ঢাকা ০১:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান মেসিকে ছাড়াই দেশে টিম আর্জেন্টিনা, লাল গালিচায় উষ্ণ অভ্যর্থনা সাতক্ষীরায় শিশুর মরদেহ আলমারি থেকে উদ্ধার, গণপিটুনিতে নিহত অভিযুক্ত নারী ইরানে টানা মার্কিন হামলার দশম দিন, পাল্টা হামলা কুয়েতে দাবি ইরানের ১৯ জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির শঙ্কা, নদীবন্দরে ১ নম্বর সংকেত ‎নরেন্দ্র মোদি বিক্ষোভের মুখে সংসদ ছাড়লেন, রণক্ষেত্র দিল্লিতে ‎মার্কিন ঘাঁটিগুলো লক্ষ্য করে ইরানের পাল্টা হামলার দাবি ‎আজ রাতেও বজ্রবৃষ্টির পূর্বাভাস, ১৬ অঞ্চলে দমকা হাওয়ার সতর্কতা

স্বল্প-পাল্লার ‘আবদালি’ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালালো পাকিস্তান

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:২৪:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ মে ২০২৫
  • / 388

ছবি সংগৃহীত

 

পাকিস্তান তার স্বল্প-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘আবদালি’র সফল পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে। এই মিসাইলটি ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য এবং এটি পারমাণবিক ও প্রচলিত উভয় ধরনের অস্ত্র বহনে সক্ষম।

সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়, ‘হাতফ-২ আবদালি’ নামের এই ক্ষেপণাস্ত্র পাকিস্তানের সামরিক সক্ষমতার অংশ হিসেবে যুক্ত হয়েছে। এটি দ্রুত প্রতিক্রিয়া দিতে সক্ষম এবং তাৎক্ষণিক সামরিক হুমকি মোকাবিলায় কার্যকর।

আরও পড়ুন  ভয়াবহ বন্যার পর এবার কলেরার ঝুঁকিতে পাকিস্তান

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা খাতের গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা NESCOM (National Engineering and Scientific Commission) এই ক্ষেপণাস্ত্রটি তৈরি করেছে। মূলত দেশটির ঘনবসতিপূর্ণ সীমান্তবর্তী অঞ্চলে তাৎক্ষণিক প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করতে এটি নির্মিত হয়েছে।

আবদালি ক্ষেপণাস্ত্রের মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:

এই মিসাইলের সর্বোচ্চ পরিসর প্রায় ১৮০ থেকে ২০০ কিলোমিটার, যা একে স্বল্প-পাল্লার ব্যালিস্টিক মিসাইল হিসেবে পরিচিত করে তোলে। এটি ভূমি থেকে ভূমিতে লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সক্ষম। ক্ষেপণাস্ত্রটি পারমাণবিক এবং প্রচলিত দুই ধরনের ওয়ারহেড বহন করতে পারে, যা একে একটি কৌশলগত অস্ত্র হিসেবে গুরত্বপূর্ণ করে তুলেছে।

পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, এই পরীক্ষা দেশটির কৌশলগত প্রস্তুতির অংশ এবং এটি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে। দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে এমন প্রযুক্তি নির্ভর অস্ত্র ব্যবস্থার উন্নয়ন অপরিহার্য বলে মনে করছে ইসলামাবাদ।

সাম্প্রতিক সময়ে দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং প্রতিবেশী দেশের সাথে উত্তেজনার মধ্যে এই পরীক্ষাকে কৌশলগত বার্তা হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ভারতের প্রতিরক্ষা শক্তির বিপরীতে পাকিস্তান এমন মিসাইল পরীক্ষার মাধ্যমে নিজের সামরিক সক্ষমতা তুলে ধরতে চাচ্ছে। আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্য রক্ষায় এটি একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ।

এছাড়া, ‘আবদালি’ ক্ষেপণাস্ত্রের দ্রুত মোতায়েনযোগ্যতা ও স্বল্প সময়ে আঘাত হানার সক্ষমতা একে আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে কার্যকর অস্ত্রে পরিণত করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

এই পরীক্ষার মাধ্যমে পাকিস্তান তার প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে আবারও আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণ করলো।

নিউজটি শেয়ার করুন

স্বল্প-পাল্লার ‘আবদালি’ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালালো পাকিস্তান

আপডেট সময় ০৭:২৪:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ মে ২০২৫

 

পাকিস্তান তার স্বল্প-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘আবদালি’র সফল পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে। এই মিসাইলটি ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য এবং এটি পারমাণবিক ও প্রচলিত উভয় ধরনের অস্ত্র বহনে সক্ষম।

সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়, ‘হাতফ-২ আবদালি’ নামের এই ক্ষেপণাস্ত্র পাকিস্তানের সামরিক সক্ষমতার অংশ হিসেবে যুক্ত হয়েছে। এটি দ্রুত প্রতিক্রিয়া দিতে সক্ষম এবং তাৎক্ষণিক সামরিক হুমকি মোকাবিলায় কার্যকর।

আরও পড়ুন  মঞ্চ প্রস্তুত, আজ ফাইনাল মুখোমুখি হচ্ছে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা খাতের গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা NESCOM (National Engineering and Scientific Commission) এই ক্ষেপণাস্ত্রটি তৈরি করেছে। মূলত দেশটির ঘনবসতিপূর্ণ সীমান্তবর্তী অঞ্চলে তাৎক্ষণিক প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করতে এটি নির্মিত হয়েছে।

আবদালি ক্ষেপণাস্ত্রের মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:

এই মিসাইলের সর্বোচ্চ পরিসর প্রায় ১৮০ থেকে ২০০ কিলোমিটার, যা একে স্বল্প-পাল্লার ব্যালিস্টিক মিসাইল হিসেবে পরিচিত করে তোলে। এটি ভূমি থেকে ভূমিতে লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সক্ষম। ক্ষেপণাস্ত্রটি পারমাণবিক এবং প্রচলিত দুই ধরনের ওয়ারহেড বহন করতে পারে, যা একে একটি কৌশলগত অস্ত্র হিসেবে গুরত্বপূর্ণ করে তুলেছে।

পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, এই পরীক্ষা দেশটির কৌশলগত প্রস্তুতির অংশ এবং এটি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে। দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে এমন প্রযুক্তি নির্ভর অস্ত্র ব্যবস্থার উন্নয়ন অপরিহার্য বলে মনে করছে ইসলামাবাদ।

সাম্প্রতিক সময়ে দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং প্রতিবেশী দেশের সাথে উত্তেজনার মধ্যে এই পরীক্ষাকে কৌশলগত বার্তা হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ভারতের প্রতিরক্ষা শক্তির বিপরীতে পাকিস্তান এমন মিসাইল পরীক্ষার মাধ্যমে নিজের সামরিক সক্ষমতা তুলে ধরতে চাচ্ছে। আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্য রক্ষায় এটি একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ।

এছাড়া, ‘আবদালি’ ক্ষেপণাস্ত্রের দ্রুত মোতায়েনযোগ্যতা ও স্বল্প সময়ে আঘাত হানার সক্ষমতা একে আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে কার্যকর অস্ত্রে পরিণত করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

এই পরীক্ষার মাধ্যমে পাকিস্তান তার প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে আবারও আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণ করলো।