ঢাকা ০৬:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইরানকে চিরতরে দমানোর ছক করছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল ঃ হাকান ফিদান শেয়ারবাজার কারসাজি: সাকিবসহ ১৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত প্রতিবেদন পেছাল ইরান সমঝোতার জন্য প্রস্তুত থাকা সত্ত্বেও তাদের ওপর যুদ্ধ চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। নওগাঁ আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে বিএনপির একচেটিয়া জয়, শূন্য হাতে জামায়াত শাহজালাল বিমানবন্দরে চারদিনে ১৪৭ ফ্লাইট বাতিল দুদকে পরিবর্তন, চেয়ারম্যান-কমিশনারদের পদত্যাগ পলিটেকনিকে সংঘর্ষ: রক্তের ‘বদলা’ নেওয়ার হুঁশিয়ারি ছাত্রদল সভাপতির বিলবোর্ড ও ব্যানার থেকে নিজের ছবি সরানোর নির্দেশ: প্রধানমন্ত্রী বলিভিয়া: আন্দেসের হৃদয়ে লুকানো বৈচিত্র্যময় দেশ মধ্যপ্রাচ্যের ১৫ দেশ ছাড়ার জরুরি নির্দেশ দিল যুক্তরাষ্ট্র

দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম সফরে যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:১৮:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫
  • / 140

ছবি সংগৃহীত

 

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস তাঁর দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম সফরে যাচ্ছেন। আগামীকাল বুধবার নিজ জন্মভূমি চট্টগ্রামে দিনব্যাপী কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি।

প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেসসচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এক বিবৃতিতে জানান, ড. ইউনূস চট্টগ্রামে পৌঁছে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন। সফরের শুরুতেই তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পঞ্চম সমাবর্তনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন।

আরও পড়ুন  চট্টগ্রামের অন্যতম শীর্ষ সন্ত্রাসী ছোট সাজ্জাদ ঢাকায় গ্রেপ্তার 

এরপর তিনি হাটহাজারী উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের বাথুয়া গ্রামে অবস্থিত তাঁর পৈতৃক বাড়ি পরিদর্শন করবেন। দীর্ঘদিন পর নিজের শিকড়ের মাটিতে ফিরে যাওয়ার এই সফরটি তার জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সফরের আরেক গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে তিনি চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শন করবেন। বন্দরের অভ্যন্তরে এনসিটি-৫ প্রাঙ্গণে একটি বিশেষ সভায় অংশ নেবেন, যেখানে তিনি বন্দর ও জাহাজ চলাচল খাতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বন্দর ব্যবহারকারী সংগঠন ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।

প্রধান উপদেষ্টা পরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে যাবেন। সেখান থেকে তিনি কর্ণফুলী নদীর ওপর কালুরঘাট সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর উন্মোচন করবেন। বহুপ্রতীক্ষিত এই সেতু দক্ষিণ চট্টগ্রামের পটিয়া ও বোয়ালখালী উপজেলার মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।

চট্টগ্রামে ড. ইউনূসের এই সফর রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও ব্যক্তিগত তিনটি মাত্রাতেই গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর আগমনকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারি প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দারাও এই সফরকে কেন্দ্র করে আগ্রহভরে অপেক্ষা করছেন।

এই সফর শুধু একটি কর্মসূচি নয়, বরং দেশের এক গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচনের প্রতীক বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম সফরে যাচ্ছেন প্রধান উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০২:১৮:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫

 

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস তাঁর দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম সফরে যাচ্ছেন। আগামীকাল বুধবার নিজ জন্মভূমি চট্টগ্রামে দিনব্যাপী কর্মসূচিতে অংশ নেবেন তিনি।

প্রধান উপদেষ্টার উপ-প্রেসসচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার এক বিবৃতিতে জানান, ড. ইউনূস চট্টগ্রামে পৌঁছে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন। সফরের শুরুতেই তিনি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পঞ্চম সমাবর্তনে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন।

আরও পড়ুন  চট্টগ্রামে পুলিশের সঙ্গে রিকশাচালকদের সংঘর্ষ

এরপর তিনি হাটহাজারী উপজেলার শিকারপুর ইউনিয়নের বাথুয়া গ্রামে অবস্থিত তাঁর পৈতৃক বাড়ি পরিদর্শন করবেন। দীর্ঘদিন পর নিজের শিকড়ের মাটিতে ফিরে যাওয়ার এই সফরটি তার জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সফরের আরেক গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে তিনি চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শন করবেন। বন্দরের অভ্যন্তরে এনসিটি-৫ প্রাঙ্গণে একটি বিশেষ সভায় অংশ নেবেন, যেখানে তিনি বন্দর ও জাহাজ চলাচল খাতের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, বন্দর ব্যবহারকারী সংগঠন ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।

প্রধান উপদেষ্টা পরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে যাবেন। সেখান থেকে তিনি কর্ণফুলী নদীর ওপর কালুরঘাট সেতুর ভিত্তিপ্রস্তর উন্মোচন করবেন। বহুপ্রতীক্ষিত এই সেতু দক্ষিণ চট্টগ্রামের পটিয়া ও বোয়ালখালী উপজেলার মানুষের যোগাযোগ ব্যবস্থায় যুগান্তকারী পরিবর্তন আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।

চট্টগ্রামে ড. ইউনূসের এই সফর রাজনৈতিক, প্রশাসনিক ও ব্যক্তিগত তিনটি মাত্রাতেই গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর আগমনকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারি প্রশাসনের পাশাপাশি স্থানীয় বাসিন্দারাও এই সফরকে কেন্দ্র করে আগ্রহভরে অপেক্ষা করছেন।

এই সফর শুধু একটি কর্মসূচি নয়, বরং দেশের এক গুরুত্বপূর্ণ অঞ্চলের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচনের প্রতীক বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।