ঢাকা ০৮:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
টকশো ও সোশ্যাল মিডিয়ার বিভ্রান্তি থেকে সতর্ক থাকতে হবে: মির্জা ফখরুল রুশ তেল আমদানিতে ৬০ দিনের ‘বিশেষ ছাড়’ পেল বাংলাদেশ ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে ৮ আরোহীর সবার মৃত্যু শেখ হাসিনাকে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত: নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক বার্তা অস্ট্রিয়া—সংগীত, ইতিহাস ও পাহাড়ের দেশ চাঁদ জয়ের রেকর্ড গড়া নভোচারীদের, রাজকীয় সংবর্ধনা সিনেমার বাইরে বাস্তব নাটক—রোহিত শেঠির বাড়িতে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার কুষ্টিয়ায় অনির্দিষ্টকালের বাস ধর্মঘট, ভোগান্তিতে যাত্রীরা ‘ক্লান্ত’ মির্জা ফখরুল কি তবে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি? গুঞ্জন ও আগামীর সমীকরণ খাবার শেষে পানি পান: উপকার নাকি ক্ষতি—চিকিৎসকরা কী বলছেন

সচিবালয়ের সংকট সমাধানে উপদেষ্টা পর্যায়ের উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন হচ্ছে: আইন উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৮:২৪:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুন ২০২৫
  • / 220

ছবি সংগৃহীত

 

সচিবালয়ে চলমান সমস্যাগুলোর সমাধানে উপদেষ্টা পর্যায়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল। মঙ্গলবার (৩ জুন) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।

আইন উপদেষ্টা বলেন, “সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য ফোরামের পক্ষ থেকে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। তারা অধ্যাদেশ নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ আপত্তি তুলেছেন। সরকার অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে এসব আপত্তি শুনতে চায় এবং সেগুলো বিবেচনায় নিতে চায়। এজন্যই উপদেষ্টা পর্যায়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করা হবে।”

আরও পড়ুন  প্রবাসী ইস্যুতে মালয়েশিয়ায় কূটনৈতিক তৎপরতায় আইন উপদেষ্টা

তিনি আরও বলেন, “এই কমিটির কাজ হবে শুধু শুনে সুপারিশ করা কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া নয়। তারা যে আপত্তি জানিয়েছেন, সেটি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনায় নিয়ে উপদেষ্টা পরিষদের মিটিংয়ে উপস্থাপন করা হবে।”

অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেন, “এই কমিটির গঠন মানেই অধ্যাদেশটি পুনর্বিবেচনার সুযোগ রাখা হয়েছে। দুই-এক দিনের মধ্যেই কমিটির গঠন ও কার্যপরিধি সম্পর্কে জানানো হবে।”

তিনি স্বীকার করেন, “আপাতভাবে কিছু জায়গায় অপপ্রয়োগের সুযোগ রয়েছে বলে মনে হয়েছে। এটি কাম্য নয়। অধ্যাদেশ নিয়ে যেসব প্রশ্ন উঠেছে, সেগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং বিশ্লেষণ করার জন্যই এই কমিটি হচ্ছে।”

আইন উপদেষ্টা আরও বলেন, “আমি যদি কমিটির সদস্য হই, তাহলে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতা নিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বক্তব্য শুনব এবং সেটি যথাযথভাবে উপদেষ্টা পরিষদের সভায় তুলে ধরার চেষ্টা করব।”

সরকারের পক্ষ থেকে বারবার বলা হচ্ছে সর্বোচ্চ মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বক্তব্য মূল্যায়ন করা হবে। সব পক্ষের অংশগ্রহণ ও আলোচনার মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধান বেরিয়ে আসবে বলেই আশাবাদ ব্যক্ত করেন আইন উপদেষ্টা।

এদিকে সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে এই ঘোষণাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে। তারা আশা করছেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের সংশয় দূর হবে এবং একটি কার্যকর ও সম্মানজনক সমাধান পাওয়া যাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

সচিবালয়ের সংকট সমাধানে উপদেষ্টা পর্যায়ের উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন হচ্ছে: আইন উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৮:২৪:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ জুন ২০২৫

 

সচিবালয়ে চলমান সমস্যাগুলোর সমাধানে উপদেষ্টা পর্যায়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন আইন উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুল। মঙ্গলবার (৩ জুন) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ তথ্য জানান।

আইন উপদেষ্টা বলেন, “সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য ফোরামের পক্ষ থেকে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছে। তারা অধ্যাদেশ নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ আপত্তি তুলেছেন। সরকার অত্যন্ত মনোযোগ সহকারে এসব আপত্তি শুনতে চায় এবং সেগুলো বিবেচনায় নিতে চায়। এজন্যই উপদেষ্টা পর্যায়ে একটি উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করা হবে।”

আরও পড়ুন  নিজের কাজের হিসাব দিলেন আসিফ নজরুল

তিনি আরও বলেন, “এই কমিটির কাজ হবে শুধু শুনে সুপারিশ করা কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া নয়। তারা যে আপত্তি জানিয়েছেন, সেটি মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিবেচনায় নিয়ে উপদেষ্টা পরিষদের মিটিংয়ে উপস্থাপন করা হবে।”

অধ্যাপক আসিফ নজরুল বলেন, “এই কমিটির গঠন মানেই অধ্যাদেশটি পুনর্বিবেচনার সুযোগ রাখা হয়েছে। দুই-এক দিনের মধ্যেই কমিটির গঠন ও কার্যপরিধি সম্পর্কে জানানো হবে।”

তিনি স্বীকার করেন, “আপাতভাবে কিছু জায়গায় অপপ্রয়োগের সুযোগ রয়েছে বলে মনে হয়েছে। এটি কাম্য নয়। অধ্যাদেশ নিয়ে যেসব প্রশ্ন উঠেছে, সেগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং বিশ্লেষণ করার জন্যই এই কমিটি হচ্ছে।”

আইন উপদেষ্টা আরও বলেন, “আমি যদি কমিটির সদস্য হই, তাহলে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীলতা নিয়ে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বক্তব্য শুনব এবং সেটি যথাযথভাবে উপদেষ্টা পরিষদের সভায় তুলে ধরার চেষ্টা করব।”

সরকারের পক্ষ থেকে বারবার বলা হচ্ছে সর্বোচ্চ মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বক্তব্য মূল্যায়ন করা হবে। সব পক্ষের অংশগ্রহণ ও আলোচনার মাধ্যমে একটি গ্রহণযোগ্য সমাধান বেরিয়ে আসবে বলেই আশাবাদ ব্যক্ত করেন আইন উপদেষ্টা।

এদিকে সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে এই ঘোষণাকে ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে। তারা আশা করছেন, এই উদ্যোগের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের সংশয় দূর হবে এবং একটি কার্যকর ও সম্মানজনক সমাধান পাওয়া যাবে।