ঢাকা ১০:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

সচিবালয়ের সংকট সমাধানে উপদেষ্টা পর্যায়ের উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন হচ্ছে: আইন উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:২৪:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুন ২০২৫
  • / 429

ছবি সংগৃহীত

 

সচিবালয়ে চলমান সমস্যাগুলোর সমাধানে উপদেষ্টা পর্যায়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল। মঙ্গলবার (৩ জুন) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।

আইন উপদেষ্টা বলেন, “সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য ফোরামের পক্ষ থেকে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। তারা অধ্যাদেশ নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ আপত্তি তুলেছেন। সরকার অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে এসব আপত্তি শুনতে চায় এবং সেগুলো বিবেচনায় নিতে চায়। এজন্যই উপদেষ্টা পর্যায়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করা হবে।”

আরও পড়ুন  শিগগিরই গুম প্রতিরোধে আইন প্রণয়ন করা হবে: আইন উপদেষ্টা

তিনি আরও বলেন, “এই কমিটির কাজ হবে শুধু শুনে সুপারিশ করা কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া নয়। তারা যে আপত্তি জানিয়েছেন, সেটি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনায় নিয়ে উপদেষ্টা পরিষদের মিটিংয়ে উপস্থাপন করা হবে।”

অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেন, “এই কমিটির গঠন মানেই অধ্যাদেশটি পুনর্বিবেচনার সুযোগ রাখা হয়েছে। দুই-এক দিনের মধ্যেই কমিটির গঠন ও কার্যপরিধি সম্পর্কে জানানো হবে।”

তিনি স্বীকার করেন, “আপাতভাবে কিছু জায়গায় অপপ্রয়োগের সুযোগ রয়েছে বলে মনে হয়েছে। এটি কাম্য নয়। অধ্যাদেশ নিয়ে যেসব প্রশ্ন উঠেছে, সেগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং বিশ্লেষণ করার জন্যই এই কমিটি হচ্ছে।”

আইন উপদেষ্টা আরও বলেন, “আমি যদি কমিটির সদস্য হই, তাহলে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতা নিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বক্তব্য শুনব এবং সেটি যথাযথভাবে উপদেষ্টা পরিষদের সভায় তুলে ধরার চেষ্টা করব।”

সরকারের পক্ষ থেকে বারবার বলা হচ্ছে সর্বোচ্চ মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বক্তব্য মূল্যায়ন করা হবে। সব পক্ষের অংশগ্রহণ ও আলোচনার মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধান বেরিয়ে আসবে বলেই আশাবাদ ব্যক্ত করেন আইন উপদেষ্টা।

এদিকে সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে এই ঘোষণাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে। তারা আশা করছেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের সংশয় দূর হবে এবং একটি কার্যকর ও সম্মানজনক সমাধান পাওয়া যাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সচিবালয়ের সংকট সমাধানে উপদেষ্টা পর্যায়ের উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন হচ্ছে: আইন উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৮:২৪:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুন ২০২৫

 

সচিবালয়ে চলমান সমস্যাগুলোর সমাধানে উপদেষ্টা পর্যায়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল। মঙ্গলবার (৩ জুন) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।

আইন উপদেষ্টা বলেন, “সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য ফোরামের পক্ষ থেকে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। তারা অধ্যাদেশ নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ আপত্তি তুলেছেন। সরকার অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে এসব আপত্তি শুনতে চায় এবং সেগুলো বিবেচনায় নিতে চায়। এজন্যই উপদেষ্টা পর্যায়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করা হবে।”

আরও পড়ুন  ১৪তম দিনে অধ্যাদেশ বাতিলের দাবিতে সচিবালয়ে কর্মচারীদের বিক্ষোভ অব্যাহত

তিনি আরও বলেন, “এই কমিটির কাজ হবে শুধু শুনে সুপারিশ করা কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া নয়। তারা যে আপত্তি জানিয়েছেন, সেটি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনায় নিয়ে উপদেষ্টা পরিষদের মিটিংয়ে উপস্থাপন করা হবে।”

অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেন, “এই কমিটির গঠন মানেই অধ্যাদেশটি পুনর্বিবেচনার সুযোগ রাখা হয়েছে। দুই-এক দিনের মধ্যেই কমিটির গঠন ও কার্যপরিধি সম্পর্কে জানানো হবে।”

তিনি স্বীকার করেন, “আপাতভাবে কিছু জায়গায় অপপ্রয়োগের সুযোগ রয়েছে বলে মনে হয়েছে। এটি কাম্য নয়। অধ্যাদেশ নিয়ে যেসব প্রশ্ন উঠেছে, সেগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং বিশ্লেষণ করার জন্যই এই কমিটি হচ্ছে।”

আইন উপদেষ্টা আরও বলেন, “আমি যদি কমিটির সদস্য হই, তাহলে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতা নিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বক্তব্য শুনব এবং সেটি যথাযথভাবে উপদেষ্টা পরিষদের সভায় তুলে ধরার চেষ্টা করব।”

সরকারের পক্ষ থেকে বারবার বলা হচ্ছে সর্বোচ্চ মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বক্তব্য মূল্যায়ন করা হবে। সব পক্ষের অংশগ্রহণ ও আলোচনার মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধান বেরিয়ে আসবে বলেই আশাবাদ ব্যক্ত করেন আইন উপদেষ্টা।

এদিকে সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে এই ঘোষণাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে। তারা আশা করছেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের সংশয় দূর হবে এবং একটি কার্যকর ও সম্মানজনক সমাধান পাওয়া যাবে।