ঢাকা ১০:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
বিচ্ছেদের পর নতুন রূপে শেহতাজ রোহিঙ্গাদের ফেরাতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা চাইলেন ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব আতাউর রহমান যুক্তরাষ্ট্রের ওপর আস্থা কমছে নেতানিয়াহুর, খুঁজছেন নতুন মিত্র সৌদিতে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুজনের মরদেহ দেশে আনার প্রক্রিয়া চলছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী প্রাথমিক শিক্ষা সংস্কারে পাঁচ বিষয়ে অগ্রাধিকার ববি হাজ্জাজের নিজ সন্তানের জন্য হলেও ঢাকা পরিচ্ছন্ন রাখুন: প্রধানমন্ত্রী সৌদিতে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, তথ্যের ঘাটতি ছিল মিডিয়ায় আমাকে টার্গেট করা হয়েছে, বললেন ইশরাক মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাগের ঘোষণা ইশরাকের, প্রধানমন্ত্রীর কাছে জমা দিলেন পদত্যাগপত্র

দ্বিতীয় পদ্মা ও যমুনা সেতুসহ ৩ মেগা প্রকল্পের মহাপরিকল্পনা সরকারের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৪৫:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬
  • / 213

ছবি: সংগৃহীত

 

বিএনপির নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ২০৩২ সালের মধ্যে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু, ২০৩৩ সালে দ্বিতীয় যমুনা সেতু এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের বিশাল পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। সম্প্রতি সেতু বিভাগ ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রাক্কলন ও পরবর্তী অর্থবছরগুলোর সম্ভাব্য ব্যয় নিয়ে আলোচনায় এই মেগা প্রকল্পগুলোর রূপরেখা তুলে ধরা হয়।

সেতু বিভাগ জানিয়েছে, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া এলাকায় দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণের প্রাথমিক সমীক্ষা শুরু হয়েছে। প্রায় ৪.৯ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সেতুটি নির্মিত হলে রাজধানী ঢাকার সাথে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল, মোংলা সমুদ্রবন্দর এবং বেনাপোল ও দর্শনা স্থলবন্দরের সরাসরি যোগাযোগ আরও সহজ হবে। অন্যদিকে, যমুনা সেতুর সংযোগ সড়কগুলো ছয় লেনে উন্নীত হওয়ায় সেতুর সংকীর্ণতা দূর করতে একটি বিকল্প সেতু নির্মাণ জরুরি হয়ে পড়েছে। এই লক্ষে বগুড়া-জামালপুর করিডোর অথবা গাইবান্ধার বালাসী ঘাট থেকে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ ঘাট পর্যন্ত সম্ভাব্য রুটে সমীক্ষা চলছে। ২০৩৩ সালের মধ্যে এই প্রকল্পের কাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  সাত বছর পর আজ বিএনপির বর্ধিত সভা: তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতে গঠন হবে নির্বাচনী পরিকল্পনা

দেশের অর্থনীতির ‘লাইফলাইন’ হিসেবে পরিচিত ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে যানবাহনের ক্রমবর্ধমান চাপ সামলাতে একটি অত্যাধুনিক এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা করছে সেতু বিভাগ। দ্রুতগতিতে পণ্য ও যাত্রী পরিবহন নিশ্চিত করতে এই এক্সপ্রেসওয়েটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এটি আউটার রিং সার্কুলারের মাধ্যমে মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে, যা দেশের পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলের মধ্যে একটি সমন্বিত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলবে।

বর্তমানে সেতু বিভাগের অধীনে ছোট-বড় মোট ৫৭টি প্রকল্প চলমান ও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, যার সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১২ লাখ ৯৬ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য পাঁচটি খাতকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে, যার মধ্যে বড় সেতু, টানেল ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ এবং ভূমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন অন্যতম। বর্তমানে ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে এবং পঞ্চবটি-মুক্তারপুর দোতলা রাস্তা নির্মাণের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলোর কাজ চলমান রয়েছে যা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতিশীলতা আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

দ্বিতীয় পদ্মা ও যমুনা সেতুসহ ৩ মেগা প্রকল্পের মহাপরিকল্পনা সরকারের

আপডেট সময় ০৭:৪৫:১৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

 

বিএনপির নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ২০৩২ সালের মধ্যে দ্বিতীয় পদ্মা সেতু, ২০৩৩ সালে দ্বিতীয় যমুনা সেতু এবং ঢাকা-চট্টগ্রাম এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের বিশাল পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। সম্প্রতি সেতু বিভাগ ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রাক্কলন ও পরবর্তী অর্থবছরগুলোর সম্ভাব্য ব্যয় নিয়ে আলোচনায় এই মেগা প্রকল্পগুলোর রূপরেখা তুলে ধরা হয়।

সেতু বিভাগ জানিয়েছে, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া এলাকায় দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণের প্রাথমিক সমীক্ষা শুরু হয়েছে। প্রায় ৪.৯ কিলোমিটার দীর্ঘ এই সেতুটি নির্মিত হলে রাজধানী ঢাকার সাথে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল, মোংলা সমুদ্রবন্দর এবং বেনাপোল ও দর্শনা স্থলবন্দরের সরাসরি যোগাযোগ আরও সহজ হবে। অন্যদিকে, যমুনা সেতুর সংযোগ সড়কগুলো ছয় লেনে উন্নীত হওয়ায় সেতুর সংকীর্ণতা দূর করতে একটি বিকল্প সেতু নির্মাণ জরুরি হয়ে পড়েছে। এই লক্ষে বগুড়া-জামালপুর করিডোর অথবা গাইবান্ধার বালাসী ঘাট থেকে জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ ঘাট পর্যন্ত সম্ভাব্য রুটে সমীক্ষা চলছে। ২০৩৩ সালের মধ্যে এই প্রকল্পের কাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন  সাত বছর পর আজ বিএনপির বর্ধিত সভা: তৃণমূলের মতামতের ভিত্তিতে গঠন হবে নির্বাচনী পরিকল্পনা

দেশের অর্থনীতির ‘লাইফলাইন’ হিসেবে পরিচিত ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে যানবাহনের ক্রমবর্ধমান চাপ সামলাতে একটি অত্যাধুনিক এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের পরিকল্পনা করছে সেতু বিভাগ। দ্রুতগতিতে পণ্য ও যাত্রী পরিবহন নিশ্চিত করতে এই এক্সপ্রেসওয়েটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এটি আউটার রিং সার্কুলারের মাধ্যমে মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ের সঙ্গে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে, যা দেশের পূর্ব ও পশ্চিমাঞ্চলের মধ্যে একটি সমন্বিত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তুলবে।

বর্তমানে সেতু বিভাগের অধীনে ছোট-বড় মোট ৫৭টি প্রকল্প চলমান ও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে, যার সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১২ লাখ ৯৬ হাজার ৫৭৩ কোটি টাকা। ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য পাঁচটি খাতকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে, যার মধ্যে বড় সেতু, টানেল ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণ এবং ভূমি অধিগ্রহণ ও ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন অন্যতম। বর্তমানে ঢাকা-আশুলিয়া এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে এবং পঞ্চবটি-মুক্তারপুর দোতলা রাস্তা নির্মাণের মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলোর কাজ চলমান রয়েছে যা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে গতিশীলতা আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।