ঢাকা ০৭:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
জুলাই সনদ বিতর্কের ইতি টানার উচিত: মির্জা ফখরুলের ‎শাপলা চত্বর হত্যাকাণ্ডে ৫৮ নিহতের পরিচয় শনাক্ত: চিফ প্রসিকিউটর জিম্বাবুয়েকে ১৪৩ রানে থামাল বাংলাদেশ, লক্ষ্য ১৪৪ রাজনৈতিক পক্ষপাত ছাড়াই দায়িত্ব পালনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ‎গণমাধ্যমের তোষামোদী সংস্কৃতি এখনো রয়ে গেছে— মির্জা ফখরুল ‎সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে টস হেরে বোলিংয়ে বাংলাদেশ, একাদশে দুই পরিবর্তন জুলাই বিপ্লবে বিএনপির ১৭ বছরের আন্দোলন সফল হয়েছে: রিজভী জর্ডানের মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার পর নতুন দাবি তেহরানের সীতাকুণ্ডে যাত্রীবাহী বাস উল্টে নিহত ১, আহত ৬ ‘১৭ বছর মানুষকে কথা বলতে দেওয়া হয়নি’: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর

ঘুমের ঘোরে কথা বলা; মনের কথা নাকি মস্তিষ্কের বিশেষ আচরণ?

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৪০:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 1374

ছবি: সংগৃহীত

মানুষের অবচেতন মনের এক বিচিত্র রহস্য হলো ঘুমের ঘোরে কথা বলা বা ‘স্লিপ টকিং’। কখনো অস্পষ্ট বিড়বিড়ানি, আবার কখনো পূর্ণ গলার চিৎকার—এই বিচিত্র পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় মূলত মস্তিষ্কের কিছু অংশ হুট করে জেগে উঠলে। মার্কিন গীতিকার ডিওন ম্যাকগ্রেগর ছিলেন এই অভ্যাসের এক অনন্য উদাহরণ, যার অদ্ভুত সব ঘুমের সংলাপ নিয়ে ১৯৬৪ সালে একটি পূর্ণাঙ্গ অ্যালবাম পর্যন্ত প্রকাশিত হয়েছিল। বিজ্ঞানীদের মতে, বিশ্বের প্রায় ৬৫ শতাংশ মানুষ জীবনে অন্তত একবার হলেও ঘুমের মধ্যে কথা বলেন। ইতালির সাপিয়েনজা ইউনিভার্সিটি অফ রোম-এর ঘুম গবেষক লুইজি ডি জেনারো জানান, জনসংখ্যার ৩ থেকে ৩০ শতাংশ মানুষ নিয়মিত এই অভ্যাসের শিকার।

হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির মনোবিজ্ঞানী ডেইড্রে ব্যারেটের মতে, সাধারণত স্বপ্নহীন বা ‘নন আরইএম’ ঘুমের মধ্যেই মানুষ বেশি কথা বলে। ইইজি যন্ত্রের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, ঘুমের সময় মানুষের পুরো মস্তিষ্ক না জাগলেও ভাষার সঙ্গে জড়িত ছোট ছোট কিছু অংশ সক্রিয় হয়ে ওঠে। মূলত শরীরকে স্থির রাখার স্নায়বিক সংকেতে সাময়িক কোনো গোলযোগ হলেই মানুষ অবচেতনভাবে কথা বলে ওঠে। যদিও অনেকের ধারণা এটি মনের গোপন কথা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ঘুমের ঘোরে কথা বলা; মনের কথা নাকি মস্তিষ্কের বিশেষ আচরণ?

আপডেট সময় ০৬:৪০:০০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

মানুষের অবচেতন মনের এক বিচিত্র রহস্য হলো ঘুমের ঘোরে কথা বলা বা ‘স্লিপ টকিং’। কখনো অস্পষ্ট বিড়বিড়ানি, আবার কখনো পূর্ণ গলার চিৎকার—এই বিচিত্র পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় মূলত মস্তিষ্কের কিছু অংশ হুট করে জেগে উঠলে। মার্কিন গীতিকার ডিওন ম্যাকগ্রেগর ছিলেন এই অভ্যাসের এক অনন্য উদাহরণ, যার অদ্ভুত সব ঘুমের সংলাপ নিয়ে ১৯৬৪ সালে একটি পূর্ণাঙ্গ অ্যালবাম পর্যন্ত প্রকাশিত হয়েছিল। বিজ্ঞানীদের মতে, বিশ্বের প্রায় ৬৫ শতাংশ মানুষ জীবনে অন্তত একবার হলেও ঘুমের মধ্যে কথা বলেন। ইতালির সাপিয়েনজা ইউনিভার্সিটি অফ রোম-এর ঘুম গবেষক লুইজি ডি জেনারো জানান, জনসংখ্যার ৩ থেকে ৩০ শতাংশ মানুষ নিয়মিত এই অভ্যাসের শিকার।

হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটির মনোবিজ্ঞানী ডেইড্রে ব্যারেটের মতে, সাধারণত স্বপ্নহীন বা ‘নন আরইএম’ ঘুমের মধ্যেই মানুষ বেশি কথা বলে। ইইজি যন্ত্রের পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, ঘুমের সময় মানুষের পুরো মস্তিষ্ক না জাগলেও ভাষার সঙ্গে জড়িত ছোট ছোট কিছু অংশ সক্রিয় হয়ে ওঠে। মূলত শরীরকে স্থির রাখার স্নায়বিক সংকেতে সাময়িক কোনো গোলযোগ হলেই মানুষ অবচেতনভাবে কথা বলে ওঠে। যদিও অনেকের ধারণা এটি মনের গোপন কথা।