ঢাকা ০৫:০৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগের খবর ভিত্তিহীন, দাবি প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের বক্স অফিসে ‘জেলার ২’-এর ঝড় আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফিলিস্তিনিদের জলপাই চুরির পক্ষে ইসরাইলি রাব্বির ফতোয়া ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের সুদিন ফেরাতে আর্থিক সহায়তার জোরালো দাবি স্যামির আইয়ুব বাচ্চুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে উৎসর্গ করে কন্সট্যান্টের ‘শেষ বিকেল’ সাজেক ফেরার পথে চাঁদের গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা, আহত ৭ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মুম্বাইয়ে তলব করলেন রুবিও, চরম বিতর্কে মোদি সরকার ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আখলাকিকে নিয়োগ দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব

ভারত-পাকিস্তান সেনা প্রত্যাহারে ঐকমত্য, শান্তি প্রক্রিয়ায় অগ্রগতি

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১১:৫৬:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ মে ২০২৫
  • / 670

ছবি: সংগৃহীত

 

ভারত ও পাকিস্তান সীমান্তে উত্তেজনা প্রশমনের লক্ষ্যে উভয় দেশ তাদের সেনাবাহিনীকে শান্তিকালীন অবস্থানে ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে। চলতি মাসের শেষের দিকে, অর্থাৎ ৩০ মে’র মধ্যে এই সেনা প্রত্যাহার কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছে পাকিস্তানের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ।

জিও নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উভয় দেশের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা বিশেষ করে সামরিক অভিযানের মহাপরিচালক (ডিজিএমও) এই সেনা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া পর্যায়ক্রমে সমন্বয় করছেন। বিষয়টি ঘিরে সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক গুরুত্ব আরোপ করা হচ্ছে, কারণ সম্প্রতি নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলওসি) ও আন্তর্জাতিক সীমান্ত ঘিরে চরম উত্তেজনার পর এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ শান্তি পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আরও পড়ুন  সিরিয়ায় মার্কিন সেনা উপস্থিতি: ট্রাম্প কি প্রত্যাহার করবেন?

এলওসি ও সীমান্তে দীর্ঘদিন ধরে সেনা উপস্থিতি এবং সামরিক তৎপরতার প্রেক্ষাপটে এই উদ্যোগকে ‘আস্থা তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ’ বলে উল্লেখ করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা জানান, “এটি যুদ্ধবিরতি কাঠামোর দ্বিতীয় পর্যায়ের অংশ। যুক্তরাষ্ট্রসহ একাধিক দেশের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে এই সমঝোতা সম্ভব হয়েছে।”

সূত্র আরও জানায়, সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তটি একাধিক স্তরে আলোচনার ফল। সীমান্তে দীর্ঘদিন ধরে চলা সামরিক প্রস্তুতি, নজরদারি এবং স্নায়ুযুদ্ধের আবহে দুই দেশের এ ধরনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক বিশ্লেষকরাও।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সিদ্ধান্ত শুধু সাময়িক উত্তেজনা হ্রাসেই নয়, ভবিষ্যতের সম্পর্ক উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। যদিও পূর্বেও একাধিকবার এমন শান্তি প্রচেষ্টা দেখা গেছে, এবার পরিস্থিতি কিছুটা ভিন্ন। কারণ, দুই দেশের সামরিক ও কূটনৈতিক মহলে এই সমঝোতা আনুষ্ঠানিক ও সক্রিয়ভাবে বাস্তবায়নের দিকে এগোচ্ছে।

এই প্রক্রিয়ার সফল বাস্তবায়ন ভবিষ্যতে বৃহত্তর শান্তি আলোচনার দ্বার খুলে দিতে পারে বলে আশাবাদী সংশ্লিষ্ট মহল। আন্তর্জাতিক মহলও দুই দেশের এ পদক্ষেপকে দক্ষিণ এশিয়ায় স্থিতিশীলতার জন্য একটি ইতিবাচক সূচনা হিসেবে দেখছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ভারত-পাকিস্তান সেনা প্রত্যাহারে ঐকমত্য, শান্তি প্রক্রিয়ায় অগ্রগতি

আপডেট সময় ১১:৫৬:১৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ মে ২০২৫

 

ভারত ও পাকিস্তান সীমান্তে উত্তেজনা প্রশমনের লক্ষ্যে উভয় দেশ তাদের সেনাবাহিনীকে শান্তিকালীন অবস্থানে ফিরিয়ে নেওয়ার সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে। চলতি মাসের শেষের দিকে, অর্থাৎ ৩০ মে’র মধ্যে এই সেনা প্রত্যাহার কার্যক্রম শুরু হবে বলে জানিয়েছে পাকিস্তানের প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম জিও নিউজ।

জিও নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, উভয় দেশের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা বিশেষ করে সামরিক অভিযানের মহাপরিচালক (ডিজিএমও) এই সেনা প্রত্যাহারের প্রক্রিয়া পর্যায়ক্রমে সমন্বয় করছেন। বিষয়টি ঘিরে সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক গুরুত্ব আরোপ করা হচ্ছে, কারণ সম্প্রতি নিয়ন্ত্রণ রেখা (এলওসি) ও আন্তর্জাতিক সীমান্ত ঘিরে চরম উত্তেজনার পর এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ শান্তি পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

আরও পড়ুন  ভারত হামলা করতে পারে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে, পাকিস্তানের গোয়েন্দা তথ্যের দাবি

এলওসি ও সীমান্তে দীর্ঘদিন ধরে সেনা উপস্থিতি এবং সামরিক তৎপরতার প্রেক্ষাপটে এই উদ্যোগকে ‘আস্থা তৈরির একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ’ বলে উল্লেখ করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন জ্যেষ্ঠ সরকারি কর্মকর্তা জানান, “এটি যুদ্ধবিরতি কাঠামোর দ্বিতীয় পর্যায়ের অংশ। যুক্তরাষ্ট্রসহ একাধিক দেশের কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে এই সমঝোতা সম্ভব হয়েছে।”

সূত্র আরও জানায়, সেনা প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তটি একাধিক স্তরে আলোচনার ফল। সীমান্তে দীর্ঘদিন ধরে চলা সামরিক প্রস্তুতি, নজরদারি এবং স্নায়ুযুদ্ধের আবহে দুই দেশের এ ধরনের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক বিশ্লেষকরাও।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এ সিদ্ধান্ত শুধু সাময়িক উত্তেজনা হ্রাসেই নয়, ভবিষ্যতের সম্পর্ক উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। যদিও পূর্বেও একাধিকবার এমন শান্তি প্রচেষ্টা দেখা গেছে, এবার পরিস্থিতি কিছুটা ভিন্ন। কারণ, দুই দেশের সামরিক ও কূটনৈতিক মহলে এই সমঝোতা আনুষ্ঠানিক ও সক্রিয়ভাবে বাস্তবায়নের দিকে এগোচ্ছে।

এই প্রক্রিয়ার সফল বাস্তবায়ন ভবিষ্যতে বৃহত্তর শান্তি আলোচনার দ্বার খুলে দিতে পারে বলে আশাবাদী সংশ্লিষ্ট মহল। আন্তর্জাতিক মহলও দুই দেশের এ পদক্ষেপকে দক্ষিণ এশিয়ায় স্থিতিশীলতার জন্য একটি ইতিবাচক সূচনা হিসেবে দেখছে।