ঢাকা ১০:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

অবৈধ ৬২ কোটি টাকার সম্পদের প্রমাণ মিলেছে তারিক সিদ্দিকের: দুদক

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:২১:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫
  • / 303

ছবি সংগৃহীত

 

ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সামরিক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে ৬২ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এছাড়া, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানের নামেও ১২২ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধেও মামলা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) দুদকের মহাপরিচালক আক্তার হোসেন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, “তদন্তে দেশে ও বিদেশে আরও অনেক সম্পদের ইঙ্গিত মিলেছে। যাচাই-বাছাই ও দালিলিক প্রমাণ মিললেই সেগুলোও মামলার আওতায় আনা হবে।”

আরও পড়ুন  দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ

তদন্ত সূত্রে জানা যায়, গাজীপুরের বাঙ্গালগাছ এলাকায় তারিক সিদ্দিক নির্মাণ করেছেন ‘বাগানবিলাস’ নামে একটি বিলাসবহুল বাগানবাড়ি। একই জেলার ফাওকাল এলাকাতেও রয়েছে তার ডুপ্লেক্স ভবনসহ বিশাল সম্পত্তি।

শুধু গাজীপুরেই নয়, রাজধানীর অভিজাত এলাকাগুলোতেও তার নামে ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নামে জমি ও বাড়ির মালিকানা রয়েছে। বারিধারা আবাসিক এলাকার পার্ক ভ্যালিতে রয়েছে একটি ফ্ল্যাট, আর বারিধারা ডিওএইচএসে রয়েছে সাততলা বিশিষ্ট একটি বাড়ি।

দুদক জানায়, তারিক সিদ্দিকের পরিবারের নামে প্রচুর সম্পদের তথ্য থাকলেও এখন পর্যন্ত দালিলিক প্রমাণে ৬২ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের সন্ধান মিলেছে। পাশাপাশি ১২২ কোটি টাকার সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি নজরে এসেছে।

এছাড়া বিমানবন্দর উন্নয়ন প্রকল্পের নামে প্রায় ৮০০ কোটি টাকার বেশি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে এরইমধ্যে তারিক সিদ্দিকসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে পৃথক মামলাও করা হয়েছে।

দুদকের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, “সম্পদের উৎস ও বৈধতা যাচাইয়ের পর প্রতিটি মামলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কমিশনের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর।”

এদিকে, উচ্চ পর্যায়ের এই সাবেক কর্মকর্তার এমন দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসায় রাজনৈতিক মহলসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতি অনুযায়ী মামলার পরিধি আরও বাড়তে পারে বলে জানা গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

অবৈধ ৬২ কোটি টাকার সম্পদের প্রমাণ মিলেছে তারিক সিদ্দিকের: দুদক

আপডেট সময় ০৭:২১:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫

 

ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সামরিক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিকের বিরুদ্ধে ৬২ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এছাড়া, তার স্ত্রী ও দুই সন্তানের নামেও ১২২ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়ায় তাদের বিরুদ্ধেও মামলা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ জুলাই) দুদকের মহাপরিচালক আক্তার হোসেন এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, “তদন্তে দেশে ও বিদেশে আরও অনেক সম্পদের ইঙ্গিত মিলেছে। যাচাই-বাছাই ও দালিলিক প্রমাণ মিললেই সেগুলোও মামলার আওতায় আনা হবে।”

আরও পড়ুন  পাপনের ৮০০ কোটি টাকার লেনদেন ও অবৈধ সম্পদের তথ্য পেয়েছে দুদক

তদন্ত সূত্রে জানা যায়, গাজীপুরের বাঙ্গালগাছ এলাকায় তারিক সিদ্দিক নির্মাণ করেছেন ‘বাগানবিলাস’ নামে একটি বিলাসবহুল বাগানবাড়ি। একই জেলার ফাওকাল এলাকাতেও রয়েছে তার ডুপ্লেক্স ভবনসহ বিশাল সম্পত্তি।

শুধু গাজীপুরেই নয়, রাজধানীর অভিজাত এলাকাগুলোতেও তার নামে ও পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের নামে জমি ও বাড়ির মালিকানা রয়েছে। বারিধারা আবাসিক এলাকার পার্ক ভ্যালিতে রয়েছে একটি ফ্ল্যাট, আর বারিধারা ডিওএইচএসে রয়েছে সাততলা বিশিষ্ট একটি বাড়ি।

দুদক জানায়, তারিক সিদ্দিকের পরিবারের নামে প্রচুর সম্পদের তথ্য থাকলেও এখন পর্যন্ত দালিলিক প্রমাণে ৬২ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদের সন্ধান মিলেছে। পাশাপাশি ১২২ কোটি টাকার সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেনের বিষয়টি নজরে এসেছে।

এছাড়া বিমানবন্দর উন্নয়ন প্রকল্পের নামে প্রায় ৮০০ কোটি টাকার বেশি অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে এরইমধ্যে তারিক সিদ্দিকসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে পৃথক মামলাও করা হয়েছে।

দুদকের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, “সম্পদের উৎস ও বৈধতা যাচাইয়ের পর প্রতিটি মামলায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে কমিশনের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর।”

এদিকে, উচ্চ পর্যায়ের এই সাবেক কর্মকর্তার এমন দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসায় রাজনৈতিক মহলসহ সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তদন্তের অগ্রগতি অনুযায়ী মামলার পরিধি আরও বাড়তে পারে বলে জানা গেছে।