ঢাকা ১১:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম সফরে যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:১৮:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫
  • / 417

ছবি সংগৃহীত

 

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস তাঁর দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম সফরে যাচ্ছেন। আগামীকাল বুধবার নিজ জন্মভূমি চট্টগ্রামে দিনব্যাপী কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি।

প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেসসচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এক বিবৃতিতে জানান, ড. ইউনূস চট্টগ্রামে পৌঁছে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন। সফরের শুরুতেই তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পঞ্চম সমাবর্তনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন।

আরও পড়ুন  চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও আশপাশের এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি

এরপর তিনি হাটহাজারী উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের বাথুয়া গ্রামে অবস্থিত তাঁর পৈতৃক বাড়ি পরিদর্শন করবেন। দীর্ঘদিন পর নিজের শিকড়ের মাটিতে ফিরে যাওয়ার এই সফরটি তার জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সফরের আরেক গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে তিনি চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শন করবেন। বন্দরের অভ্যন্তরে এনসিটি-৫ প্রাঙ্গণে একটি বিশেষ সভায় অংশ নেবেন, যেখানে তিনি বন্দর ও জাহাজ চলাচল খাতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বন্দর ব্যবহারকারী সংগঠন ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।

প্রধান উপদেষ্টা পরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে যাবেন। সেখান থেকে তিনি কর্ণফুলী নদীর ওপর কালুরঘাট সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর উন্মোচন করবেন। বহুপ্রতীক্ষিত এই সেতু দক্ষিণ চট্টগ্রামের পটিয়া ও বোয়ালখালী উপজেলার মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।

চট্টগ্রামে ড. ইউনূসের এই সফর রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও ব্যক্তিগত তিনটি মাত্রাতেই গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর আগমনকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারি প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দারাও এই সফরকে কেন্দ্র করে আগ্রহভরে অপেক্ষা করছেন।

এই সফর শুধু একটি কর্মসূচি নয়, বরং দেশের এক গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচনের প্রতীক বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম সফরে যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০২:১৮:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫

 

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস তাঁর দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম সফরে যাচ্ছেন। আগামীকাল বুধবার নিজ জন্মভূমি চট্টগ্রামে দিনব্যাপী কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি।

প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেসসচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এক বিবৃতিতে জানান, ড. ইউনূস চট্টগ্রামে পৌঁছে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন। সফরের শুরুতেই তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পঞ্চম সমাবর্তনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন।

আরও পড়ুন  প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে হেফাজতের বৈঠক: নীতিগত আলোচনা

এরপর তিনি হাটহাজারী উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের বাথুয়া গ্রামে অবস্থিত তাঁর পৈতৃক বাড়ি পরিদর্শন করবেন। দীর্ঘদিন পর নিজের শিকড়ের মাটিতে ফিরে যাওয়ার এই সফরটি তার জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সফরের আরেক গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে তিনি চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শন করবেন। বন্দরের অভ্যন্তরে এনসিটি-৫ প্রাঙ্গণে একটি বিশেষ সভায় অংশ নেবেন, যেখানে তিনি বন্দর ও জাহাজ চলাচল খাতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বন্দর ব্যবহারকারী সংগঠন ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।

প্রধান উপদেষ্টা পরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে যাবেন। সেখান থেকে তিনি কর্ণফুলী নদীর ওপর কালুরঘাট সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর উন্মোচন করবেন। বহুপ্রতীক্ষিত এই সেতু দক্ষিণ চট্টগ্রামের পটিয়া ও বোয়ালখালী উপজেলার মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।

চট্টগ্রামে ড. ইউনূসের এই সফর রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও ব্যক্তিগত তিনটি মাত্রাতেই গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর আগমনকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারি প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দারাও এই সফরকে কেন্দ্র করে আগ্রহভরে অপেক্ষা করছেন।

এই সফর শুধু একটি কর্মসূচি নয়, বরং দেশের এক গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচনের প্রতীক বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।