সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব মন্ত্রিসভায়
- আপডেট সময় ০৩:২৩:০৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬
- / 13
রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের আগারগাঁওয়ে পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে বাংলাদেশ সচিবালয় স্থানান্তরের প্রস্তাব রোববার (১৮ অক্টোবর) মন্ত্রিসভার বৈঠকে উঠতে পারে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে বিকেল ৪টায় সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে এ বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে।
বৈঠক শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় মন্ত্রিপরিষদ সচিব সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে বৈঠকের সিদ্ধান্ত নিয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করবেন।
রাজধানীর আব্দুল গণি রোডে অবস্থিত বর্তমান সচিবালয় স্থানান্তরের আলোচনা দীর্ঘদিনের। সাম্প্রতিক সময়ে বিষয়টি আবারও আলোচনায় এসেছে। বর্তমান সচিবালয়ের জায়গায় নিম্ন আদালতের কার্যক্রম শুরুর প্রস্তাব রয়েছে। অন্যদিকে, সচিবালয় আগারগাঁওয়ের পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে স্থানান্তরের প্রস্তাব করা হয়েছে।
সম্প্রতি গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী জাকারিয়া তাহের জানান, বর্তমান সরকারের মেয়াদেই আগারগাঁওয়ের পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে সচিবালয় স্থানান্তর করা হবে।
মন্ত্রী জানান, স্থানান্তরের বিষয়ে প্রয়োজনীয় প্রাথমিক যাচাই-বাছাই ও প্রস্তুতিমূলক কাজ চলছে। অনুমোদনের জন্য বিষয়টি মন্ত্রিসভার বৈঠকে তোলা হবে। মন্ত্রিসভা সিদ্ধান্ত দিলে স্থানান্তরের মূল কার্যক্রম শুরু হবে।
জাকারিয়া তাহের আরও জানান, সচিবালয় স্থানান্তরের বিষয়ে অতীতে একটি মাস্টারপ্ল্যান ছিল। সে অনুযায়ী নীতিগত কাজ ও প্রাথমিক প্রক্রিয়া শুরু হয়। মন্ত্রিসভার অনুমোদন পাওয়া গেলে পরবর্তী পদক্ষেপ দ্রুত নেওয়া হবে।
বর্তমান সচিবালয়ে গাড়ি পার্কিং ও জায়গার সংকটের কারণে প্রায়ই জটিলতা তৈরি হয় বলে জানান মন্ত্রী। অনেক মন্ত্রণালয়ের দপ্তর মূল ভবনের বাইরে বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে রয়েছে। এ ছাড়া সচিবালয়ের বেশির ভাগ ভবন ১৯৬০-এর দশকে নির্মিত হওয়ায় সেগুলো পুরোনো হয়ে গেছে।
তিনি বলেন, ভূমিকম্পসহ যেকোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগে নিরাপত্তাঝুঁকি বিবেচনায় এসব ভবনের মেরামত এবং স্থায়ী বিকল্প খোঁজা জরুরি হয়ে পড়েছে। এসব বিষয় বিবেচনা করেই বর্তমান সরকারের মেয়াদে সচিবালয় আগারগাঁওয়ের নতুন স্থানে পুরোপুরি স্থানান্তরের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা ও সদিচ্ছার কথা উল্লেখ করে গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী বলেন, মন্ত্রিসভার আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পাওয়া গেলে বর্তমান সরকারের নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নির্মাণ ও স্থানান্তরের প্রাথমিক ও মূল কাজ সম্পন্ন করার লক্ষ্য রয়েছে।





















