ঢাকা ০৬:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা

জুলাই অভ্যুত্থান: দায়মুক্তি দিয়ে অধ্যাদেশ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:৫১:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 1560

ছবি: সংগৃহীত

 

জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের আইনি সুরক্ষা দিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি অধ্যাদেশ জারি করেছে। এতে আন্দোলনের কারণে দায়ের হওয়া সব দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা প্রত্যাহার এবং নতুন মামলা দায়ের নিষিদ্ধ করার বিধান রাখা হয়েছে।

সোমবার জারি করা ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ’-এ বলা হয়েছে, আন্দোলনের সময় হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ থাকলে তা তদন্ত করবে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। তবে তদন্তে যদি ঘটনাকে ‘রাজনৈতিক প্রতিরোধের’ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তাহলে বিচার নয়, ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা থাকবে।

আরও পড়ুন  জুলাই অভ্যুত্থান স্মরণে আজ মাসব্যাপী কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধান উপদেষ্টা

অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, সংকীর্ণ ও ব্যক্তিগত স্বার্থে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড হলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে এবং আদালতে প্রতিবেদন পাঠানো যাবে। আর গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে সংঘটিত প্রতিরোধমূলক কর্মকাণ্ডকে রাজনৈতিক প্রতিরোধ হিসেবে ধরা হবে।
এই অধ্যাদেশ ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর বলে গণ্য হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

জুলাই অভ্যুত্থান: দায়মুক্তি দিয়ে অধ্যাদেশ

আপডেট সময় ০৮:৫১:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৬

 

জুলাই আন্দোলনে অংশগ্রহণকারীদের আইনি সুরক্ষা দিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার একটি অধ্যাদেশ জারি করেছে। এতে আন্দোলনের কারণে দায়ের হওয়া সব দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা প্রত্যাহার এবং নতুন মামলা দায়ের নিষিদ্ধ করার বিধান রাখা হয়েছে।

সোমবার জারি করা ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) অধ্যাদেশ’-এ বলা হয়েছে, আন্দোলনের সময় হত্যাকাণ্ডের অভিযোগ থাকলে তা তদন্ত করবে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন। তবে তদন্তে যদি ঘটনাকে ‘রাজনৈতিক প্রতিরোধের’ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তাহলে বিচার নয়, ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা থাকবে।

আরও পড়ুন  অধ্যাদেশ জারি করে মধ্যরাতে বিলুপ্ত এনবিআর, গঠিত দুই নতুন বিভাগ

অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, সংকীর্ণ ও ব্যক্তিগত স্বার্থে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড হলে তা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে এবং আদালতে প্রতিবেদন পাঠানো যাবে। আর গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের লক্ষ্যে সংঘটিত প্রতিরোধমূলক কর্মকাণ্ডকে রাজনৈতিক প্রতিরোধ হিসেবে ধরা হবে।
এই অধ্যাদেশ ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর বলে গণ্য হবে।