ঢাকা ০৬:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী

প্রাথমিক ফলেই এগিয়ে অনুতিন, থাইল্যান্ডের নির্বাচনে জয়ের ঘোষণা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:৫৩:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 2340

ছবি: সংগৃহীত

 

থাইল্যান্ডের সাধারণ নির্বাচনে প্রাথমিক ভোট গণনায় এগিয়ে থাকায় বিজয়ের দাবি করেছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চারনাভিরাকুল। নির্বাচন কমিশনের হিসাব অনুযায়ী এখন পর্যন্ত মোট ভোটের ৫৬ শতাংশ গণনা সম্পন্ন হয়েছে।

প্রাথমিক ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, ৫০০ আসনের পার্লামেন্টে অনুতিনের নেতৃত্বাধীন ভুমজাইথাই পার্টি উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে। দলটি প্রায় ১৯৭টি আসনে জয় পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর ফলে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অনুতিনের অবস্থান আরও দৃঢ় হয়েছে।

আরও পড়ুন  পিআর পদ্ধতি নির্বাচন দেশকে স্বৈরশাসনের দিকে ঠেলে দেবে: রিজভী আহমেদ

নির্বাচনপূর্ব জরিপগুলোতে সংস্কারপন্থি পিপলস পার্টিকে এগিয়ে রাখা হলেও ভোটের ফলাফলে সেই পূর্বাভাস বাস্তবে মিলছে না। বরং দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে পিপলস পার্টি, যারা আনুমানিক ১১০টি আসন পেতে পারে।

প্রাথমিক ফল প্রকাশের পর এক প্রতিক্রিয়ায় অনুতিন চারনাভিরাকুল বলেন, এই সাফল্য পুরো থাই জনগণের। ভোটে সমর্থন দিয়েছেন কিংবা দেননি—সবার জন্যই তিনি কাজ করবেন বলে জানান।

অন্যদিকে পিপলস পার্টির নেতা নাথাফং রুয়েংপানিয়াউত পরাজয় মেনে নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ভুমজাইথাই পার্টি সরকার গঠন করলে বিরোধী দলে থেকেই দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে তার দল।

গত দুই বছরে একাধিক জোট সরকারের পতন এবং তিনজন প্রধানমন্ত্রীর পরিবর্তনের পর থাইল্যান্ডে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো। এবারের নির্বাচনে ৫০টিরও বেশি রাজনৈতিক দল অংশ নিলেও মূলত ভুমজাইথাই পার্টি, পিপলস পার্টি এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার ফেউ থাই পার্টির মধ্যে ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা গেছে।

তবে কোনো দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় জোট সরকার গঠনের আলোচনা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবুও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অনুতিন চারনাভিরাকুলের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বহাল থাকা এখন প্রায় নিশ্চিত।

এই নির্বাচনের পাশাপাশি থাইল্যান্ডের ভোটাররা নতুন সংবিধান প্রণয়ন সংক্রান্ত গণভোটেও অংশ নিয়েছেন। হলুদ রঙের আলাদা ব্যালট পেপারে ভোটাররা ‘হ্যাঁ’, ‘না’ অথবা ‘মতামত নেই’—এই তিনটি বিকল্পের একটিতে ভোট দিয়েছেন।

২০১৭ সালের সংবিধান সংস্কার করা হবে কি না, সেই প্রশ্নেই এই গণভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ২০১৪ সালের সেনা অভ্যুত্থানের পর জান্তা সরকারের সময় প্রণীত এই সংবিধানে অনির্বাচিত সিনেটসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হাতে অতিরিক্ত ক্ষমতা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এক থাই ভোটার বলেন, তিনি পরিবর্তন চান এবং দেশের রাজনীতিতে একই ধারা চলতে থাকুক, তা আর চান না।

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রাথমিক ফলেই এগিয়ে অনুতিন, থাইল্যান্ডের নির্বাচনে জয়ের ঘোষণা

আপডেট সময় ০৯:৫৩:২২ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

থাইল্যান্ডের সাধারণ নির্বাচনে প্রাথমিক ভোট গণনায় এগিয়ে থাকায় বিজয়ের দাবি করেছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চারনাভিরাকুল। নির্বাচন কমিশনের হিসাব অনুযায়ী এখন পর্যন্ত মোট ভোটের ৫৬ শতাংশ গণনা সম্পন্ন হয়েছে।

প্রাথমিক ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, ৫০০ আসনের পার্লামেন্টে অনুতিনের নেতৃত্বাধীন ভুমজাইথাই পার্টি উল্লেখযোগ্য ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছে। দলটি প্রায় ১৯৭টি আসনে জয় পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এর ফলে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে অনুতিনের অবস্থান আরও দৃঢ় হয়েছে।

আরও পড়ুন  তারেক রহমান: ‘‘নির্বাচন যত দেরি হবে, ষড়যন্ত্র ততই বাড়বে’’

নির্বাচনপূর্ব জরিপগুলোতে সংস্কারপন্থি পিপলস পার্টিকে এগিয়ে রাখা হলেও ভোটের ফলাফলে সেই পূর্বাভাস বাস্তবে মিলছে না। বরং দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে পিপলস পার্টি, যারা আনুমানিক ১১০টি আসন পেতে পারে।

প্রাথমিক ফল প্রকাশের পর এক প্রতিক্রিয়ায় অনুতিন চারনাভিরাকুল বলেন, এই সাফল্য পুরো থাই জনগণের। ভোটে সমর্থন দিয়েছেন কিংবা দেননি—সবার জন্যই তিনি কাজ করবেন বলে জানান।

অন্যদিকে পিপলস পার্টির নেতা নাথাফং রুয়েংপানিয়াউত পরাজয় মেনে নেওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ভুমজাইথাই পার্টি সরকার গঠন করলে বিরোধী দলে থেকেই দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে তার দল।

গত দুই বছরে একাধিক জোট সরকারের পতন এবং তিনজন প্রধানমন্ত্রীর পরিবর্তনের পর থাইল্যান্ডে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো। এবারের নির্বাচনে ৫০টিরও বেশি রাজনৈতিক দল অংশ নিলেও মূলত ভুমজাইথাই পার্টি, পিপলস পার্টি এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রার ফেউ থাই পার্টির মধ্যে ত্রিমুখী প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা গেছে।

তবে কোনো দল একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা না পাওয়ায় জোট সরকার গঠনের আলোচনা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবুও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, অনুতিন চারনাভিরাকুলের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বহাল থাকা এখন প্রায় নিশ্চিত।

এই নির্বাচনের পাশাপাশি থাইল্যান্ডের ভোটাররা নতুন সংবিধান প্রণয়ন সংক্রান্ত গণভোটেও অংশ নিয়েছেন। হলুদ রঙের আলাদা ব্যালট পেপারে ভোটাররা ‘হ্যাঁ’, ‘না’ অথবা ‘মতামত নেই’—এই তিনটি বিকল্পের একটিতে ভোট দিয়েছেন।

২০১৭ সালের সংবিধান সংস্কার করা হবে কি না, সেই প্রশ্নেই এই গণভোট অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ২০১৪ সালের সেনা অভ্যুত্থানের পর জান্তা সরকারের সময় প্রণীত এই সংবিধানে অনির্বাচিত সিনেটসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের হাতে অতিরিক্ত ক্ষমতা দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।

বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এক থাই ভোটার বলেন, তিনি পরিবর্তন চান এবং দেশের রাজনীতিতে একই ধারা চলতে থাকুক, তা আর চান না।