আগ্রাসনের ৩৯তম দিনে এক নজিরবিহীন ঘটনার জন্ম দিয়েছে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী। তেহরানে অবস্থিত ইহুদিদের ঐতিহাসিক উপাসনালয় বা সিনাগগ ‘রাফি-নিয়া’ মঙ্গলবার ভোরে তাদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে।
ইরানের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম মেহর এবং শার্ঘ পত্রিকার বরাতে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেহরানের এই সিনাগগটি ছিল খোরাসান অঞ্চলের ইহুদি সম্প্রদায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মিলনস্থল ও উৎসবের কেন্দ্র। স্থানীয়দের ধারণা, হামলাকারীরা সম্ভবত ভবনটিকে কোনো ‘মসজিদ’ মনে করে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছিল, যার ফলে নিজেদের ধর্মের মানুষের উপাসনালয়ই তারা মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিয়েছে।
১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর অনেক ইহুদি দেশ ছাড়লেও ইরানে এখনও কয়েক হাজার ইহুদি বসবাস করছেন এবং দেশটির সংবিধানে তাদের ধর্মীয় স্বীকৃতি ও সংসদে প্রতিনিধিত্ব রয়েছে।

আরও পড়ুন  রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত আগামীর বাংলাদেশে মসজিদ কমিটি হবে: ধর্ম উপদেষ্টা

দীর্ঘ এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা এই যুদ্ধে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও ঐতিহাসিক স্থাপনার পাশাপাশি এখন ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোও রেহাই পাচ্ছে না। ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের এই বিধ্বংসী হামলায় নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের প্রাণহানির ঘটনা অব্যাহত রয়েছে।
সিবিএস নিউজের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ইহুদি সম্প্রদায়ের জন্য এই সিনাগগটি ধ্বংস হওয়া একটি বড় ধরনের সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় ক্ষতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে, যেখানে খোদ ইসরাইলি হামলায় ইহুদি স্থাপনা ধ্বংসের বিষয়টি সামনে এলো।

নিউজটি শেয়ার করুন

‘মসজিদ’ ভেবে ইহুদি উপাসনালয়ই ধ্বংস করল ইসরাইল

আপডেট সময় ০৪:০৫:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল ২০২৬

 

ইরানের ওপর চলমান যৌথ আগ্রাসনের ৩৯তম দিনে এক নজিরবিহীন ঘটনার জন্ম দিয়েছে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনী। তেহরানে অবস্থিত ইহুদিদের ঐতিহাসিক উপাসনালয় বা সিনাগগ ‘রাফি-নিয়া’ মঙ্গলবার ভোরে তাদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে।
ইরানের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম মেহর এবং শার্ঘ পত্রিকার বরাতে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেহরানের এই সিনাগগটি ছিল খোরাসান অঞ্চলের ইহুদি সম্প্রদায়ের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মিলনস্থল ও উৎসবের কেন্দ্র। স্থানীয়দের ধারণা, হামলাকারীরা সম্ভবত ভবনটিকে কোনো ‘মসজিদ’ মনে করে লক্ষ্যবস্তু বানিয়েছিল, যার ফলে নিজেদের ধর্মের মানুষের উপাসনালয়ই তারা মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিয়েছে।
১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবের পর অনেক ইহুদি দেশ ছাড়লেও ইরানে এখনও কয়েক হাজার ইহুদি বসবাস করছেন এবং দেশটির সংবিধানে তাদের ধর্মীয় স্বীকৃতি ও সংসদে প্রতিনিধিত্ব রয়েছে।

আরও পড়ুন  কলোরাডোতে ইসরাইলপন্থি সমাবেশে পেট্রোল বোমা হামলা, আহত ৬

দীর্ঘ এক মাসেরও বেশি সময় ধরে চলা এই যুদ্ধে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও ঐতিহাসিক স্থাপনার পাশাপাশি এখন ধর্মীয় উপাসনালয়গুলোও রেহাই পাচ্ছে না। ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের এই বিধ্বংসী হামলায় নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের প্রাণহানির ঘটনা অব্যাহত রয়েছে।
সিবিএস নিউজের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের ইহুদি সম্প্রদায়ের জন্য এই সিনাগগটি ধ্বংস হওয়া একটি বড় ধরনের সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় ক্ষতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই ঘটনাটি আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে, যেখানে খোদ ইসরাইলি হামলায় ইহুদি স্থাপনা ধ্বংসের বিষয়টি সামনে এলো।