ঢাকা ০২:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
জুলাই সনদের বাস্তবায়ন: ডেপুটি স্পিকার হচ্ছেন ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিরতায় বাড়লো জ্বালানি তেলের দাম সীতাকুণ্ডে ধর্ষণের শিকার সেই শিশুর মৃত্যু পাওনা টাকার বিরোধে চট্টগ্রামে ছোট ভাইয়ের হাতে বড় বোন খুন নিরাপত্তা ঝুঁকিতে ইসলামাবাদ, করাচি ও লাহোরে ভিসা সেবা বন্ধ সৌদিতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরু‌রি বিজ্ঞ‌প্তি সৌদি আরবে রিয়াদে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসে হামলা, বিকট বিস্ফোরণ ঢাকা পলিটেকনিকে ছাত্রদল-শিবির সংঘর্ষ, পাল্টাপাল্টি অভিযোগ হরমুজ প্রণালি ‘বন্ধ’, তেল পরিবহনে কঠোর বার্তা তেহরানের জুলাই জাতীয় সনদের বাস্তবায়ন: বিরোধী দল থেকে ডেপুটি স্পিকার পাচ্ছে জামায়াত

সচিবালয়ের সংকট সমাধানে উপদেষ্টা পর্যায়ের উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন হচ্ছে: আইন উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:২৪:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুন ২০২৫
  • / 129

ছবি সংগৃহীত

 

সচিবালয়ে চলমান সমস্যাগুলোর সমাধানে উপদেষ্টা পর্যায়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল। মঙ্গলবার (৩ জুন) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।

আইন উপদেষ্টা বলেন, “সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য ফোরামের পক্ষ থেকে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। তারা অধ্যাদেশ নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ আপত্তি তুলেছেন। সরকার অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে এসব আপত্তি শুনতে চায় এবং সেগুলো বিবেচনায় নিতে চায়। এজন্যই উপদেষ্টা পর্যায়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করা হবে।”

আরও পড়ুন  পুলিশের বাধার মুখে সচিবালয় অভিমুখে ইশরাক সমর্থকদের লংমার্চ

তিনি আরও বলেন, “এই কমিটির কাজ হবে শুধু শুনে সুপারিশ করা কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া নয়। তারা যে আপত্তি জানিয়েছেন, সেটি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনায় নিয়ে উপদেষ্টা পরিষদের মিটিংয়ে উপস্থাপন করা হবে।”

অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেন, “এই কমিটির গঠন মানেই অধ্যাদেশটি পুনর্বিবেচনার সুযোগ রাখা হয়েছে। দুই-এক দিনের মধ্যেই কমিটির গঠন ও কার্যপরিধি সম্পর্কে জানানো হবে।”

তিনি স্বীকার করেন, “আপাতভাবে কিছু জায়গায় অপপ্রয়োগের সুযোগ রয়েছে বলে মনে হয়েছে। এটি কাম্য নয়। অধ্যাদেশ নিয়ে যেসব প্রশ্ন উঠেছে, সেগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং বিশ্লেষণ করার জন্যই এই কমিটি হচ্ছে।”

আইন উপদেষ্টা আরও বলেন, “আমি যদি কমিটির সদস্য হই, তাহলে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতা নিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বক্তব্য শুনব এবং সেটি যথাযথভাবে উপদেষ্টা পরিষদের সভায় তুলে ধরার চেষ্টা করব।”

সরকারের পক্ষ থেকে বারবার বলা হচ্ছে সর্বোচ্চ মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বক্তব্য মূল্যায়ন করা হবে। সব পক্ষের অংশগ্রহণ ও আলোচনার মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধান বেরিয়ে আসবে বলেই আশাবাদ ব্যক্ত করেন আইন উপদেষ্টা।

এদিকে সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে এই ঘোষণাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে। তারা আশা করছেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের সংশয় দূর হবে এবং একটি কার্যকর ও সম্মানজনক সমাধান পাওয়া যাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সচিবালয়ের সংকট সমাধানে উপদেষ্টা পর্যায়ের উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন হচ্ছে: আইন উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৮:২৪:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুন ২০২৫

 

সচিবালয়ে চলমান সমস্যাগুলোর সমাধানে উপদেষ্টা পর্যায়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল। মঙ্গলবার (৩ জুন) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।

আইন উপদেষ্টা বলেন, “সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য ফোরামের পক্ষ থেকে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। তারা অধ্যাদেশ নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ আপত্তি তুলেছেন। সরকার অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে এসব আপত্তি শুনতে চায় এবং সেগুলো বিবেচনায় নিতে চায়। এজন্যই উপদেষ্টা পর্যায়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করা হবে।”

আরও পড়ুন  সাত দিনের মধ্যে মাগুরায় ধর্ষণের বিচার কাজ শুরু: আইন উপদেষ্টা

তিনি আরও বলেন, “এই কমিটির কাজ হবে শুধু শুনে সুপারিশ করা কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া নয়। তারা যে আপত্তি জানিয়েছেন, সেটি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনায় নিয়ে উপদেষ্টা পরিষদের মিটিংয়ে উপস্থাপন করা হবে।”

অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেন, “এই কমিটির গঠন মানেই অধ্যাদেশটি পুনর্বিবেচনার সুযোগ রাখা হয়েছে। দুই-এক দিনের মধ্যেই কমিটির গঠন ও কার্যপরিধি সম্পর্কে জানানো হবে।”

তিনি স্বীকার করেন, “আপাতভাবে কিছু জায়গায় অপপ্রয়োগের সুযোগ রয়েছে বলে মনে হয়েছে। এটি কাম্য নয়। অধ্যাদেশ নিয়ে যেসব প্রশ্ন উঠেছে, সেগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং বিশ্লেষণ করার জন্যই এই কমিটি হচ্ছে।”

আইন উপদেষ্টা আরও বলেন, “আমি যদি কমিটির সদস্য হই, তাহলে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতা নিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বক্তব্য শুনব এবং সেটি যথাযথভাবে উপদেষ্টা পরিষদের সভায় তুলে ধরার চেষ্টা করব।”

সরকারের পক্ষ থেকে বারবার বলা হচ্ছে সর্বোচ্চ মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বক্তব্য মূল্যায়ন করা হবে। সব পক্ষের অংশগ্রহণ ও আলোচনার মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধান বেরিয়ে আসবে বলেই আশাবাদ ব্যক্ত করেন আইন উপদেষ্টা।

এদিকে সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে এই ঘোষণাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে। তারা আশা করছেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের সংশয় দূর হবে এবং একটি কার্যকর ও সম্মানজনক সমাধান পাওয়া যাবে।