ঢাকা ০৯:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

ভোলায় সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় প্রস্তুত ৮৬৯টি আশ্রয়কেন্দ্র

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:১২:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ মে ২০২৫
  • / 475

ছবি সংগৃহীত

 

ভোলা: মে মাসের শেষদিকে সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় শক্তি ও মন্থার আশঙ্কায় ভোলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৮৬৯টি আশ্রয়কেন্দ্র। এসব কেন্দ্রে আশ্রয় নিতে পারবে প্রায় চার লাখ ৪৪ হাজার মানুষ। এছাড়া প্রস্তুত রাখা হয়েছে দুর্যোগ মোকাবেলার জন্য প্রয়োজনীয় জনবল ও ত্রাণ সামগ্রী।

শনিবার (২৪ মে) সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় এসব তথ্য জানান ভোলা জেলা প্রশাসক মো. আজাদ জাহান। তার সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন শাখা, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও স্বাস্থ্য বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন  ব্রিসবেনে শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘আলফ্রেড’ এর আগমন: সতর্কতায় স্তব্ধ শহর

জেলা প্রশাসক জানান, ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৮৬৯টি আশ্রয়কেন্দ্র এবং ১৪টি কিল্লা। এসব কেন্দ্রে আশ্রয় নিতে পারবেন মোট চার লাখ ৪৪ হাজার ৩০০ জন। উদ্ধার ও সচেতনতা কার্যক্রমে নিযুক্ত থাকবে ১৩ হাজার ৮৬০ জন সিপিপি স্বেচ্ছাসেবক, ৯৮টি মেডিক্যাল টিম ও ২১টি পশু চিকিৎসা টিম।

ত্রাণ কার্যক্রমে ব্যবহারের জন্য মজুত রাখা হয়েছে এক হাজার ১৫ প্যাকেট শুকনো খাবার, ২৯১ মেট্রিক টন চাল, পাঁচ লাখ টাকার শিশুখাদ্য, পাঁচ লাখ টাকার পশুখাদ্য এবং পর্যাপ্ত ঢেউটিন।

ভোলার সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে চরফ্যাশন ও মনপুরা উপজেলার বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চল। চরফ্যাশনের ঢালচরে সাত হাজার ৪৩৬ জন, কুকরি-মুকরিতে আট হাজার ৩৬২ জন ও মুজিবনগরে ১০ হাজার ৪০৪ জন বসবাস করে। অপরদিকে, মনপুরার কলাতলী চরে চার হাজার ২০০ জন, কাজির চরে তিন হাজার ১০০ জন, ঢালচরে ৪৫০ জন ও মহাজনকান্দিতে ১১০ জন মানুষ ঝুঁকির মুখে রয়েছে।

এই সব চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের ঘূর্ণিঝড়ের আগেই নিরাপদ আশ্রয়ে আনার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে সভায় জানানো হয়। একইসঙ্গে দুর্যোগকালীন দ্রুত সাড়া দেওয়ার জন্য জেলার সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. সোহান সরকার, সিভিল সার্জন ডা. মো. মনিরুল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ভোলায় সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় প্রস্তুত ৮৬৯টি আশ্রয়কেন্দ্র

আপডেট সময় ০৪:১২:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ মে ২০২৫

 

ভোলা: মে মাসের শেষদিকে সম্ভাব্য ঘূর্ণিঝড় শক্তি ও মন্থার আশঙ্কায় ভোলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৮৬৯টি আশ্রয়কেন্দ্র। এসব কেন্দ্রে আশ্রয় নিতে পারবে প্রায় চার লাখ ৪৪ হাজার মানুষ। এছাড়া প্রস্তুত রাখা হয়েছে দুর্যোগ মোকাবেলার জন্য প্রয়োজনীয় জনবল ও ত্রাণ সামগ্রী।

শনিবার (২৪ মে) সকাল ১০টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সভায় এসব তথ্য জানান ভোলা জেলা প্রশাসক মো. আজাদ জাহান। তার সভাপতিত্বে সভায় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন শাখা, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী ও স্বাস্থ্য বিভাগের শীর্ষ কর্মকর্তারা।

আরও পড়ুন  পাহাড় ধসের আশঙ্কায় বান্দরবানে ৬০টি রিসোর্ট বন্ধ, খোলা হয়েছে আশ্রয়কেন্দ্র

জেলা প্রশাসক জানান, ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় প্রস্তুত রাখা হয়েছে ৮৬৯টি আশ্রয়কেন্দ্র এবং ১৪টি কিল্লা। এসব কেন্দ্রে আশ্রয় নিতে পারবেন মোট চার লাখ ৪৪ হাজার ৩০০ জন। উদ্ধার ও সচেতনতা কার্যক্রমে নিযুক্ত থাকবে ১৩ হাজার ৮৬০ জন সিপিপি স্বেচ্ছাসেবক, ৯৮টি মেডিক্যাল টিম ও ২১টি পশু চিকিৎসা টিম।

ত্রাণ কার্যক্রমে ব্যবহারের জন্য মজুত রাখা হয়েছে এক হাজার ১৫ প্যাকেট শুকনো খাবার, ২৯১ মেট্রিক টন চাল, পাঁচ লাখ টাকার শিশুখাদ্য, পাঁচ লাখ টাকার পশুখাদ্য এবং পর্যাপ্ত ঢেউটিন।

ভোলার সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে চরফ্যাশন ও মনপুরা উপজেলার বিচ্ছিন্ন চরাঞ্চল। চরফ্যাশনের ঢালচরে সাত হাজার ৪৩৬ জন, কুকরি-মুকরিতে আট হাজার ৩৬২ জন ও মুজিবনগরে ১০ হাজার ৪০৪ জন বসবাস করে। অপরদিকে, মনপুরার কলাতলী চরে চার হাজার ২০০ জন, কাজির চরে তিন হাজার ১০০ জন, ঢালচরে ৪৫০ জন ও মহাজনকান্দিতে ১১০ জন মানুষ ঝুঁকির মুখে রয়েছে।

এই সব চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের ঘূর্ণিঝড়ের আগেই নিরাপদ আশ্রয়ে আনার সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে সভায় জানানো হয়। একইসঙ্গে দুর্যোগকালীন দ্রুত সাড়া দেওয়ার জন্য জেলার সকল সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর ছুটি বাতিল করা হয়েছে।

সভায় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. সোহান সরকার, সিভিল সার্জন ডা. মো. মনিরুল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।