ঢাকা ০২:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

‘যথেষ্ট সংস্কার হলেও পুলিশ সংস্কার প্রত্যাশা অনুযায়ী হয়নি’: আসিফ নজরুল

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:২৯:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 603

ছবি : সংগৃহীত

 

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেছেন, দেশে যথেষ্ট সংস্কার কাজ সম্পন্ন হয়েছে, তবে পুলিশ বাহিনীর সংস্কার যেভাবে হওয়ার কথা ছিল সেভাবে হয়নি।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং আইনের শাসন’ শীর্ষক নীতি সংলাপে তিনি এ কথা বলেন। উপদেষ্টা উল্লেখ করেন যে, কিছু মানুষের কাছে সংস্কার নিয়ে নেতিবাচক কথা বলাটা এক ধরনের উদ্দীপকের মতো কাজ করে, যার মাধ্যমে বাড়তি ভিউ পাওয়ার চেষ্টা করা হয়। সংস্কারের অগ্রগতির মূল্যায়ন করতে গিয়ে তিনি বলেন, প্রত্যাশা যদি ১০ ধরা হয়, তবে ইতিমধ্যে অন্তত চার অর্জন করা সম্ভব হয়েছে। তাই ‘কোনো সংস্কারই হয়নি’—এমন দাবি সঠিক নয়।

বিচার বিভাগের সংস্কার প্রসঙ্গে আসিফ নজরুল বলেন, সংস্কার প্রক্রিয়ায় সবার সঙ্গে বিস্তৃত পরামর্শ করা হয়েছে, যা ১৯৭২ সালের সংবিধান প্রণয়নের সময়কার স্বচ্ছতার কথা মনে করিয়ে দেয়। তিনি বিচারক নিয়োগের মানদণ্ড নিয়ে কঠোর বার্তা দিয়ে বলেন, শুধু ১০ বছর ‘জয় বাংলা’ বা ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’ বললেই এখন আর বিচারক হওয়া যাবে না। উচ্চ আদালতেও কিছু সুনির্দিষ্ট সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে এবং সেই সংস্কারগুলো খোদ উচ্চ আদালত থেকেই আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

আরও পড়ুন  উদ্যোক্তা তৈরির লক্ষ্যে ‘ক্ষুদ্রঋণ ব্যাংক’ গঠনের প্রস্তাব প্রধান উপদেষ্টার

বিগত সরকারের বিচারিক ব্যবস্থার সমালোচনা করে আইন উপদেষ্টা জানান, বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্য প্রয়োজনীয় সব আইন ইতিমধ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে। তবে দেশে পূর্ণাঙ্গ আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় আরও পাঁচ থেকে দশ বছর সময় লাগতে পারে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বর্তমান সরকার সংস্কারের একটি মজবুত ভিত্তি তৈরি করে দিচ্ছে। পরবর্তী নির্বাচিত সরকার যদি এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখে, তবে দেশের সাধারণ জনগণ দীর্ঘমেয়াদে এর সুফল ভোগ করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

‘যথেষ্ট সংস্কার হলেও পুলিশ সংস্কার প্রত্যাশা অনুযায়ী হয়নি’: আসিফ নজরুল

আপডেট সময় ০৭:২৯:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

 

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেছেন, দেশে যথেষ্ট সংস্কার কাজ সম্পন্ন হয়েছে, তবে পুলিশ বাহিনীর সংস্কার যেভাবে হওয়ার কথা ছিল সেভাবে হয়নি।
রোববার (১৮ জানুয়ারি) রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে সেন্টার ফর গভর্ন্যান্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত ‘বিচার বিভাগের স্বাধীনতা এবং আইনের শাসন’ শীর্ষক নীতি সংলাপে তিনি এ কথা বলেন। উপদেষ্টা উল্লেখ করেন যে, কিছু মানুষের কাছে সংস্কার নিয়ে নেতিবাচক কথা বলাটা এক ধরনের উদ্দীপকের মতো কাজ করে, যার মাধ্যমে বাড়তি ভিউ পাওয়ার চেষ্টা করা হয়। সংস্কারের অগ্রগতির মূল্যায়ন করতে গিয়ে তিনি বলেন, প্রত্যাশা যদি ১০ ধরা হয়, তবে ইতিমধ্যে অন্তত চার অর্জন করা সম্ভব হয়েছে। তাই ‘কোনো সংস্কারই হয়নি’—এমন দাবি সঠিক নয়।

বিচার বিভাগের সংস্কার প্রসঙ্গে আসিফ নজরুল বলেন, সংস্কার প্রক্রিয়ায় সবার সঙ্গে বিস্তৃত পরামর্শ করা হয়েছে, যা ১৯৭২ সালের সংবিধান প্রণয়নের সময়কার স্বচ্ছতার কথা মনে করিয়ে দেয়। তিনি বিচারক নিয়োগের মানদণ্ড নিয়ে কঠোর বার্তা দিয়ে বলেন, শুধু ১০ বছর ‘জয় বাংলা’ বা ‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’ বললেই এখন আর বিচারক হওয়া যাবে না। উচ্চ আদালতেও কিছু সুনির্দিষ্ট সংস্কারের প্রয়োজন রয়েছে এবং সেই সংস্কারগুলো খোদ উচ্চ আদালত থেকেই আসবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

আরও পড়ুন  উপদেষ্টা ও সচিবদের সঙ্গে আজ শেষ বৈঠকে ড. ইউনূস

বিগত সরকারের বিচারিক ব্যবস্থার সমালোচনা করে আইন উপদেষ্টা জানান, বিচার বিভাগের স্বাধীনতার জন্য প্রয়োজনীয় সব আইন ইতিমধ্যে প্রণয়ন করা হয়েছে। তবে দেশে পূর্ণাঙ্গ আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় আরও পাঁচ থেকে দশ বছর সময় লাগতে পারে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, বর্তমান সরকার সংস্কারের একটি মজবুত ভিত্তি তৈরি করে দিচ্ছে। পরবর্তী নির্বাচিত সরকার যদি এই ধারাবাহিকতা বজায় রাখে, তবে দেশের সাধারণ জনগণ দীর্ঘমেয়াদে এর সুফল ভোগ করবে।