ঢাকা ০১:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
পদত্যাগের পর হাসিমুখে পূজামণ্ডপে ইশরাক সৌদি আরবে নিহত নুরুল হকের পরিবার পেলেন ক্ষতিপূরণ বিচ্ছেদের পর নতুন রূপে শেহতাজ রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইলেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আতাউর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা কমছে নেতানিয়াহুর, খুঁজছেন নতুন মিত্র সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুজনের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে পাঁচ বিষয়ে অগ্রাধিকার ববি হাজ্জাজের নিজ সন্তানের জন্য হলেও ঢাকা পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, তথ্যের ঘাটতি ছিল

স্বল্প-পাল্লার ‘আবদালি’ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালালো পাকিস্তান

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:২৪:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ মে ২০২৫
  • / 542

ছবি সংগৃহীত

 

পাকিস্তান তার স্বল্প-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘আবদালি’র সফল পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে। এই মিসাইলটি ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য এবং এটি পারমাণবিক ও প্রচলিত উভয় ধরনের অস্ত্র বহনে সক্ষম।

সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়, ‘হাতফ-২ আবদালি’ নামের এই ক্ষেপণাস্ত্র পাকিস্তানের সামরিক সক্ষমতার অংশ হিসেবে যুক্ত হয়েছে। এটি দ্রুত প্রতিক্রিয়া দিতে সক্ষম এবং তাৎক্ষণিক সামরিক হুমকি মোকাবিলায় কার্যকর।

আরও পড়ুন  রাশিয়া আমেরিকান হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরিকল্পনা চুরি করেছে: দাবি ডোনাল্ড ট্রাম্পের

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা খাতের গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা NESCOM (National Engineering and Scientific Commission) এই ক্ষেপণাস্ত্রটি তৈরি করেছে। মূলত দেশটির ঘনবসতিপূর্ণ সীমান্তবর্তী অঞ্চলে তাৎক্ষণিক প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করতে এটি নির্মিত হয়েছে।

আবদালি ক্ষেপণাস্ত্রের মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:

এই মিসাইলের সর্বোচ্চ পরিসর প্রায় ১৮০ থেকে ২০০ কিলোমিটার, যা একে স্বল্প-পাল্লার ব্যালিস্টিক মিসাইল হিসেবে পরিচিত করে তোলে। এটি ভূমি থেকে ভূমিতে লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সক্ষম। ক্ষেপণাস্ত্রটি পারমাণবিক এবং প্রচলিত দুই ধরনের ওয়ারহেড বহন করতে পারে, যা একে একটি কৌশলগত অস্ত্র হিসেবে গুরত্বপূর্ণ করে তুলেছে।

পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, এই পরীক্ষা দেশটির কৌশলগত প্রস্তুতির অংশ এবং এটি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে। দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে এমন প্রযুক্তি নির্ভর অস্ত্র ব্যবস্থার উন্নয়ন অপরিহার্য বলে মনে করছে ইসলামাবাদ।

সাম্প্রতিক সময়ে দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং প্রতিবেশী দেশের সাথে উত্তেজনার মধ্যে এই পরীক্ষাকে কৌশলগত বার্তা হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ভারতের প্রতিরক্ষা শক্তির বিপরীতে পাকিস্তান এমন মিসাইল পরীক্ষার মাধ্যমে নিজের সামরিক সক্ষমতা তুলে ধরতে চাচ্ছে। আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্য রক্ষায় এটি একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ।

এছাড়া, ‘আবদালি’ ক্ষেপণাস্ত্রের দ্রুত মোতায়েনযোগ্যতা ও স্বল্প সময়ে আঘাত হানার সক্ষমতা একে আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে কার্যকর অস্ত্রে পরিণত করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

এই পরীক্ষার মাধ্যমে পাকিস্তান তার প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে আবারও আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণ করলো।

নিউজটি শেয়ার করুন

স্বল্প-পাল্লার ‘আবদালি’ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষা চালালো পাকিস্তান

আপডেট সময় ০৭:২৪:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ মে ২০২৫

 

পাকিস্তান তার স্বল্প-পাল্লার ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ‘আবদালি’র সফল পরীক্ষা সম্পন্ন করেছে। এই মিসাইলটি ভূমি থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য এবং এটি পারমাণবিক ও প্রচলিত উভয় ধরনের অস্ত্র বহনে সক্ষম।

সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়, ‘হাতফ-২ আবদালি’ নামের এই ক্ষেপণাস্ত্র পাকিস্তানের সামরিক সক্ষমতার অংশ হিসেবে যুক্ত হয়েছে। এটি দ্রুত প্রতিক্রিয়া দিতে সক্ষম এবং তাৎক্ষণিক সামরিক হুমকি মোকাবিলায় কার্যকর।

আরও পড়ুন  "ইরান চায় চীন-পাকিস্তান সিল্ক রোডে যুক্ত হতে: প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান"

পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা খাতের গবেষণা ও উন্নয়ন সংস্থা NESCOM (National Engineering and Scientific Commission) এই ক্ষেপণাস্ত্রটি তৈরি করেছে। মূলত দেশটির ঘনবসতিপূর্ণ সীমান্তবর্তী অঞ্চলে তাৎক্ষণিক প্রতিরক্ষা নিশ্চিত করতে এটি নির্মিত হয়েছে।

আবদালি ক্ষেপণাস্ত্রের মূল বৈশিষ্ট্যসমূহ:

এই মিসাইলের সর্বোচ্চ পরিসর প্রায় ১৮০ থেকে ২০০ কিলোমিটার, যা একে স্বল্প-পাল্লার ব্যালিস্টিক মিসাইল হিসেবে পরিচিত করে তোলে। এটি ভূমি থেকে ভূমিতে লক্ষ্যবস্তুতে নিখুঁতভাবে আঘাত হানতে সক্ষম। ক্ষেপণাস্ত্রটি পারমাণবিক এবং প্রচলিত দুই ধরনের ওয়ারহেড বহন করতে পারে, যা একে একটি কৌশলগত অস্ত্র হিসেবে গুরত্বপূর্ণ করে তুলেছে।

পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, এই পরীক্ষা দেশটির কৌশলগত প্রস্তুতির অংশ এবং এটি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করবে। দেশের সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা বজায় রাখতে এমন প্রযুক্তি নির্ভর অস্ত্র ব্যবস্থার উন্নয়ন অপরিহার্য বলে মনে করছে ইসলামাবাদ।

সাম্প্রতিক সময়ে দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং প্রতিবেশী দেশের সাথে উত্তেজনার মধ্যে এই পরীক্ষাকে কৌশলগত বার্তা হিসেবেও দেখা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ভারতের প্রতিরক্ষা শক্তির বিপরীতে পাকিস্তান এমন মিসাইল পরীক্ষার মাধ্যমে নিজের সামরিক সক্ষমতা তুলে ধরতে চাচ্ছে। আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্য রক্ষায় এটি একটি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ।

এছাড়া, ‘আবদালি’ ক্ষেপণাস্ত্রের দ্রুত মোতায়েনযোগ্যতা ও স্বল্প সময়ে আঘাত হানার সক্ষমতা একে আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রে কার্যকর অস্ত্রে পরিণত করেছে বলে মনে করা হচ্ছে।

এই পরীক্ষার মাধ্যমে পাকিস্তান তার প্রতিরক্ষা সক্ষমতা নিয়ে আবারও আন্তর্জাতিক মনোযোগ আকর্ষণ করলো।