ঢাকা ০৬:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার যুক্তরাজ্যের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানালেন তারেক রহমান

সড়ক আন্দোলনে যড়যন্ত্র মামলায় বিএনপির আমির খসরুসহ পাঁচজন খালাস

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:২৮:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৫
  • / 405

ছবি সংগৃহীত

 

বিশেষ ক্ষমতা আইনের অধীনে দায়ের করা নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে যড়যন্ত্রের অভিযোগে শাহবাগ থানার মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ পাঁচজনকে খালাস দিয়েছেন আদালত। আজ রবিবার ঢাকার বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১৪ এর বিচারক মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক এ রায় ঘোষণা করেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য চারজন হলেন- ব্যারিস্টার মিলহানুর রহমান নাওমী, মো. রফিকুল ইসলাম নয়ন, হাবিবুর রহমান হাবিব ও রবিউল ইসলাম রবি।

আরও পড়ুন  নেতিবাচক সংসদীয় সংস্কৃতি বদলাতে চায় বিএনপি: সালাহউদ্দিন

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ২৯ জুলাই রাজধানীর কুর্মিটোলায় বাসচাপায় শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের দুই শিক্ষার্থী দিয়া খানম মিম ও আবদুল করিম রাজিবের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। এ ঘটনার পর নিরাপদ সড়কের দাবিতে সড়কে নামে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা।

ছাত্র আন্দোলনের সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমির খসরুর একটি কথিত ফোনালাপ ভাইরাল হয়। এই ফোনালাপে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে, ২০১৮ সালের ৫ আগস্ট শাহবাগ থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করেন ডিবির তৎকালীন পল্লবী জোনের উপপরিদর্শক মো. শামীম আহমেদ।

মামলায় আমির খসরু ও ব্যারিস্টার মিলহানুর রহমান নাওমীর নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে আসামি করা হয়। অভিযোগ ছিল, ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মাধ্যমে ছাত্র আন্দোলনে উস্কানি ও রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রমে অংশগ্রহণের জন্য বিশেষ ক্ষমতা আইনে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

মামলার তদন্ত শেষে ২০২০ সালের ২৫ জানুয়ারি ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মো. আনিসুর রহমান আমির খসরুসহ পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

পরে ২০২২ সালের ১৯ জানুয়ারি ঢাকার বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১৪ এর বিচারক ফাতিমা ইমরোজ ক্ষণিমা অভিযোগ গঠন করে আসামিদের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন।

তবে দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত আজ রায় ঘোষণা করে সকল আসামিকে অভিযোগ থেকে মুক্তি দেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

সড়ক আন্দোলনে যড়যন্ত্র মামলায় বিএনপির আমির খসরুসহ পাঁচজন খালাস

আপডেট সময় ০২:২৮:২১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৫

 

বিশেষ ক্ষমতা আইনের অধীনে দায়ের করা নিরাপদ সড়ক আন্দোলনে যড়যন্ত্রের অভিযোগে শাহবাগ থানার মামলায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীসহ পাঁচজনকে খালাস দিয়েছেন আদালত। আজ রবিবার ঢাকার বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১৪ এর বিচারক মো. জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক এ রায় ঘোষণা করেন।

খালাসপ্রাপ্ত অন্য চারজন হলেন- ব্যারিস্টার মিলহানুর রহমান নাওমী, মো. রফিকুল ইসলাম নয়ন, হাবিবুর রহমান হাবিব ও রবিউল ইসলাম রবি।

আরও পড়ুন  সাত বছর পর আজ বিএনপির বর্ধিত সভা: তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতে গঠন হবে নির্বাচনী পরিকল্পনা

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৮ সালের ২৯ জুলাই রাজধানীর কুর্মিটোলায় বাসচাপায় শহীদ রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট স্কুল অ্যান্ড কলেজের দুই শিক্ষার্থী দিয়া খানম মিম ও আবদুল করিম রাজিবের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। এ ঘটনার পর নিরাপদ সড়কের দাবিতে সড়কে নামে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা।

ছাত্র আন্দোলনের সময় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমির খসরুর একটি কথিত ফোনালাপ ভাইরাল হয়। এই ফোনালাপে রাষ্ট্রবিরোধী ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলে, ২০১৮ সালের ৫ আগস্ট শাহবাগ থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করেন ডিবির তৎকালীন পল্লবী জোনের উপপরিদর্শক মো. শামীম আহমেদ।

মামলায় আমির খসরু ও ব্যারিস্টার মিলহানুর রহমান নাওমীর নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা ৪০০ থেকে ৫০০ জনকে আসামি করা হয়। অভিযোগ ছিল, ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মাধ্যমে ছাত্র আন্দোলনে উস্কানি ও রাষ্ট্রবিরোধী কার্যক্রমে অংশগ্রহণের জন্য বিশেষ ক্ষমতা আইনে তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়।

মামলার তদন্ত শেষে ২০২০ সালের ২৫ জানুয়ারি ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মো. আনিসুর রহমান আমির খসরুসহ পাঁচজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।

পরে ২০২২ সালের ১৯ জানুয়ারি ঢাকার বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১৪ এর বিচারক ফাতিমা ইমরোজ ক্ষণিমা অভিযোগ গঠন করে আসামিদের বিরুদ্ধে বিচার শুরুর নির্দেশ দেন।

তবে দীর্ঘ শুনানি শেষে আদালত আজ রায় ঘোষণা করে সকল আসামিকে অভিযোগ থেকে মুক্তি দেন।