ঢাকা ০৭:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
জুলাই সনদ বিতর্কের ইতি টানার উচিত: মির্জা ফখরুলের ‎শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে ৫৮ নিহতের পরিচয় শনাক্ত: চিফ প্রসিকিউটর জিম্বাবুয়েকে ১৪৩ রানে থামাল বাংলাদেশ, লক্ষ্য ১৪৪ রাজনৈতিক পক্ষপাত ছাড়াই দায়িত্ব পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‎গণমাধ্যমের তোষামোদী সংস্কৃতি এখনো রয়ে গেছে— মির্জা ফখরুল ‎সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে টস হেরে বোলিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে দুই পরিবর্তন জুলাই বিপ্লবে বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলন সফল হয়েছে: রিজভী জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার পর নতুন দাবি তেহরানের সীতাকুণ্ডে যাত্রীবাহী বাস উল্টে নিহত ১, আহত ৬ ‘১৭ বছর মানুষকে কথা বলতে দেওয়া হয়নি’: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

১০৫১ জন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ: নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে সরকারের বড় পদক্ষেপ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:০৭:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 1818

ছবি: সংগৃহীত

আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং একই সঙ্গে জাতীয় গণভোটের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় সারা দেশে রেকর্ড সংখ্যক ১০৫১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি বিশেষ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

কেন এই নিয়োগ? (আসল কারণ)
এই বিশাল সংখ্যক ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের পেছনে মূলত ৪টি মূল উদ্দেশ্য কাজ করছে:
নির্বাচনী আচরণবিধি রক্ষা: ভোটগ্রহণের আগে ও পরে প্রার্থীরা যাতে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন না করেন, তা নিশ্চিত করা।
আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ: স্ব স্ব নির্বাচনী এলাকার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং কোনো প্রকার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ করা।
মোবাইল কোর্ট পরিচালনা: অপরাধীদের তাৎক্ষণিক বিচার ও শাস্তি নিশ্চিত করতে মোবাইল কোর্ট বা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা।
স্ট্রাইকিং ফোর্সের নির্দেশনা: বিজিবি, কোস্টগার্ড এবং সশস্ত্র বাহিনীর (সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী) যেসব টিম স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে, তাদের আইনি দিক-নির্দেশনা দেওয়া।

দায়িত্ব পালনের সময়সীমা
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নিয়োগপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেটরা আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাঠে থাকবেন। অর্থাৎ ভোটগ্রহণের আগের চার দিন থেকে শুরু করে ভোটের পরবর্তী দুই দিন পর্যন্ত তারা বিশেষ ক্ষমতায় নিয়োজিত থাকবেন।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশকে আর বিভক্ত করতে দেওয়া হবে না: জামায়াত আমির

গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা
১. যোগদান: ম্যাজিস্ট্রেটদের আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) কাছে যোগদান করতে হবে। যোগদানের আগে তাদের প্রয়োজনীয় ব্রিফিং ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। ২. ক্ষমতা: মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯-এর ৫ ধারা অনুযায়ী তারা নির্ধারিত এলাকায় বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন। ৩. তদারকি: জেলা ম্যাজিস্ট্রেটরা তাদের অধিক্ষেত্রে এই ম্যাজিস্ট্রেটদের দায়িত্ব বণ্টন করে দেবেন। প্রতিদিনের মোবাইল কোর্ট পরিচালনার তথ্য রিটার্নিং অফিসার ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করা বাধ্যতামূলক।
উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচনে ৩০০টি সংসদীয় আসনের পাশাপাশি দেশের সংবিধান ও প্রতিষ্ঠান সংস্কারের ওপর একটি জাতীয় গণভোটও (রেফারেন্ডাম) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যা এই নির্বাচনের গুরুত্ব বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

১০৫১ জন ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ: নিরপেক্ষ নির্বাচন করতে সরকারের বড় পদক্ষেপ

আপডেট সময় ০৭:০৭:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং একই সঙ্গে জাতীয় গণভোটের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষায় সারা দেশে রেকর্ড সংখ্যক ১০৫১ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এ সংক্রান্ত একটি বিশেষ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

কেন এই নিয়োগ? (আসল কারণ)
এই বিশাল সংখ্যক ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগের পেছনে মূলত ৪টি মূল উদ্দেশ্য কাজ করছে:
নির্বাচনী আচরণবিধি রক্ষা: ভোটগ্রহণের আগে ও পরে প্রার্থীরা যাতে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন না করেন, তা নিশ্চিত করা।
আইন-শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ: স্ব স্ব নির্বাচনী এলাকার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং কোনো প্রকার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ করা।
মোবাইল কোর্ট পরিচালনা: অপরাধীদের তাৎক্ষণিক বিচার ও শাস্তি নিশ্চিত করতে মোবাইল কোর্ট বা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা।
স্ট্রাইকিং ফোর্সের নির্দেশনা: বিজিবি, কোস্টগার্ড এবং সশস্ত্র বাহিনীর (সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনী) যেসব টিম স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবে, তাদের আইনি দিক-নির্দেশনা দেওয়া।

দায়িত্ব পালনের সময়সীমা
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নিয়োগপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেটরা আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মাঠে থাকবেন। অর্থাৎ ভোটগ্রহণের আগের চার দিন থেকে শুরু করে ভোটের পরবর্তী দুই দিন পর্যন্ত তারা বিশেষ ক্ষমতায় নিয়োজিত থাকবেন।

আরও পড়ুন  পোস্টাল ব্যালটে ভোট দিচ্ছেন প্রবাসীরা, সংখ্যা ছাড়াল ৪ লাখ

গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা
১. যোগদান: ম্যাজিস্ট্রেটদের আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) কাছে যোগদান করতে হবে। যোগদানের আগে তাদের প্রয়োজনীয় ব্রিফিং ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। ২. ক্ষমতা: মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯-এর ৫ ধারা অনুযায়ী তারা নির্ধারিত এলাকায় বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন। ৩. তদারকি: জেলা ম্যাজিস্ট্রেটরা তাদের অধিক্ষেত্রে এই ম্যাজিস্ট্রেটদের দায়িত্ব বণ্টন করে দেবেন। প্রতিদিনের মোবাইল কোর্ট পরিচালনার তথ্য রিটার্নিং অফিসার ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে অবহিত করা বাধ্যতামূলক।
উল্লেখ্য, এবারের নির্বাচনে ৩০০টি সংসদীয় আসনের পাশাপাশি দেশের সংবিধান ও প্রতিষ্ঠান সংস্কারের ওপর একটি জাতীয় গণভোটও (রেফারেন্ডাম) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যা এই নির্বাচনের গুরুত্ব বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।