০৬:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ৪ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
শপথগ্রহণ অনুষ্ঠান: কাল রাজধানীতে যান চলাচলে ডিএমপির বিশেষ নির্দেশনা রমজানে সাধারণের স্বস্তি: কাল থেকে টিসিবির ট্রাকে মিলবে ছোলা ও খেজুর সৌদিতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা: প্রাণ হারালেন একই পরিবারের ৪ জনসহ ৫ বাংলাদেশি ওমারজাইয়ের অলরাউন্ড দাপট: আমিরাতকে হারিয়ে প্রথম জয় আফগানদের ছায়া মন্ত্রিসভা ঘোষণাকে ইতিবাচক বলল বিএনপি মালয়েশিয়া নেওয়ার প্রলোভনে গুদামে বন্দি: টেকনাফে নারী-শিশুসহ ১৫ জন উদ্ধার ‘জুলাই সনদ’-এ স্বাক্ষর করছে এনসিপি: সন্ধ্যায় যমুনায় যাচ্ছেন নাহিদরা সংসদ সদস্য থেকে সংস্কার পরিষদ: মঙ্গলবার দুই শপথ শপথের পর সংসদীয় দলের সভা ডেকেছে বিএনপি মেস থেকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

দুপুরে ‘মার্চ টু যমুনা’ কর্মসূচির ঘোষণা এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৩:৩৭:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫
  • / 413

ছবি: সংগৃহীত

 

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা তিন দফা দাবিতে, যার মধ্যে প্রধান দাবি হলো মূল বেতনের ২০ শতাংশ (ন্যূনতম ৩ হাজার টাকা) বাড়ি ভাড়া, বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) টানা পঞ্চম দিনের মতো আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।

সকাল ১০টায় রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে কয়েক হাজার শিক্ষক-কর্মচারী জড়ো হয়েছেন এবং তারা ‘২০ শতাংশ বাড়ি ভাড়া, দিতে হবে দিতে হবে’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন। আন্দোলনকারী শিক্ষক-কর্মচারীরা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, দাবি আদায় না হলে পূর্বঘোষণা অনুযায়ী দুপুর ১২টায় তারা প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনমুখী ‘মার্চ টু যমুনা’ কর্মসূচি পালন করবেন।

বুধবার অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে আন্দোলনকারী শিক্ষকদের বাড়ি ভাড়া ১০ শতাংশ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণপ্রত্যাশী জোটের যুগ্ম সদস্যসচিব আবুল বাশার। বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে আবুল বাশার বলেন, ‘সরকারের সঙ্গে আমাদের দর-কষাকষি চলছে। সরকারের পক্ষ থেকে ১০ শতাংশ বাড়ি ভাড়া দেওয়ার বিষয়ে মনোভাব প্রকাশ করা হয়েছে। বুধবার রাতে সরকারের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে।’

তবে এই শিক্ষক নেতা স্পষ্ট করে বলেন, ‘আমরা ২০ শতাংশ ছাড়া আন্দোলন থামাব না।’ তিনি পুনরায় হুঁশিয়ারি দেন, আজ দুপুর ১২টার মধ্যে প্রজ্ঞাপন না হলে তারা পূর্বঘোষণা অনুযায়ী ‘মার্চ টু যমুনা’ কর্মসূচি পালন করবেন।

ময়মনসিংহ থেকে আসা মাধ্যমিক শিক্ষক মেহেদী হাসান বলেন, সরকার প্রথমে শিক্ষকদের দাবি গুরুত্বের সঙ্গে নেয়নি এবং রাস্তায় নামার আগে ২০ শতাংশ বাড়ি ভাড়া দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও পরে তা না মেনে ৫০০ টাকা বাড়ানোর প্রজ্ঞাপন দেওয়া হয়, যা ‘একপ্রকার অপমান’। শিক্ষকেরা বলছেন, সরকার তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রাখেনি, তাই তারা রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়েছেন এবং ২০ শতাংশ ছাড়া তারা কর্মস্থলে ফিরবেন না।

নিউজটি শেয়ার করুন

দুপুরে ‘মার্চ টু যমুনা’ কর্মসূচির ঘোষণা এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের

আপডেট সময় ০৩:৩৭:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫

 

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা তিন দফা দাবিতে, যার মধ্যে প্রধান দাবি হলো মূল বেতনের ২০ শতাংশ (ন্যূনতম ৩ হাজার টাকা) বাড়ি ভাড়া, বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) টানা পঞ্চম দিনের মতো আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।

সকাল ১০টায় রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে কয়েক হাজার শিক্ষক-কর্মচারী জড়ো হয়েছেন এবং তারা ‘২০ শতাংশ বাড়ি ভাড়া, দিতে হবে দিতে হবে’সহ বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছেন। আন্দোলনকারী শিক্ষক-কর্মচারীরা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, দাবি আদায় না হলে পূর্বঘোষণা অনুযায়ী দুপুর ১২টায় তারা প্রধান উপদেষ্টার বাসভবনমুখী ‘মার্চ টু যমুনা’ কর্মসূচি পালন করবেন।

বুধবার অন্তর্বর্তী সরকারের পক্ষ থেকে আন্দোলনকারী শিক্ষকদের বাড়ি ভাড়া ১০ শতাংশ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণপ্রত্যাশী জোটের যুগ্ম সদস্যসচিব আবুল বাশার। বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ১০টার দিকে আবুল বাশার বলেন, ‘সরকারের সঙ্গে আমাদের দর-কষাকষি চলছে। সরকারের পক্ষ থেকে ১০ শতাংশ বাড়ি ভাড়া দেওয়ার বিষয়ে মনোভাব প্রকাশ করা হয়েছে। বুধবার রাতে সরকারের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে।’

তবে এই শিক্ষক নেতা স্পষ্ট করে বলেন, ‘আমরা ২০ শতাংশ ছাড়া আন্দোলন থামাব না।’ তিনি পুনরায় হুঁশিয়ারি দেন, আজ দুপুর ১২টার মধ্যে প্রজ্ঞাপন না হলে তারা পূর্বঘোষণা অনুযায়ী ‘মার্চ টু যমুনা’ কর্মসূচি পালন করবেন।

ময়মনসিংহ থেকে আসা মাধ্যমিক শিক্ষক মেহেদী হাসান বলেন, সরকার প্রথমে শিক্ষকদের দাবি গুরুত্বের সঙ্গে নেয়নি এবং রাস্তায় নামার আগে ২০ শতাংশ বাড়ি ভাড়া দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও পরে তা না মেনে ৫০০ টাকা বাড়ানোর প্রজ্ঞাপন দেওয়া হয়, যা ‘একপ্রকার অপমান’। শিক্ষকেরা বলছেন, সরকার তাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি রাখেনি, তাই তারা রাস্তায় নামতে বাধ্য হয়েছেন এবং ২০ শতাংশ ছাড়া তারা কর্মস্থলে ফিরবেন না।