ঢাকা ০৮:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইরানের সর্বোচ্চ নেতার বার্তা ইউটিউব দেখে বিকল্প জ্বালানি তৈরির চেষ্টা: বিস্ফোরণে দগ্ধ ব্যবসায়ীর মৃত্যু বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের লড়াই, মে মাসে বাংলাদেশে আসছে পাকিস্তান দল বেলারুশ—পূর্ব ইউরোপের স্থিতিশীলতা ও ইতিহাসের দেশ সংসদ ওয়াকআউট করে জনগণের অধিকার ক্ষুণ্ন করবেন না: স্পিকার সুনামগঞ্জের পৃথক হাওরে বজ্রপাত, ধান কাটার সময় ৫ কৃষকের মৃত্যু আগামী ২ জুলাই শুরু হচ্ছে এইচএসসি পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী বিগত দুই সরকার হামের টিকা না দিয়ে ক্ষমাহীন অপরাধ করেছে: প্রধানমন্ত্রী পল্লবীতে নিরাপত্তা প্রহরী সালাহউদ্দিন হত্যা: ঘাতক অটোরিকশা চালক গ্রেপ্তার রোহিঙ্গা সংকটের কার্যকর সমাধান রাখাইনেই নিহিত: পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান

ঈদযাত্রায় ১৫ দিনে সড়কে প্রাণ হারালেন ৩৯০ জন, আহত সহস্রাধিক

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ০২:৪৫:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫
  • / 259

ছবি সংগৃহীত

 

ঈদযাত্রার শুরুর দিন ৩১ মে থেকে কর্মস্থলে ফেরার দিন ১৪ জুন পর্যন্ত মাত্র ১৫ দিনেই সারা দেশে ৩৭৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৩৯০ জন, আহত হয়েছেন আরও ১,১৮২ জন। সোমবার (১৬ জুন) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য প্রকাশ করেছে যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

সংগঠনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, শুধু সড়ক নয়—রেল ও নৌপথসহ মোট ৪১৫টি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৪২৭ জন এবং আহত হয়েছেন ১,১৯৪ জন। দুর্ঘটনার অধিকাংশই ঘটেছে মোটরসাইকেল সংশ্লিষ্ট ঘটনায়।

আরও পড়ুন  ফোনে ব্লক করায় প্রেমিকের প্রাণ নিল প্রেমিকা

গত বছরের ঈদুল আজহার তুলনায় এবারের দুর্ঘটনার সংখ্যা বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। সমিতির তথ্যমতে, সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েছে ২২ দশমিক ৬৫ শতাংশ, প্রাণহানি বেড়েছে ১৬ দশমিক ০৭ শতাংশ এবং আহতের সংখ্যা বেড়েছে ৫৫ দশমিক ১১ শতাংশ।

দুর্ঘটনার পেছনে যাত্রী কল্যাণ সমিতি নয়টি কারণ চিহ্নিত করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—ঈদের আগে সরকারি ছুটির সময় স্বল্পতা, অটোরিকশা ও ইজিবাইকের অনিয়ন্ত্রিত চলাচল, অদক্ষ ও লাইসেন্সবিহীন চালকের উপস্থিতি, যানবাহনের অতিরিক্ত গতি ও ওভারটেকিং প্রতিযোগিতা, আইন প্রয়োগে দুর্বলতা এবং মহাসড়কে ছোট যানবাহনের আধিক্য।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি ঈদযাত্রাকে নিরাপদ করতে ১২ দফা দাবি তুলে ধরে। তাদের সুপারিশগুলোর মধ্যে রয়েছে—ঈদের আগে কমপক্ষে চারদিন ছুটি ঘোষণা, মহাসড়কে ছোট যানবাহনের চলাচল নিয়ন্ত্রণ, বিআরটিএ এবং হাইওয়ে পুলিশের নজরদারি জোরদারকরণ, চালকদের প্রশিক্ষণ ও লাইসেন্স প্রদান প্রক্রিয়া কঠোর করা এবং দুর্ঘটনা পরবর্তী উদ্ধার কার্যক্রম দ্রুত পরিচালনার জন্য জরুরি রেসপন্স টিম গঠন।

