ঢাকা ১১:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬
শিরোনাম :
প্রবাসী কার্ডে মিলবে বিমান টিকিট, লাউঞ্জ ও ভূমি সেবায় বিশেষ সুবিধা ‎হোয়াটসঅ্যাপে আসছে ‘লিকুইড গ্লাস’ ডিজাইন, বদলাচ্ছে ব্যবহার অভিজ্ঞতা ২০৩০ সালের মধ্যে সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণহানি অর্ধেকে নামানোর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত বাংলাদেশের এক বছরে বিচারাধীন মামলা ২০ লাখে নামানো সম্ভব: আইনমন্ত্রী জামিন পেলেন কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদি যুক্তরাষ্ট্র-ইরান উত্তেজনায় তেলের দাম ঊর্ধ্বমুখী দিল্লিতে বিক্ষোভে সংঘর্ষ, ১১৮ পুলিশ সদস্য আহত; ৭০ ককরোচ গ্রেপ্তার সাইবার বুলিং দমনে আইনজীবী ও বিশেষজ্ঞ প্যানেল গঠন করবে সরকার ‎সৌদিকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণে সবুজ সংকেত ট্রাম্প প্রশাসনের ‎ মিত্র দলগুলোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর কৃতজ্ঞতা, ৩১ দফা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার

হ্যাটট্রিক জয়ের পরেও আশাভঙ্গ বাংলাদেশের, বাড়ল বিশ্বকাপ টিকিটের অপেক্ষা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৭:৩৪:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৫
  • / 406

ছবি সংগৃহীত

 

নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপে জায়গা নিশ্চিত করার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে ছিল বাংলাদেশ। টানা তিন জয় নিয়ে বাছাই পর্বে দুর্দান্ত সূচনা করা নিগার সুলতানা জ্যোতিদের সামনে ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ বাধা। তবে সেই বাধা পেরোতে পারেনি লাল-সবুজের মেয়েরা। লাহোরে ৪ উইকেটে হেরে বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করার স্বপ্ন আপাতত স্থগিতই থাকল।

বাংলাদেশের ইনিংস শুরুটা হয় হতাশাজনকভাবে। দলীয় মাত্র ১৬ রানে প্রথম উইকেট হারায় তারা। তবে এরপর ব্যাট হাতে হাল ধরেন শারমিন আক্তার সুপ্তা ও ফারজানা হক পিংকি। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে আসে ১১৮ রান। ইনিংসের মাঝপথে দলীয় সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৩৪/১। তখন মনে হচ্ছিল, স্কোরবোর্ডে তিনশ’র ঘরে চোখ রাখাও অসম্ভব কিছু নয়।

আরও পড়ুন  জাতিসংঘ মহাসচিবের বাংলাদেশ সফর: রোহিঙ্গা সংকট ও রাখাইনের মানবিক বিপর্যয় নিয়ে আলোচনা

কিন্তু হঠাৎ করেই ধস নামে। মাত্র ৪৩ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ। একের পর এক ব্যাটার ফিরে যাওয়ায় ম্যাচের গতি থমকে যায়। পিংকি ৪২ রান করে আউট হন, আর ইনিংসের সবচেয়ে বড় অবদান রাখা শারমিন ফেরেন ৬৭ রানে। শেষদিকে নাহিদা আক্তার (২৫) ও রাবেয়া খাতুন (২৩*) দলকে কিছুটা ভরসা দিলেও ২২৬ রানের বেশি তুলতে পারেনি বাংলাদেশ।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ শুরুটা ভালোভাবে করতে পারেনি। ২৬ রানে প্রথম উইকেট তুলে নিয়ে দলকে ভালো সূচনা এনে দেন জান্নাতুল ফেরদৌস। তবে এরপর আর থামেনি ক্যারিবিয়ান ব্যাটাররা। ছোট ছোট জুটি গড়ে সহজেই লক্ষ্য তাড়া করে ফেলে তারা।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল চতুর্থ উইকেটে স্টেফানি টেইলর ও হেইলি ম্যাথুজের ৬৬ রানের জুটি। এরপর পেসার মারুফা আক্তার পরপর দুই উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচে আশা জাগালেও শেষ পর্যন্ত তা ধরে রাখা যায়নি।

