ঢাকা ০৪:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
৭ নেতার মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর সুপ্রিম কোর্টে ককটেল বাংলাদেশের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক চাইলে ভারতের হাসিনাকে ফেরত দিতে হবে: তথ্য উপদেষ্টা প্রথম রোজা কবে, জানা গেল সম্ভাব্য তারিখ ৭ মাসে কোনো মানবাধিকার লঙ্ঘন হয়নি: মাহ্দী আমিন শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করলেন রাষ্ট্রপতি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে সরকারের সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ: জাহেদ ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রিজভীর সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ মানবতাবিরোধী অপরাধে ওবায়দুল কাদেরের মৃত্যুদণ্ড ২২.৩ বিলিয়ন ডলার ব্যয় গোলাবারুদেই, চাপে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি মুসলিম বিশ্বে ঐক্যের বার্তা দিচ্ছে: এরদোয়ান

প্রথম রোজা কবে, জানা গেল সম্ভাব্য তারিখ

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:১০:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 31

ছবি সংগৃহীত

 

২০২৭ সালের পবিত্র রমজান মাস শুরু হওয়ার সম্ভাব্য তারিখ জানিয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। বর্তমান হিসাব অনুযায়ী, আগামী বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) প্রথম রোজা হতে পারে। তবে রমজান শুরুর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে চাঁদ দেখার ওপর।

সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৪৪৮ হিজরির রবিউস সানি মাস শুরু হয়েছে গত শনিবার। এর মধ্য দিয়ে রমজানের আগে আরও পাঁচটি চন্দ্রমাস বাকি রয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রবিউস সানি মাসের চতুর্থ দিন। হিসাব অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে রোজা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আরও পড়ুন  রোজার সময় সুস্থ থাকতে খাদ্যাভ্যাস কেমন হবে

হিজরি বর্ষপঞ্জি চন্দ্রভিত্তিক হওয়ায় এর একটি বছর ৩৫৪ দিনের। ফলে গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জির তুলনায় হিজরি বছর প্রায় ১০ থেকে ১১ দিন ছোট। এ কারণে প্রতিবছর রমজান আগের বছরের তুলনায় ১০ থেকে ১১ দিন এগিয়ে আসে। প্রায় ৩৩ বছরের একটি চক্রে রমজান বিভিন্ন ঋতুর মধ্য দিয়ে ঘুরে আসে।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি (রোববার) সন্ধ্যায় রমজানের নতুন চাঁদ দেখার চেষ্টা করা হবে। ওই সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা গেলে রাতে এশার নামাজের পর প্রথম তারাবি অনুষ্ঠিত হবে। পরদিন সোমবার থেকে শুরু হতে পারে রোজা।

চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করবে রমজান মাস ২৯ নাকি ৩০ দিনে শেষ হবে। এরপর শাওয়ালের চাঁদ দেখা সাপেক্ষে পালিত হবে পবিত্র ঈদুল ফিতর। সম্ভাব্য হিসাব অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ১০ মার্চ (বুধবার) ঈদুল ফিতর হতে পারে।

ইসলামি বর্ষপঞ্জির নবম মাস রমজান মুসলিমদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র। ইসলামী বিশ্বাস অনুযায়ী, এ মাসেই মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর পবিত্র কোরআনের প্রথম আয়াত নাজিল হয়।

রমজান মাসে মুসলিমরা সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার থেকে বিরত থেকে সিয়াম পালন করেন। পাশাপাশি নামাজ, দান-সদকা, আত্মসংযম এবং পারিবারিক ও সামাজিক দায়িত্ব পালনের ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

 

বিষয় :

নিউজটি শেয়ার করুন

প্রথম রোজা কবে, জানা গেল সম্ভাব্য তারিখ

আপডেট সময় ০৪:১০:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

২০২৭ সালের পবিত্র রমজান মাস শুরু হওয়ার সম্ভাব্য তারিখ জানিয়েছেন জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা। বর্তমান হিসাব অনুযায়ী, আগামী বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি (সোমবার) প্রথম রোজা হতে পারে। তবে রমজান শুরুর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্ভর করবে চাঁদ দেখার ওপর।

সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৪৪৮ হিজরির রবিউস সানি মাস শুরু হয়েছে গত শনিবার। এর মধ্য দিয়ে রমজানের আগে আরও পাঁচটি চন্দ্রমাস বাকি রয়েছে। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রবিউস সানি মাসের চতুর্থ দিন। হিসাব অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি থেকে রোজা শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আরও পড়ুন  শবে কদরের রাতে যে ৫টি আমল অবশ্যই করবেন

হিজরি বর্ষপঞ্জি চন্দ্রভিত্তিক হওয়ায় এর একটি বছর ৩৫৪ দিনের। ফলে গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জির তুলনায় হিজরি বছর প্রায় ১০ থেকে ১১ দিন ছোট। এ কারণে প্রতিবছর রমজান আগের বছরের তুলনায় ১০ থেকে ১১ দিন এগিয়ে আসে। প্রায় ৩৩ বছরের একটি চক্রে রমজান বিভিন্ন ঋতুর মধ্য দিয়ে ঘুরে আসে।

জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি (রোববার) সন্ধ্যায় রমজানের নতুন চাঁদ দেখার চেষ্টা করা হবে। ওই সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা গেলে রাতে এশার নামাজের পর প্রথম তারাবি অনুষ্ঠিত হবে। পরদিন সোমবার থেকে শুরু হতে পারে রোজা।

চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করবে রমজান মাস ২৯ নাকি ৩০ দিনে শেষ হবে। এরপর শাওয়ালের চাঁদ দেখা সাপেক্ষে পালিত হবে পবিত্র ঈদুল ফিতর। সম্ভাব্য হিসাব অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ১০ মার্চ (বুধবার) ঈদুল ফিতর হতে পারে।

ইসলামি বর্ষপঞ্জির নবম মাস রমজান মুসলিমদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র। ইসলামী বিশ্বাস অনুযায়ী, এ মাসেই মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর পবিত্র কোরআনের প্রথম আয়াত নাজিল হয়।

রমজান মাসে মুসলিমরা সুবহে সাদিক থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার থেকে বিরত থেকে সিয়াম পালন করেন। পাশাপাশি নামাজ, দান-সদকা, আত্মসংযম এবং পারিবারিক ও সামাজিক দায়িত্ব পালনের ওপরও বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।