ঢাকা ১১:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৬ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আলিফ হত্যা মামলার শুনানিতে চিন্ময় কৃষ্ণসহ ২৩ আসামি আদালতে

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৪:২৫:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 133

ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সোমবার সকালে চট্টগ্রামের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল (জেলা ও দায়রা জজ) মো. জাহিদুল হকের আদালতে প্রধান আসামি সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীসহ ২৩ জন আসামিকে হাজির করা হয়।

সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটের দিকে পুলিশের প্রিজন ভ্যানে করে আসামিদের চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গণে আনা হয়। অভিযোগ গঠনের শুনানিকে কেন্দ্র করে সকাল ৮টা থেকেই আদালত ভবন ও আশপাশের এলাকায় জোরদার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

আদালত ভবনের মূল ফটকে ব্যারিকেড বসিয়ে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা হয়। আইনজীবী, আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও গণমাধ্যমকর্মীদের পরিচয়পত্র যাচাই করে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয়। পরে সেনাবাহিনীর একটি টহল দল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেয়।

আরও পড়ুন  চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন নামঞ্জুর

এদিন নগরীর টেরিবাজার, লালদীঘির পাড়, জেল রোড, কোতোয়ালী মোড়, জহুর হকার মার্কেট, হাজারী গলি ও কে সি দে রোডসহ আশপাশের এলাকায় পুলিশকে সতর্ক অবস্থায় দেখা যায়।
এর আগে রোববার রাতে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) সহকারী কমিশনার (জনসংযোগ) আমিনুর রশিদ জানিয়েছিলেন, অভিযোগ গঠনের শুনানিকে ঘিরে আদালত এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তা নেওয়া হয়েছে। পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশ ও র‌্যাব সদস্যরা সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন। প্রয়োজনে পুলিশ লাইনস থেকে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের পিপি এস ইউ এম নুরুল ইসলাম জানান, সোমবার অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ধার্য ছিল এবং নিরাপত্তার বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দেখছে।

এর আগে বুধবার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলার প্রথম দিনের শুনানিতে কয়েকজন আসামি নিজেদের পক্ষে আইনজীবী নিয়োগ এবং আইনজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আবেদন করেছিলেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর জামিন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর পর চট্টগ্রামে সৃষ্ট উত্তেজনার মধ্যে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ নিহত হন। পরে গত ৭ জানুয়ারি আলোচিত এ হত্যা মামলাটি বিচারের জন্য দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।
মামলার অভিযোগপত্রে মোট ৩৯ জনের নাম রয়েছে। তাদের মধ্যে এখনো ১৬ জন পলাতক।

নিউজটি শেয়ার করুন

আলিফ হত্যা মামলার শুনানিতে চিন্ময় কৃষ্ণসহ ২৩ আসামি আদালতে

আপডেট সময় ০৪:২৫:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রামে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। সোমবার সকালে চট্টগ্রামের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল (জেলা ও দায়রা জজ) মো. জাহিদুল হকের আদালতে প্রধান আসামি সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীসহ ২৩ জন আসামিকে হাজির করা হয়।

সকাল ৯টা ৪৫ মিনিটের দিকে পুলিশের প্রিজন ভ্যানে করে আসামিদের চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গণে আনা হয়। অভিযোগ গঠনের শুনানিকে কেন্দ্র করে সকাল ৮টা থেকেই আদালত ভবন ও আশপাশের এলাকায় জোরদার নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

আদালত ভবনের মূল ফটকে ব্যারিকেড বসিয়ে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা হয়। আইনজীবী, আদালতের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও গণমাধ্যমকর্মীদের পরিচয়পত্র যাচাই করে ভেতরে ঢুকতে দেওয়া হয়। পরে সেনাবাহিনীর একটি টহল দল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেয়।

আরও পড়ুন  চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের জামিন নামঞ্জুর

এদিন নগরীর টেরিবাজার, লালদীঘির পাড়, জেল রোড, কোতোয়ালী মোড়, জহুর হকার মার্কেট, হাজারী গলি ও কে সি দে রোডসহ আশপাশের এলাকায় পুলিশকে সতর্ক অবস্থায় দেখা যায়।
এর আগে রোববার রাতে চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) সহকারী কমিশনার (জনসংযোগ) আমিনুর রশিদ জানিয়েছিলেন, অভিযোগ গঠনের শুনানিকে ঘিরে আদালত এলাকায় বিশেষ নিরাপত্তা নেওয়া হয়েছে। পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশ ও র‌্যাব সদস্যরা সার্বিক নিরাপত্তার দায়িত্বে রয়েছেন। প্রয়োজনে পুলিশ লাইনস থেকে অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের পিপি এস ইউ এম নুরুল ইসলাম জানান, সোমবার অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন ধার্য ছিল এবং নিরাপত্তার বিষয়টি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী দেখছে।

এর আগে বুধবার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলার প্রথম দিনের শুনানিতে কয়েকজন আসামি নিজেদের পক্ষে আইনজীবী নিয়োগ এবং আইনজীবীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আবেদন করেছিলেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীর জামিন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর পর চট্টগ্রামে সৃষ্ট উত্তেজনার মধ্যে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ নিহত হন। পরে গত ৭ জানুয়ারি আলোচিত এ হত্যা মামলাটি বিচারের জন্য দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।
মামলার অভিযোগপত্রে মোট ৩৯ জনের নাম রয়েছে। তাদের মধ্যে এখনো ১৬ জন পলাতক।