ঢাকা ০৫:১৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
আধুনিক কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা: জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সরকারের বিশেষ রোডম্যাপ দায়বদ্ধতাহীন ভালোবাসার নতুন নাম ‘ন্যানোশিপ’, বিশেষজ্ঞরা দিচ্ছেন সতর্কবার্তা ঢাকার ইতিহাসে প্রথম নারী ডিসি ফরিদা খানম নেত্রকোনায় জমি নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নারী নিহত, আহত অন্তত ৩০ ইন্টারনেট প্যাকেজের মেয়াদ নিয়ে গ্রাহক স্বার্থ রক্ষায় সক্রিয় সরকার; সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জুলাই থেকে শিক্ষার্থীদের মিলবে পাটের তৈরি স্কুলব্যাগ ও পোশাক যে ৭ পাম্পে ২৫% অতিরিক্ত অকটেন দিচ্ছে বিপিসি পরিবহন ভাড়ার নতুন সিদ্ধান্ত কাল: জানালেন সেতুমন্ত্রী ইউপি সদস্যকে অপহরণ; মুক্তিপণ দাবি ৩০ লাখ টাকা ধান ও চালের সংগ্রহ মূল্য নির্ধারণ; ৩৬ টাকা কেজিতে ধান কিনবে সরকার

অপরাধী যেন কেউ ছাড়া না পায়, কঠোরভাবে দমন করতে হবে: ডিএমপি কমিশনার

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০৬:৩৫:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫
  • / 263

ছবি: সংগৃহীত

 

ঢাকা মহানগরীতে অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেছেন, “অপরাধী যেন কেউ ছাড়া না পায়, তাদের কঠোরভাবে দমন করতে হবে। মহানগরীর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং অপরাধ প্রতিরোধে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।”

মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) রাজারবাগের বাংলাদেশ পুলিশ অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত ডিএমপির জুন মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনাসভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন  ঈদযাত্রায় প্রতি বাসে দুইজন চালক রাখার নির্দেশ ডিএমপি কমিশনারের

তিনি বলেন, “প্রত্যেক ইউনিটপ্রধানকে নিজ নিজ ইউনিট দক্ষতা ও পরিকল্পনার মাধ্যমে পরিচালনা করতে হবে। দায়িত্ববোধ, নিষ্ঠা ও আগ্রহের সঙ্গে সবাইকে নিজের পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে হবে।”

অপরাধ নিয়ন্ত্রণে করণীয় হিসেবে তিনি নির্দেশনা দিয়ে বলেন, “নিয়মিত টহল বাড়াতে হবে, অপরাধপ্রবণ এলাকায় বাড়াতে হবে নজরদারি, বাড়াতে হবে চেকপোস্ট কার্যক্রম। পাশাপাশি মামলা তদন্তে গতি আনতে হবে এবং নিষ্পত্তির হার বাড়াতে হবে। চোরাই গাড়ি উদ্ধার, মাদক ও অবৈধ অস্ত্র জব্দ, এবং ওয়ারেন্ট তামিলে পুলিশের তৎপরতা বাড়াতে হবে।”

সভায় ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) ফারুক আহমেদ বলেন, “ওয়ারেন্ট তামিল ও মামলা তদন্তের ক্ষেত্রে সুপরিকল্পিতভাবে কাজ করতে হবে এবং জনগণের সঙ্গে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক গড়ে তুলে জনবান্ধব পুলিশিং নিশ্চিত করতে হবে।”

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস্) এস. এন. মো. নজরুল ইসলাম বলেন, “মামলার তদন্ত ও নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের তদারকি বাড়ানো প্রয়োজন। ঈদুল আজহার সময় যে চ্যালেঞ্জ ছিল, তা সত্ত্বেও পুলিশ সদস্যরা আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন তাদের জন্য কৃতজ্ঞতা।”

