ঢাকা ০৯:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
বেনজীরকে ফেরাতে নীতিগত সম্মতি, অতিরিক্ত তথ্য চেয়েছে দুবাই পুলিশ প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎

চিকিৎসা শেষে ক্যান্সারের অভিজ্ঞতা প্রকাশ করলেন লর্ড ক্যামেরন

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:২২:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫
  • / 1056

ছবি সংগৃহীত

 

যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন জানিয়েছেন, তিনি প্রোস্টেট ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা শেষে বিষয়টি প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে তুলে ধরছেন। পুরুষদের স্বাস্থ্য সচেতন করতে তার এই সিদ্ধান্ত বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। সোমবার (২৪ নভেম্বর) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এমন তথ্য জানায়।

৫৯ বছর বয়সী লর্ড ক্যামেরন দ্য টাইমস–কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, উদ্যোক্তা নিক জোন্সের একটি রেডিও সাক্ষাৎকার শুনে তার স্ত্রী স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে তাকে উৎসাহিত করেন। জোন্স নিজেও একই রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন এবং এরপর থেকে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রতি পুরুষদের উৎসাহিত করে আসছেন।

চলতি বছরের শুরুতে ক্যামেরন পিএসএ পরীক্ষা করান। রক্তে প্রোস্টেট ক্যান্সারের সংশ্লিষ্ট প্রোটিন মাত্রা পরীক্ষা করে এই টেস্ট। রিপোর্টে পিএসএ অস্বাভাবিকভাবে বেশি পাওয়ায় তাকে এমআরআই স্ক্যান ও বায়োপসির মধ্য দিয়ে যেতে হয়।

পরীক্ষায় ক্যান্সার ধরা পড়ার পর তিনি ‘ফোকাল থেরাপি’ নামে পরিচিত আধুনিক চিকিৎসা গ্রহণ করেন। এই পদ্ধতিতে আল্ট্রাসাউন্ডসহ প্রযুক্তি ব্যবহার করে টিউমারের নির্দিষ্ট অংশ লক্ষ্য করে ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করা হয়।

যুক্তরাজ্যে পুরুষদের মাঝে সবচেয়ে বেশি শনাক্ত হওয়া ক্যান্সার হলো প্রোস্টেট ক্যান্সার। প্রতি বছর দেশটিতে প্রায় ৫৫ হাজার রোগী এ রোগে আক্রান্ত হন। সাধারণত বয়স বেশি হলে এই রোগের ঝুঁকি বাড়ে—বিশেষ করে ৭৫ বছরের ঊর্ধ্বে। তবে ৫০ বছরের নিচের বয়সীদের মধ্যে এ রোগ তুলনামূলক বিরল। অন্যদিকে কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষদের মধ্যে ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে ক্যামেরন বলেন, “স্বাস্থ্য নিয়ে ব্যক্তিগত কথা বলা আমার স্বস্তির জায়গা নয়। কিন্তু মনে হলো—বলার সময় এসেছে। পুরুষরা সাধারণত এসব নিয়ে আলোচনা করতে চান না, বিষয়গুলো পরে ফেলে রাখেন।”

তিনি আরও বলেন, সময়মতো পরীক্ষা করানো তার জীবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ছিল, কারণ এর মাধ্যমে দ্রুত রোগ শনাক্ত হয়েছে এবং চিকিৎসা নেওয়া সম্ভব হয়েছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

চিকিৎসা শেষে ক্যান্সারের অভিজ্ঞতা প্রকাশ করলেন লর্ড ক্যামেরন

আপডেট সময় ০৩:২২:৫৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

 

যুক্তরাজ্যের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন জানিয়েছেন, তিনি প্রোস্টেট ক্যান্সারে আক্রান্ত ছিলেন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা শেষে বিষয়টি প্রথমবারের মতো জনসমক্ষে তুলে ধরছেন। পুরুষদের স্বাস্থ্য সচেতন করতে তার এই সিদ্ধান্ত বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। সোমবার (২৪ নভেম্বর) ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি এমন তথ্য জানায়।

৫৯ বছর বয়সী লর্ড ক্যামেরন দ্য টাইমস–কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, উদ্যোক্তা নিক জোন্সের একটি রেডিও সাক্ষাৎকার শুনে তার স্ত্রী স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে তাকে উৎসাহিত করেন। জোন্স নিজেও একই রোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন এবং এরপর থেকে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রতি পুরুষদের উৎসাহিত করে আসছেন।

চলতি বছরের শুরুতে ক্যামেরন পিএসএ পরীক্ষা করান। রক্তে প্রোস্টেট ক্যান্সারের সংশ্লিষ্ট প্রোটিন মাত্রা পরীক্ষা করে এই টেস্ট। রিপোর্টে পিএসএ অস্বাভাবিকভাবে বেশি পাওয়ায় তাকে এমআরআই স্ক্যান ও বায়োপসির মধ্য দিয়ে যেতে হয়।

পরীক্ষায় ক্যান্সার ধরা পড়ার পর তিনি ‘ফোকাল থেরাপি’ নামে পরিচিত আধুনিক চিকিৎসা গ্রহণ করেন। এই পদ্ধতিতে আল্ট্রাসাউন্ডসহ প্রযুক্তি ব্যবহার করে টিউমারের নির্দিষ্ট অংশ লক্ষ্য করে ক্যান্সার কোষ ধ্বংস করা হয়।

যুক্তরাজ্যে পুরুষদের মাঝে সবচেয়ে বেশি শনাক্ত হওয়া ক্যান্সার হলো প্রোস্টেট ক্যান্সার। প্রতি বছর দেশটিতে প্রায় ৫৫ হাজার রোগী এ রোগে আক্রান্ত হন। সাধারণত বয়স বেশি হলে এই রোগের ঝুঁকি বাড়ে—বিশেষ করে ৭৫ বছরের ঊর্ধ্বে। তবে ৫০ বছরের নিচের বয়সীদের মধ্যে এ রোগ তুলনামূলক বিরল। অন্যদিকে কৃষ্ণাঙ্গ পুরুষদের মধ্যে ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বেশি।

নিজের অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে ক্যামেরন বলেন, “স্বাস্থ্য নিয়ে ব্যক্তিগত কথা বলা আমার স্বস্তির জায়গা নয়। কিন্তু মনে হলো—বলার সময় এসেছে। পুরুষরা সাধারণত এসব নিয়ে আলোচনা করতে চান না, বিষয়গুলো পরে ফেলে রাখেন।”

তিনি আরও বলেন, সময়মতো পরীক্ষা করানো তার জীবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ছিল, কারণ এর মাধ্যমে দ্রুত রোগ শনাক্ত হয়েছে এবং চিকিৎসা নেওয়া সম্ভব হয়েছে।