ঢাকা ০১:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা

‘যথেষ্ট সংস্কার হলেও পুলিশ সংস্কার প্রত্যাশা অনুযায়ী হয়নি’: আসিফ নজরুল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:২৯:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 554

ছবি : সংগৃহীত

 

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেছেন, দেশে যথেষ্ট সংস্কার কাজ সম্পন্ন হয়েছে, তবে পুলিশ বাহিনীর সংস্কার যেভাবে হওয়ার কথা ছিল সেভাবে হয়নি।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং আইনের শাসন’ শীর্ষক নীতি সংলাপে তিনি এ কথা বলেন। উপদেষ্টা উল্লেখ করেন যে, কিছু মানুষের কাছে সংস্কার নিয়ে নেতিবাচক কথা বলাটা এক ধরনের উদ্দীপকের মতো কাজ করে, যার মাধ্যমে বাড়তি ভিউ পাওয়ার চেষ্টা করা হয়। সংস্কারের অগ্রগতির মূল্যায়ন করতে গিয়ে তিনি বলেন, প্রত্যাশা যদি ১০ ধরা হয়, তবে ইতিমধ্যে অন্তত চার অর্জন করা সম্ভব হয়েছে। তাই ‘কোনো সংস্কারই হয়নি’—এমন দাবি সঠিক নয়।

বিচার বিভাগের সংস্কার প্রসঙ্গে আসিফ নজরুল বলেন, সংস্কার প্রক্রিয়ায় সবার সঙ্গে বিস্তৃত পরামর্শ করা হয়েছে, যা ১৯৭২ সালের সংবিধান প্রণয়নের সময়কার স্বচ্ছতার কথা মনে করিয়ে দেয়। তিনি বিচারক নিয়োগের মানদণ্ড নিয়ে কঠোর বার্তা দিয়ে বলেন, শুধু ১০ বছর ‘জয় বাংলা’ বা ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’ বললেই এখন আর বিচারক হওয়া যাবে না। উচ্চ আদালতেও কিছু সুনির্দিষ্ট সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে এবং সেই সংস্কারগুলো খোদ উচ্চ আদালত থেকেই আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

আরও পড়ুন  জাপান সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধান উপদেষ্টা

বিগত সরকারের বিচারিক ব্যবস্থার সমালোচনা করে আইন উপদেষ্টা জানান, বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্য প্রয়োজনীয় সব আইন ইতিমধ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে। তবে দেশে পূর্ণাঙ্গ আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় আরও পাঁচ থেকে দশ বছর সময় লাগতে পারে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বর্তমান সরকার সংস্কারের একটি মজবুত ভিত্তি তৈরি করে দিচ্ছে। পরবর্তী নির্বাচিত সরকার যদি এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখে, তবে দেশের সাধারণ জনগণ দীর্ঘমেয়াদে এর সুফল ভোগ করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

‘যথেষ্ট সংস্কার হলেও পুলিশ সংস্কার প্রত্যাশা অনুযায়ী হয়নি’: আসিফ নজরুল

আপডেট সময় ০৭:২৯:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

 

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেছেন, দেশে যথেষ্ট সংস্কার কাজ সম্পন্ন হয়েছে, তবে পুলিশ বাহিনীর সংস্কার যেভাবে হওয়ার কথা ছিল সেভাবে হয়নি।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং আইনের শাসন’ শীর্ষক নীতি সংলাপে তিনি এ কথা বলেন। উপদেষ্টা উল্লেখ করেন যে, কিছু মানুষের কাছে সংস্কার নিয়ে নেতিবাচক কথা বলাটা এক ধরনের উদ্দীপকের মতো কাজ করে, যার মাধ্যমে বাড়তি ভিউ পাওয়ার চেষ্টা করা হয়। সংস্কারের অগ্রগতির মূল্যায়ন করতে গিয়ে তিনি বলেন, প্রত্যাশা যদি ১০ ধরা হয়, তবে ইতিমধ্যে অন্তত চার অর্জন করা সম্ভব হয়েছে। তাই ‘কোনো সংস্কারই হয়নি’—এমন দাবি সঠিক নয়।

বিচার বিভাগের সংস্কার প্রসঙ্গে আসিফ নজরুল বলেন, সংস্কার প্রক্রিয়ায় সবার সঙ্গে বিস্তৃত পরামর্শ করা হয়েছে, যা ১৯৭২ সালের সংবিধান প্রণয়নের সময়কার স্বচ্ছতার কথা মনে করিয়ে দেয়। তিনি বিচারক নিয়োগের মানদণ্ড নিয়ে কঠোর বার্তা দিয়ে বলেন, শুধু ১০ বছর ‘জয় বাংলা’ বা ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’ বললেই এখন আর বিচারক হওয়া যাবে না। উচ্চ আদালতেও কিছু সুনির্দিষ্ট সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে এবং সেই সংস্কারগুলো খোদ উচ্চ আদালত থেকেই আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

আরও পড়ুন  জনগণ নির্বাচনমুখী হলে কোনো ষড়যন্ত্র কাজে আসবে না : স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

বিগত সরকারের বিচারিক ব্যবস্থার সমালোচনা করে আইন উপদেষ্টা জানান, বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্য প্রয়োজনীয় সব আইন ইতিমধ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে। তবে দেশে পূর্ণাঙ্গ আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় আরও পাঁচ থেকে দশ বছর সময় লাগতে পারে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বর্তমান সরকার সংস্কারের একটি মজবুত ভিত্তি তৈরি করে দিচ্ছে। পরবর্তী নির্বাচিত সরকার যদি এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখে, তবে দেশের সাধারণ জনগণ দীর্ঘমেয়াদে এর সুফল ভোগ করবে।