ঢাকা ১২:১৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ

সিলেট-সুনামগঞ্জ সীমান্তে ফের পুশইন, আটক ৮০ নারী-পুরুষ-শিশু

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১০:৫৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫
  • / 513

ছবি: সংগৃহীত

 

সিলেট ও সুনামগঞ্জের চারটি সীমান্ত দিয়ে ফের পুশইনের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২৭ মে) গভীর রাতে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ ৮০ জন নারী, পুরুষ ও শিশুকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয় বলে নিশ্চিত করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বিজিবি সদস্যরা সক্রিয় ভূমিকা নিয়ে তাদের আটক করতে সক্ষম হয়।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, রাত আনুমানিক ৩টার দিকে সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার মোকামপুঞ্জি সীমান্ত দিয়ে প্রথম দফায় ৩২ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেয় বিএসএফ। তাদের মধ্যে ৩ জন শিশু, ১২ জন নারী ও ১৭ জন পুরুষ রয়েছেন। সতর্ক অবস্থানে থাকা শ্রীপুর বিওপির বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে সবাইকে দ্রুত আটক করেন।

আরও পড়ুন  ‘আমিও অনলাইন ক্লাস চাই না, কিন্তু পৃথিবী চায়’: সিলেটে শিক্ষামন্ত্রী

এর কিছু সময় পর একই উপজেলার মিনাটিলা সীমান্ত দিয়েও আরও ২০ জন নারী, পুরুষ ও শিশুকে পুশইন করা হয়। মিনাটিলা বিওপির সদস্যরাও তাদের আটক করতে সক্ষম হন।

অন্যদিকে, সিলেটের জকিগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে পুশইন করা হয় ১২ জনকে এবং সুনামগঞ্জের নোয়াকোট সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করানো হয় আরও ১৬ জনকে। সব মিলিয়ে মঙ্গলবার রাতে চারটি সীমান্ত দিয়ে মোট ৮০ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানো হয়।

বিজিবির কর্মকর্তারা জানান, আটককৃতদের পরিচয় যাচাই-বাছাই চলছে। যাচাই শেষে তাদের আইনানুগ প্রক্রিয়ায় পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এর আগে গত ১৪ মে সিলেটের কানাইঘাট সীমান্ত দিয়ে ১৬ জন, ২৪ মে একই সীমান্ত দিয়ে ২১ জন এবং ২৫ মে বিয়ানীবাজার সীমান্ত দিয়ে আরও ৩২ জনকে বাংলাদেশে পুশইন করা হয়েছিল।

বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সীমান্ত এলাকায় নজরদারি ও টহল জোরদার করা হয়েছে। পুশইন ঠেকাতে ও সীমান্ত অপরাধ নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত টহলের পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে।

এই ধরনের পুশইনের ঘটনায় সীমান্ত নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

সিলেট-সুনামগঞ্জ সীমান্তে ফের পুশইন, আটক ৮০ নারী-পুরুষ-শিশু

আপডেট সময় ১০:৫৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫

 

সিলেট ও সুনামগঞ্জের চারটি সীমান্ত দিয়ে ফের পুশইনের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২৭ মে) গভীর রাতে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ ৮০ জন নারী, পুরুষ ও শিশুকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেয় বলে নিশ্চিত করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। বিজিবি সদস্যরা সক্রিয় ভূমিকা নিয়ে তাদের আটক করতে সক্ষম হয়।

বিজিবি সূত্রে জানা যায়, রাত আনুমানিক ৩টার দিকে সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার মোকামপুঞ্জি সীমান্ত দিয়ে প্রথম দফায় ৩২ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেয় বিএসএফ। তাদের মধ্যে ৩ জন শিশু, ১২ জন নারী ও ১৭ জন পুরুষ রয়েছেন। সতর্ক অবস্থানে থাকা শ্রীপুর বিওপির বিজিবি সদস্যরা ঘটনাস্থল থেকে সবাইকে দ্রুত আটক করেন।

আরও পড়ুন  ‘আমিও অনলাইন ক্লাস চাই না, কিন্তু পৃথিবী চায়’: সিলেটে শিক্ষামন্ত্রী

এর কিছু সময় পর একই উপজেলার মিনাটিলা সীমান্ত দিয়েও আরও ২০ জন নারী, পুরুষ ও শিশুকে পুশইন করা হয়। মিনাটিলা বিওপির সদস্যরাও তাদের আটক করতে সক্ষম হন।

অন্যদিকে, সিলেটের জকিগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে পুশইন করা হয় ১২ জনকে এবং সুনামগঞ্জের নোয়াকোট সীমান্ত দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করানো হয় আরও ১৬ জনকে। সব মিলিয়ে মঙ্গলবার রাতে চারটি সীমান্ত দিয়ে মোট ৮০ জনকে বাংলাদেশে প্রবেশ করানো হয়।

বিজিবির কর্মকর্তারা জানান, আটককৃতদের পরিচয় যাচাই-বাছাই চলছে। যাচাই শেষে তাদের আইনানুগ প্রক্রিয়ায় পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

এর আগে গত ১৪ মে সিলেটের কানাইঘাট সীমান্ত দিয়ে ১৬ জন, ২৪ মে একই সীমান্ত দিয়ে ২১ জন এবং ২৫ মে বিয়ানীবাজার সীমান্ত দিয়ে আরও ৩২ জনকে বাংলাদেশে পুশইন করা হয়েছিল।

বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সীমান্ত এলাকায় নজরদারি ও টহল জোরদার করা হয়েছে। পুশইন ঠেকাতে ও সীমান্ত অপরাধ নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত টহলের পাশাপাশি গোয়েন্দা নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে।

এই ধরনের পুশইনের ঘটনায় সীমান্ত নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।