এ সময় যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) মো. ফারুক হোসেন জুন মাসে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন অপরাধের পরিসংখ্যান উপস্থাপন করেন। এর মধ্যে ডাকাতি, চুরি, সিঁধেল চুরি, খুন, অপমৃত্যু, নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, সড়ক দুর্ঘটনা, মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার সম্পর্কিত তথ্য ছিল উল্লেখযোগ্য।

সভা শেষে মহানগরের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় ডিএমপির বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যদের পুরস্কৃত করেন ডিএমপি কমিশনার।

নিউজটি শেয়ার করুন

অপরাধী যেন কেউ ছাড়া না পায়, কঠোরভাবে দমন করতে হবে: ডিএমপি কমিশনার

আপডেট সময় ০৬:৩৫:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই ২০২৫

 

ঢাকা মহানগরীতে অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী বলেছেন, “অপরাধী যেন কেউ ছাড়া না পায়, তাদের কঠোরভাবে দমন করতে হবে। মহানগরীর আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা এবং অপরাধ প্রতিরোধে সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করতে হবে।”

মঙ্গলবার (১৫ জুলাই) রাজারবাগের বাংলাদেশ পুলিশ অডিটরিয়ামে অনুষ্ঠিত ডিএমপির জুন মাসের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনাসভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আরও পড়ুন  ঢাকায় নিরাপদ পথচারী পারাপারের জন্য ডিএমপির নতুন উদ্যোগ

তিনি বলেন, “প্রত্যেক ইউনিটপ্রধানকে নিজ নিজ ইউনিট দক্ষতা ও পরিকল্পনার মাধ্যমে পরিচালনা করতে হবে। দায়িত্ববোধ, নিষ্ঠা ও আগ্রহের সঙ্গে সবাইকে নিজের পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে হবে।”

অপরাধ নিয়ন্ত্রণে করণীয় হিসেবে তিনি নির্দেশনা দিয়ে বলেন, “নিয়মিত টহল বাড়াতে হবে, অপরাধপ্রবণ এলাকায় বাড়াতে হবে নজরদারি, বাড়াতে হবে চেকপোস্ট কার্যক্রম। পাশাপাশি মামলা তদন্তে গতি আনতে হবে এবং নিষ্পত্তির হার বাড়াতে হবে। চোরাই গাড়ি উদ্ধার, মাদক ও অবৈধ অস্ত্র জব্দ, এবং ওয়ারেন্ট তামিলে পুলিশের তৎপরতা বাড়াতে হবে।”

সভায় ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (অ্যাডমিন) ফারুক আহমেদ বলেন, “ওয়ারেন্ট তামিল ও মামলা তদন্তের ক্ষেত্রে সুপরিকল্পিতভাবে কাজ করতে হবে এবং জনগণের সঙ্গে সহযোগিতামূলক সম্পর্ক গড়ে তুলে জনবান্ধব পুলিশিং নিশ্চিত করতে হবে।”

অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস্) এস. এন. মো. নজরুল ইসলাম বলেন, “মামলার তদন্ত ও নিষ্পত্তির ক্ষেত্রে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের তদারকি বাড়ানো প্রয়োজন। ঈদুল আজহার সময় যে চ্যালেঞ্জ ছিল, তা সত্ত্বেও পুলিশ সদস্যরা আন্তরিকভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন তাদের জন্য কৃতজ্ঞতা।”

এ সময় যুগ্ম পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম) মো. ফারুক হোসেন জুন মাসে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন অপরাধের পরিসংখ্যান উপস্থাপন করেন। এর মধ্যে ডাকাতি, চুরি, সিঁধেল চুরি, খুন, অপমৃত্যু, নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, সড়ক দুর্ঘটনা, মাদক ও অস্ত্র উদ্ধার সম্পর্কিত তথ্য ছিল উল্লেখযোগ্য।

সভা শেষে মহানগরের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় ডিএমপির বিভিন্ন পদমর্যাদার পুলিশ সদস্যদের পুরস্কৃত করেন ডিএমপি কমিশনার।