শেষদিকে চিনেলি হেনরি ৫১ রানে অপরাজিত থেকে বাংলাদেশের সব আশা শেষ করে দেন। তার সঙ্গে শাবিকা গজনবির ২০ রানের ইনিংস ও ৫০ রানের জুটি ছিল জয়ের পেছনে বড় অবদান। ফলে নির্ধারিত এক ম্যাচ বাকি থাকতেই বাংলাদেশ পড়ে গেল অনিশ্চয়তার মধ্যে।

এখন বাংলাদেশের চোখ শেষ ম্যাচে, যেখানে প্রতিপক্ষ শক্তিশালী স্বাগতিক পাকিস্তান। জয় পেলেই কিছুটা আশা, আর হারলে আবারও নতুন করে হিসাব-নিকাশ।

নিউজটি শেয়ার করুন

হ্যাটট্রিক জয়ের পরেও আশাভঙ্গ বাংলাদেশের, বাড়ল বিশ্বকাপ টিকিটের অপেক্ষা

আপডেট সময় ০৭:৩৪:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৫

 

নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপে জায়গা নিশ্চিত করার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে ছিল বাংলাদেশ। টানা তিন জয় নিয়ে বাছাই পর্বে দুর্দান্ত সূচনা করা নিগার সুলতানা জ্যোতিদের সামনে ছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ বাধা। তবে সেই বাধা পেরোতে পারেনি লাল-সবুজের মেয়েরা। লাহোরে ৪ উইকেটে হেরে বিশ্বকাপের টিকিট নিশ্চিত করার স্বপ্ন আপাতত স্থগিতই থাকল।

বাংলাদেশের ইনিংস শুরুটা হয় হতাশাজনকভাবে। দলীয় মাত্র ১৬ রানে প্রথম উইকেট হারায় তারা। তবে এরপর ব্যাট হাতে হাল ধরেন শারমিন আক্তার সুপ্তা ও ফারজানা হক পিংকি। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে আসে ১১৮ রান। ইনিংসের মাঝপথে দলীয় সংগ্রহ দাঁড়ায় ১৩৪/১। তখন মনে হচ্ছিল, স্কোরবোর্ডে তিনশ’র ঘরে চোখ রাখাও অসম্ভব কিছু নয়।

আরও পড়ুন  বাংলাদেশের মতো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও সহনশীলতা আর কোথাও নেই — স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

কিন্তু হঠাৎ করেই ধস নামে। মাত্র ৪৩ রানে ৬ উইকেট হারিয়ে বসে বাংলাদেশ। একের পর এক ব্যাটার ফিরে যাওয়ায় ম্যাচের গতি থমকে যায়। পিংকি ৪২ রান করে আউট হন, আর ইনিংসের সবচেয়ে বড় অবদান রাখা শারমিন ফেরেন ৬৭ রানে। শেষদিকে নাহিদা আক্তার (২৫) ও রাবেয়া খাতুন (২৩*) দলকে কিছুটা ভরসা দিলেও ২২৬ রানের বেশি তুলতে পারেনি বাংলাদেশ।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ শুরুটা ভালোভাবে করতে পারেনি। ২৬ রানে প্রথম উইকেট তুলে নিয়ে দলকে ভালো সূচনা এনে দেন জান্নাতুল ফেরদৌস। তবে এরপর আর থামেনি ক্যারিবিয়ান ব্যাটাররা। ছোট ছোট জুটি গড়ে সহজেই লক্ষ্য তাড়া করে ফেলে তারা।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল চতুর্থ উইকেটে স্টেফানি টেইলর ও হেইলি ম্যাথুজের ৬৬ রানের জুটি। এরপর পেসার মারুফা আক্তার পরপর দুই উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচে আশা জাগালেও শেষ পর্যন্ত তা ধরে রাখা যায়নি।

শেষদিকে চিনেলি হেনরি ৫১ রানে অপরাজিত থেকে বাংলাদেশের সব আশা শেষ করে দেন। তার সঙ্গে শাবিকা গজনবির ২০ রানের ইনিংস ও ৫০ রানের জুটি ছিল জয়ের পেছনে বড় অবদান। ফলে নির্ধারিত এক ম্যাচ বাকি থাকতেই বাংলাদেশ পড়ে গেল অনিশ্চয়তার মধ্যে।

এখন বাংলাদেশের চোখ শেষ ম্যাচে, যেখানে প্রতিপক্ষ শক্তিশালী স্বাগতিক পাকিস্তান। জয় পেলেই কিছুটা আশা, আর হারলে আবারও নতুন করে হিসাব-নিকাশ।