ঢাকা ০৭:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদের জানাজায় শোকের ছায়া

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৯:১৮:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬
  • / 83

ছবি সংগৃহীত

 

কাতারের আধুনিক রূপান্তরের অন্যতম স্থপতি এবং দেশটির সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানি মারা গেছেন। রোববার (১২ জুলাই) সকালে তার মৃত্যুর খবর আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। একই দিনে সূর্যাস্তের পর মাগরিবের নামাজ শেষে রাজধানী দোহার ইমাম মুহাম্মদ ইবনে আবদুল ওয়াহাব মসজিদে তার জানাজা সম্পন্ন হয় বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

জানাজায় ঐতিহ্যবাহী কাতারি পোশাক পরিহিত অসংখ্য শোকাহত মানুষ অংশ নেন। জানাজা শেষে তার ছেলে ও কাতারের বর্তমান আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি এবং পরিবারের অন্য সদস্যরা মরদেহ বহন করে দোহার উত্তরে অবস্থিত লুসাইল কবরস্থানে নিয়ে যান এবং সেখানেই তাকে দাফন করা হয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাবেক এই আমিরের জানাজা ও দাফন প্রক্রিয়া অত্যন্ত সাধারণ ও সাদামাটা ছিল এবং ইসলামী রীতি অনুযায়ী তাকে একটি সাধারণ কবরেই সমাহিত করা হয়।

আরও পড়ুন  ইসরায়েলি মন্ত্রীর স্বীকারোক্তি: হামাসের বিরুদ্ধে পরাজয় মেনে নিলেন

প্রকাশিত প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, শেখ হামাদ ব্যক্তিগত জীবনে বিলাসিতা থেকে দূরে থাকতেন এবং দেশের সম্পদ প্রদর্শনের চেয়ে সবসময় জনগণের কল্যাণকে বেশি গুরুত্ব দিতেন। তিনি ১৯৯৫ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত কাতারের আমির হিসেবে অত্যন্ত সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন।

তার দূরদর্শী শাসনামলে কাতারের বিশাল প্রাকৃতিক গ্যাসসম্পদের উন্নয়নে বিশেষ ও কৌশলগত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। এর সুদূরপ্রসারী ফল হিসেবে কাতারের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি ২৪ গুণেরও বেশি বৃদ্ধি পায়। পরবর্তীতে তার নেওয়া অর্থনৈতিক ও উন্নয়নমূলক পদক্ষেপের ধারাবাহিকতায় ২০০৬ সালে কাতার বিশ্বের সবচেয়ে বড় তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হতে সক্ষম হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

কাতারের সাবেক আমির শেখ হামাদের জানাজায় শোকের ছায়া

আপডেট সময় ০৯:১৮:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬

 

কাতারের আধুনিক রূপান্তরের অন্যতম স্থপতি এবং দেশটির সাবেক আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানি মারা গেছেন। রোববার (১২ জুলাই) সকালে তার মৃত্যুর খবর আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। একই দিনে সূর্যাস্তের পর মাগরিবের নামাজ শেষে রাজধানী দোহার ইমাম মুহাম্মদ ইবনে আবদুল ওয়াহাব মসজিদে তার জানাজা সম্পন্ন হয় বলে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

জানাজায় ঐতিহ্যবাহী কাতারি পোশাক পরিহিত অসংখ্য শোকাহত মানুষ অংশ নেন। জানাজা শেষে তার ছেলে ও কাতারের বর্তমান আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল থানি এবং পরিবারের অন্য সদস্যরা মরদেহ বহন করে দোহার উত্তরে অবস্থিত লুসাইল কবরস্থানে নিয়ে যান এবং সেখানেই তাকে দাফন করা হয়। প্রতিবেদন অনুযায়ী, সাবেক এই আমিরের জানাজা ও দাফন প্রক্রিয়া অত্যন্ত সাধারণ ও সাদামাটা ছিল এবং ইসলামী রীতি অনুযায়ী তাকে একটি সাধারণ কবরেই সমাহিত করা হয়।

আরও পড়ুন  মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটিতে অপ্রয়োজনীয় বিমান সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে

প্রকাশিত প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, শেখ হামাদ ব্যক্তিগত জীবনে বিলাসিতা থেকে দূরে থাকতেন এবং দেশের সম্পদ প্রদর্শনের চেয়ে সবসময় জনগণের কল্যাণকে বেশি গুরুত্ব দিতেন। তিনি ১৯৯৫ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত কাতারের আমির হিসেবে অত্যন্ত সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেন।

তার দূরদর্শী শাসনামলে কাতারের বিশাল প্রাকৃতিক গ্যাসসম্পদের উন্নয়নে বিশেষ ও কৌশলগত গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। এর সুদূরপ্রসারী ফল হিসেবে কাতারের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপি ২৪ গুণেরও বেশি বৃদ্ধি পায়। পরবর্তীতে তার নেওয়া অর্থনৈতিক ও উন্নয়নমূলক পদক্ষেপের ধারাবাহিকতায় ২০০৬ সালে কাতার বিশ্বের সবচেয়ে বড় তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজি রপ্তানিকারক দেশে পরিণত হতে সক্ষম হয়।