ঢাকা ০২:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মানবতাবিরোধী অপরাধে ওবায়দুল কাদেরের মৃত্যুদণ্ড

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০১:২২:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 24

ছবি সংগৃহীত

 

জুলাই আন্দোলনের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

আরও পড়ুন  ইরানে ধ/র্ষ/ণে/র দায়ে ৩ ব্যক্তির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর

একই মামলায় আরও ছয় আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন—ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান। সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক।

প্রসিকিউশনের অভিযোগ, জুলাই-আগস্টের আন্দোলন দমনে আসামিরা নির্দেশ, প্ররোচনা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেন এবং সহিংসতার পরিকল্পনায় যুক্ত ছিলেন। তাদের কর্মকাণ্ডের ফলে হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও ব্যাপক সহিংসতা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়।

গত ২ আগস্ট এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। রাষ্ট্রপক্ষে তদন্ত কর্মকর্তাসহ ২৯ জন সাক্ষ্য দেন। ১২ আগস্ট যুক্তিতর্ক শেষে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির আবেদন করেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার শুরু হয় পুনর্গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

মানবতাবিরোধী অপরাধে ওবায়দুল কাদেরের মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় ০১:২২:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

জুলাই আন্দোলনের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অপর দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

আরও পড়ুন  চট্টগ্রামে হত্যাকাণ্ড: তিন ভাইসহ পাঁচজনের মৃত্যুদণ্ড

একই মামলায় আরও ছয় আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তারা হলেন—ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান। সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক।

প্রসিকিউশনের অভিযোগ, জুলাই-আগস্টের আন্দোলন দমনে আসামিরা নির্দেশ, প্ররোচনা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেন এবং সহিংসতার পরিকল্পনায় যুক্ত ছিলেন। তাদের কর্মকাণ্ডের ফলে হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও ব্যাপক সহিংসতা ঘটে বলে অভিযোগ করা হয়।

গত ২ আগস্ট এ মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়। রাষ্ট্রপক্ষে তদন্ত কর্মকর্তাসহ ২৯ জন সাক্ষ্য দেন। ১২ আগস্ট যুক্তিতর্ক শেষে আসামিদের সর্বোচ্চ শাস্তির আবেদন করেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচার শুরু হয় পুনর্গঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে।