ঢাকা ০৭:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান

চট্টগ্রামে মাইক্রোবাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে ২ যাত্রী নিহত, আহত আরো ২

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:৫২:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫
  • / 544

ছবি: সংগৃহীত

 

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় মাইক্রোবাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন নিহত এবং আরও দুজন আহত হয়েছেন। নিহতরা অটোরিকশার যাত্রী ছিলেন। শনিবার সকাল পৌনে নয়টার দিকে উপজেলার পটিয়া-আনোয়ারা-বাঁশখালী (পিএবি) সড়কের লাবিবা কমিউনিটি সেন্টারসংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতদের একজন হলেন জিল্লুর রহমান (৪০), তিনি বাঁশখালী উপজেলার সরল ইউনিয়নের ৮ নম্বর পাইরাং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। অন্যজন মোহাম্মদ রাসেল (৩২), যিনি একই উপজেলার সাধনপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। আহতরা হলেন মো. আলমগীর (২৮) ও বিষ্ণু দাশ (২৯), দুজনই বাঁশখালীর বাসিন্দা। তাদেরকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  মাইক্রোবাস দুর্ঘটনায় ২ বৌদ্ধ ভিক্ষুসহ নিহত ৩

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাঁশখালী থেকে চট্টগ্রামমুখী অটোরিকশাটির সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মাইক্রোবাসের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই দুই যাত্রীর মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহাতাব উদ্দিন চৌধুরী জানান, গুরুতর আহত দুজনকে প্রথমে আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনির হোসেন জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে। নিহতদের লাশ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনার পর মাইক্রোবাসচালক গাড়িটি নিয়ে পালিয়ে গেছেন। তাকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

এই সড়কপথে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে থাকলেও পর্যাপ্ত নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা না থাকায় প্রাণহানির ঘটনা বাড়ছে বলে অভিযোগ করছেন স্থানীয়রা।

নিউজটি শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে মাইক্রোবাস-অটোরিকশা সংঘর্ষে ২ যাত্রী নিহত, আহত আরো ২

আপডেট সময় ১২:৫২:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫

 

চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় মাইক্রোবাস ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন নিহত এবং আরও দুজন আহত হয়েছেন। নিহতরা অটোরিকশার যাত্রী ছিলেন। শনিবার সকাল পৌনে নয়টার দিকে উপজেলার পটিয়া-আনোয়ারা-বাঁশখালী (পিএবি) সড়কের লাবিবা কমিউনিটি সেন্টারসংলগ্ন এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতদের একজন হলেন জিল্লুর রহমান (৪০), তিনি বাঁশখালী উপজেলার সরল ইউনিয়নের ৮ নম্বর পাইরাং ওয়ার্ডের বাসিন্দা। অন্যজন মোহাম্মদ রাসেল (৩২), যিনি একই উপজেলার সাধনপুর ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। আহতরা হলেন মো. আলমগীর (২৮) ও বিষ্ণু দাশ (২৯), দুজনই বাঁশখালীর বাসিন্দা। তাদেরকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  মালিবাগ-মৌচাক ফ্লাইওভারে অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ২

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাঁশখালী থেকে চট্টগ্রামমুখী অটোরিকশাটির সঙ্গে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি মাইক্রোবাসের সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই দুই যাত্রীর মৃত্যু হয়। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠান।

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহাতাব উদ্দিন চৌধুরী জানান, গুরুতর আহত দুজনকে প্রথমে আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আনা হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আনোয়ারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনির হোসেন জানান, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করেছে। নিহতদের লাশ হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। তিনি আরও জানান, দুর্ঘটনার পর মাইক্রোবাসচালক গাড়িটি নিয়ে পালিয়ে গেছেন। তাকে শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।

এই সড়কপথে প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে থাকলেও পর্যাপ্ত নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা না থাকায় প্রাণহানির ঘটনা বাড়ছে বলে অভিযোগ করছেন স্থানীয়রা।