ঢাকা ০১:০৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা ‎বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখতে গিয়ে নিখোঁজ যুবক, সকালে মিলল মরদেহ ‎আর্জেন্টিনার হার মেনে নিতে না পেরে দুই জনের মৃত্যু সীমান্তে ১০৯ কিমি কাঁটাতারের বেড়ার পরিকল্পনা সরকারের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কৌশলের ভুলে শিরোপা হারাল আর্জেন্টিনা; বিবিসির বিশ্লেষণ দিল্লিতে বিক্ষোভ ঘিরে সংঘর্ষ, ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ রিজেন্টের সেই সাহেদ ফের গ্রেপ্তার সচিব পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন

জুলাই-আগস্টে রক্তাক্ত সহিংসতায় প্রাণ হারিয়েছেন ১৫০০ জন : চিফ প্রসিকিউটর

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৩৩:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫
  • / 480

ছবি সংগৃহীত

 

গত বছরের জুলাই ও আগস্ট মাসে দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত নৃশংস সহিংসতার ঘটনায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ এনেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।

চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম এক বিবৃতিতে জানান, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের সময় সংঘটিত গণহত্যার ঘটনায় শেখ হাসিনার সরাসরি সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। তদন্তে শেখ হাসিনার একাধিক টেলিফোন কথোপকথনের সত্যতা মিলেছে, যেখানে তাকে রাষ্ট্রীয় বাহিনীগুলোকে কঠোর ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিতে শোনা গেছে।

আরও পড়ুন  প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তা নিশ্চিতে সচিবালয় ও আশপাশে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ ঘোষণা ডিএমপির

তদন্ত প্রতিবেদনে শেখ হাসিনাকে “মূল পরিকল্পনাকারী, নির্দেশদাতা ও সর্বোচ্চ দায়িত্বশীল” ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ওই সময়কার সহিংসতায় প্রায় ১৫০০ মানুষ নিহত ও ২৫ হাজারেরও বেশি আহত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এছাড়া শিশুদের হত্যা, নারীদের উপর নির্যাতন এবং আহতদের চিকিৎসায় বাধা দেওয়ার অভিযোগও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, নিহতদের দেহ লুকাতে অনেকক্ষেত্রে একত্রিত করে লাশ পোড়ানো হয়েছে। এমনকি শহীদদের ময়নাতদন্ত প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করা হয়েছে এবং চিকিৎসকদের নিরপেক্ষভাবে তথ্য প্রকাশ করতে বাধা দেওয়া হয়েছে।

তদন্ত সংস্থার আরও দাবি, সরকার নিজস্ব লোকদের দিয়ে বিভিন্ন সরকারি স্থাপনায় আগুন লাগিয়ে আন্দোলনকারীদের ওপর দোষ চাপানোর পরিকল্পনা করেছিল। এ বিষয়ে শেখ হাসিনার টেলিফোন কল রেকর্ডসহ একাধিক প্রমাণ দাখিল করা হয়েছে। এছাড়াও অসংখ্য ভিডিও, অডিও ফুটেজ এবং নিহতদের শরীরে পাওয়া বুলেটের কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।

তদন্তকারীরা জানান, বিভিন্ন হাসপাতালের চিকিৎসক ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা সরাসরি সাক্ষ্য দেবেন। তাদের নাম তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

সবশেষে তদন্ত সংস্থা জানায়, প্রাপ্ত প্রমাণ ও সাক্ষ্য-ভিত্তিতে বিচার কাজ দ্রুত সম্পন্ন হবে এবং “জুলাই-আগস্ট গণহত্যা”র বিচার অচিরেই শেষ করা হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

জুলাই-আগস্টে রক্তাক্ত সহিংসতায় প্রাণ হারিয়েছেন ১৫০০ জন : চিফ প্রসিকিউটর

আপডেট সময় ০২:৩৩:২৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫

 

গত বছরের জুলাই ও আগস্ট মাসে দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘটিত নৃশংস সহিংসতার ঘটনায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ এনেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।

চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম এক বিবৃতিতে জানান, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের সময় সংঘটিত গণহত্যার ঘটনায় শেখ হাসিনার সরাসরি সংশ্লিষ্টতা পাওয়া গেছে। তদন্তে শেখ হাসিনার একাধিক টেলিফোন কথোপকথনের সত্যতা মিলেছে, যেখানে তাকে রাষ্ট্রীয় বাহিনীগুলোকে কঠোর ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিতে শোনা গেছে।

আরও পড়ুন  বিভিন্ন স্থানে হাতবোমা বিস্ফোরণ,রাজধানীতে বাসে অগ্নিসংযোগ

তদন্ত প্রতিবেদনে শেখ হাসিনাকে “মূল পরিকল্পনাকারী, নির্দেশদাতা ও সর্বোচ্চ দায়িত্বশীল” ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ওই সময়কার সহিংসতায় প্রায় ১৫০০ মানুষ নিহত ও ২৫ হাজারেরও বেশি আহত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। এছাড়া শিশুদের হত্যা, নারীদের উপর নির্যাতন এবং আহতদের চিকিৎসায় বাধা দেওয়ার অভিযোগও প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, নিহতদের দেহ লুকাতে অনেকক্ষেত্রে একত্রিত করে লাশ পোড়ানো হয়েছে। এমনকি শহীদদের ময়নাতদন্ত প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপ করা হয়েছে এবং চিকিৎসকদের নিরপেক্ষভাবে তথ্য প্রকাশ করতে বাধা দেওয়া হয়েছে।

তদন্ত সংস্থার আরও দাবি, সরকার নিজস্ব লোকদের দিয়ে বিভিন্ন সরকারি স্থাপনায় আগুন লাগিয়ে আন্দোলনকারীদের ওপর দোষ চাপানোর পরিকল্পনা করেছিল। এ বিষয়ে শেখ হাসিনার টেলিফোন কল রেকর্ডসহ একাধিক প্রমাণ দাখিল করা হয়েছে। এছাড়াও অসংখ্য ভিডিও, অডিও ফুটেজ এবং নিহতদের শরীরে পাওয়া বুলেটের কথাও প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।

তদন্তকারীরা জানান, বিভিন্ন হাসপাতালের চিকিৎসক ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা সরাসরি সাক্ষ্য দেবেন। তাদের নাম তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

সবশেষে তদন্ত সংস্থা জানায়, প্রাপ্ত প্রমাণ ও সাক্ষ্য-ভিত্তিতে বিচার কাজ দ্রুত সম্পন্ন হবে এবং “জুলাই-আগস্ট গণহত্যা”র বিচার অচিরেই শেষ করা হবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।