সংগঠনের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, প্রতি বছর ঈদে ঘরমুখো মানুষের ঢল এবং অপরিকল্পিত পরিবহন ব্যবস্থার কারণে প্রাণহানির এই চিত্র ক্রমেই ভয়াবহ হয়ে উঠছে। তাই এখনই দীর্ঘমেয়াদি সমাধানে রাষ্ট্রকে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ঈদযাত্রায় ১৫ দিনে সড়কে প্রাণ হারালেন ৩৯০ জন, আহত সহস্রাধিক

আপডেট সময় ০২:৪৫:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫

 

ঈদযাত্রার শুরুর দিন ৩১ মে থেকে কর্মস্থলে ফেরার দিন ১৪ জুন পর্যন্ত মাত্র ১৫ দিনেই সারা দেশে ৩৭৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৩৯০ জন, আহত হয়েছেন আরও ১,১৮২ জন। সোমবার (১৬ জুন) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য প্রকাশ করেছে যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

সংগঠনের প্রতিবেদনে জানানো হয়, শুধু সড়ক নয়—রেল ও নৌপথসহ মোট ৪১৫টি দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন ৪২৭ জন এবং আহত হয়েছেন ১,১৯৪ জন। দুর্ঘটনার অধিকাংশই ঘটেছে মোটরসাইকেল সংশ্লিষ্ট ঘটনায়।

আরও পড়ুন  ঈদে সড়ক-মহাসড়কে পশুর হাট বসানো সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ: সড়ক উপদেষ্টা

গত বছরের ঈদুল আজহার তুলনায় এবারের দুর্ঘটনার সংখ্যা বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। সমিতির তথ্যমতে, সড়ক দুর্ঘটনা বেড়েছে ২২ দশমিক ৬৫ শতাংশ, প্রাণহানি বেড়েছে ১৬ দশমিক ০৭ শতাংশ এবং আহতের সংখ্যা বেড়েছে ৫৫ দশমিক ১১ শতাংশ।

দুর্ঘটনার পেছনে যাত্রী কল্যাণ সমিতি নয়টি কারণ চিহ্নিত করেছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—ঈদের আগে সরকারি ছুটির সময় স্বল্পতা, অটোরিকশা ও ইজিবাইকের অনিয়ন্ত্রিত চলাচল, অদক্ষ ও লাইসেন্সবিহীন চালকের উপস্থিতি, যানবাহনের অতিরিক্ত গতি ও ওভারটেকিং প্রতিযোগিতা, আইন প্রয়োগে দুর্বলতা এবং মহাসড়কে ছোট যানবাহনের আধিক্য।

সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি ঈদযাত্রাকে নিরাপদ করতে ১২ দফা দাবি তুলে ধরে। তাদের সুপারিশগুলোর মধ্যে রয়েছে—ঈদের আগে কমপক্ষে চারদিন ছুটি ঘোষণা, মহাসড়কে ছোট যানবাহনের চলাচল নিয়ন্ত্রণ, বিআরটিএ এবং হাইওয়ে পুলিশের নজরদারি জোরদারকরণ, চালকদের প্রশিক্ষণ ও লাইসেন্স প্রদান প্রক্রিয়া কঠোর করা এবং দুর্ঘটনা পরবর্তী উদ্ধার কার্যক্রম দ্রুত পরিচালনার জন্য জরুরি রেসপন্স টিম গঠন।

সংগঠনের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, প্রতি বছর ঈদে ঘরমুখো মানুষের ঢল এবং অপরিকল্পিত পরিবহন ব্যবস্থার কারণে প্রাণহানির এই চিত্র ক্রমেই ভয়াবহ হয়ে উঠছে। তাই এখনই দীর্ঘমেয়াদি সমাধানে রাষ্ট্রকে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।