ঢাকা ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
শিরোনাম :
ইশরাকের পদত্যাগের খবর ভিত্তিহীন, দাবি প্রতিমন্ত্রীর দপ্তরের বক্স অফিসে ‘জেলার ২’-এর ঝড় আগারগাঁওয়ে সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায় অনুমোদন ফিলিস্তিনিদের জলপাই চুরির পক্ষে ইসরাইলি রাব্বির ফতোয়া ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের সুদিন ফেরাতে আর্থিক সহায়তার জোরালো দাবি স্যামির আইয়ুব বাচ্চুর প্রয়াণ দিবসে তাঁকে উৎসর্গ করে কন্সট্যান্টের ‘শেষ বিকেল’ সাজেক ফেরার পথে চাঁদের গাড়ি উল্টে দুর্ঘটনা, আহত ৭ ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে মুম্বাইয়ে তলব করলেন রুবিও, চরম বিতর্কে মোদি সরকার ইরানের নতুন প্রতিরক্ষামন্ত্রী আখলাকিকে নিয়োগ দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড, সৌদি রাষ্ট্রদূতকে তলব

পুলিশ অবহেলা করে উন্নত দেশ গড়া সম্ভব নয়: প্রধান উপদেষ্টা

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৫০:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ মার্চ ২০২৫
  • / 596

ছবি: সংগৃহীত

 

ঢাকা, ১৭ মার্চ: দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ বাহিনীর ভূমিকা অপরিসীম উল্লেখ করে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, “আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহেলা করে কোনো দেশ এগিয়ে যেতে পারে না। পুলিশই সমাজের নিরাপত্তা নিশ্চিতকারী সম্মুখযোদ্ধা।”

সোমবার (১৭ মার্চ) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে নিজ কার্যালয়ে মাঠ পর্যায়ের ১২৭ পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, “আইন ছাড়া গণতন্ত্র, সরকার কিংবা নাগরিক অধিকার কিছুই টিকবে না। পুলিশ বাহিনী জনগণের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে থাকে। তাদের প্রতি শ্রদ্ধা ও সহযোগিতা না থাকলে কোনো দেশই কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের পথে এগোতে পারবে না।”

আরও পড়ুন  সুযোগ পেলেই আমরা ড. ইউনূসকে শূলে চড়াই, কঠোর সমালোচনার মুখে ফেলি : সারজিস আলম।

প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, “পুলিশ শুধু আইন প্রয়োগকারী সংস্থা নয়, বরং সমাজের অপরিহার্য অংশ। মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিতে তারা সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করে। জনগণ ও পুলিশের পারস্পরিক আস্থার সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে, যাতে অপরাধ দমন আরও কার্যকর হয়।”

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, স্বরাষ্ট্র সচিব নাসিমুল গনি ও পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম। এ ছাড়া মাঠ পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আহসান হাবিব পলাশ এবং রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি ফারজানা ইসলামও সভায় বক্তব্য দেন।

সভার আলোচনায় পুলিশের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করার জন্য প্রযুক্তির ব্যবহার, জনবান্ধব পুলিশিং এবং আধুনিক প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। আইজিপি বাহারুল আলম বলেন, “দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে আমাদের বাহিনী নিরলস কাজ করছে। জনগণের আস্থা অর্জন করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।”

বৈঠকে পুলিশের সামনে থাকা চ্যালেঞ্জ ও করণীয় নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রধান উপদেষ্টা মাঠপর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের আরও দায়িত্বশীল ও জনবান্ধব হওয়ার আহ্বান জানান।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, পুলিশ ও জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধন গড়ে তুলতে পারলে দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও দৃঢ় হবে, যা দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

পুলিশ অবহেলা করে উন্নত দেশ গড়া সম্ভব নয়: প্রধান উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৩:৫০:১৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ মার্চ ২০২৫

 

ঢাকা, ১৭ মার্চ: দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশ বাহিনীর ভূমিকা অপরিসীম উল্লেখ করে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, “আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে অবহেলা করে কোনো দেশ এগিয়ে যেতে পারে না। পুলিশই সমাজের নিরাপত্তা নিশ্চিতকারী সম্মুখযোদ্ধা।”

সোমবার (১৭ মার্চ) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে নিজ কার্যালয়ে মাঠ পর্যায়ের ১২৭ পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে এক বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, “আইন ছাড়া গণতন্ত্র, সরকার কিংবা নাগরিক অধিকার কিছুই টিকবে না। পুলিশ বাহিনী জনগণের নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলা রক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করে থাকে। তাদের প্রতি শ্রদ্ধা ও সহযোগিতা না থাকলে কোনো দেশই কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নের পথে এগোতে পারবে না।”

আরও পড়ুন  সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায়

প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, “পুলিশ শুধু আইন প্রয়োগকারী সংস্থা নয়, বরং সমাজের অপরিহার্য অংশ। মানুষের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিতে তারা সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করে। জনগণ ও পুলিশের পারস্পরিক আস্থার সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে, যাতে অপরাধ দমন আরও কার্যকর হয়।”

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী, স্বরাষ্ট্র সচিব নাসিমুল গনি ও পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলম। এ ছাড়া মাঠ পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যে চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি আহসান হাবিব পলাশ এবং রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি ফারজানা ইসলামও সভায় বক্তব্য দেন।

সভার আলোচনায় পুলিশের ভূমিকা আরও শক্তিশালী করার জন্য প্রযুক্তির ব্যবহার, জনবান্ধব পুলিশিং এবং আধুনিক প্রশিক্ষণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। আইজিপি বাহারুল আলম বলেন, “দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নে আমাদের বাহিনী নিরলস কাজ করছে। জনগণের আস্থা অর্জন করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।”

বৈঠকে পুলিশের সামনে থাকা চ্যালেঞ্জ ও করণীয় নিয়েও বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রধান উপদেষ্টা মাঠপর্যায়ের পুলিশ কর্মকর্তাদের আরও দায়িত্বশীল ও জনবান্ধব হওয়ার আহ্বান জানান।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, পুলিশ ও জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধন গড়ে তুলতে পারলে দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি আরও দৃঢ় হবে, যা দেশের সামগ্রিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।