ঢাকা ১২:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
শিরোনাম :
মধুখালীতে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে সুপারভাইজার নিহত, আহত ১৫ শাহজালাল বিমানবন্দরে আনসার সদস্যদের যাতায়াত সহজে বিশেষ বাস সেবা চালু ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি হবে পরিকল্পনার মাধ্যমে: প্রধানমন্ত্রী আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখেই ভোজ্যতেলের দাম নির্ধারণ: বাণিজ্যমন্ত্রী কলকাতা ভ্রমণে বাংলাদেশিদের জন্য উপহাইকমিশনের সতর্কবার্তা নেপালের ভয়াবহ দুর্যোগে সহায়তার হাত বাড়াল বাংলাদেশ ছিনতাইয়ের ঘটনায় শিক্ষিকার মৃত্যু: উদ্ধার বাইক নিয়ে প্রশ্ন, ডিবির ছায়া তদন্ত বিমানবাহিনী ছেড়ে এবার যাত্রীবাহী বিমান চালাবেন অভিনন্দন ‘সুইপার আর হারপিক নিয়ে আসেন, আমি ক্লিন করব’: কৃষিমন্ত্রী বিপিএল অনিশ্চিত, ক্রিকেটারদের সুখবর বিসিবি বসের

আহমেদাবাদে ভয়াবহ বিমান বিধ্বস্ত: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৭৪

খবরের কথা ডেস্ক
  • আপডেট সময় ১২:১৭:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ জুন ২০২৫
  • / 638

ছবি সংগৃহীত

 

 

আহমেদাবাদে লন্ডনগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইট বিধ্বস্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ২৭৪ জন। নিহতদের মধ্যে বিমানটির যাত্রী, ক্রু সদস্য ছাড়াও স্থানীয় বাসিন্দারাও রয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

আরও পড়ুন  ভারতে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা: যাত্রীসহ বিধ্বস্ত, বহু হতাহতের আশঙ্কা

বৃহস্পতিবার (১২ জুন) দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে আহমেদাবাদের সরদার বল্লভভাই প্যাটেল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই দুর্ঘটনায় পড়ে এয়ার ইন্ডিয়ার এওয়ান-১৭১ ফ্লাইটটি। গন্তব্য ছিল লন্ডনের গ্যাটউইক বিমানবন্দর। বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার মডেলের বিমানটি মেঘানিনগর এলাকার বিএজে মেডিকেল কলেজের আবাসিক কোয়ার্টারে ভেঙে পড়ে এবং সঙ্গে সঙ্গে আগুন ধরে যায়।

বিমানটিতে ছিলেন মোট ২৪২ জন, যার মধ্যে ২৩০ জন যাত্রী, ২ জন পাইলট ও ১০ জন কেবিন ক্রু। বেঁচে ফিরেছেন কেবল একজন যাত্রী ভারতীয় বংশোদ্ভূত একজন ব্রিটিশ নাগরিক। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন গুজরাটের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানিও।

সূত্র জানায়, দুর্ঘটনার সময় বিএজে মেডিকেল কলেজের আবাসিকে অবস্থান করছিলেন অন্তত ১০ জন চিকিৎসক ও তাদের স্বজন, যারা ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। এছাড়া, ২৪ জন এমবিবিএস শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

উদ্ধার কার্যক্রমে নিযুক্ত করা হয় শতাধিক কর্মী ও ৪০ জন প্রকৌশলী। দুর্ঘটনার পরদিন শুক্রবার মেডিকেল কলেজের হোস্টেলের ছাদ থেকে উদ্ধার করা হয় বিমানের ব্ল্যাক বক্স। এটি বিশ্লেষণ করে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে কাজ করছে তদন্তকারী দল।

জানা গেছে, উড্ডয়নের পরপরই পাইলট ‘মেডে’ সংকেত পাঠান, যা সম্পূর্ণ বিপদের নির্দেশ দেয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ইঞ্জিনের পর্যাপ্ত গতি না পাওয়া, বার্ড হিট অথবা ফ্ল্যাপ ও ইঞ্জিন কন্ট্রোল সিস্টেমের ত্রুটির কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটে থাকতে পারে।

শুক্রবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি একমাত্র জীবিত যাত্রীসহ আহতদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন এবং উদ্ধার কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন।

এই দুর্ঘটনা ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে হৃদয়বিদারক বিমান দুর্ঘটনাগুলোর একটি হিসেবে ইতিমধ্যেই চিহ্নিত হয়েছে। পুরো দেশ জুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আহমেদাবাদে ভয়াবহ বিমান বিধ্বস্ত: মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৭৪

আপডেট সময় ১২:১৭:২১ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ জুন ২০২৫

 

 

আহমেদাবাদে লন্ডনগামী এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইট বিধ্বস্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ২৭৪ জন। নিহতদের মধ্যে বিমানটির যাত্রী, ক্রু সদস্য ছাড়াও স্থানীয় বাসিন্দারাও রয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।

আরও পড়ুন  ফিলাডেলফিয়ায় উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত: বাড়ি-গাড়িতে আগুন

বৃহস্পতিবার (১২ জুন) দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে আহমেদাবাদের সরদার বল্লভভাই প্যাটেল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে উড্ডয়নের কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই দুর্ঘটনায় পড়ে এয়ার ইন্ডিয়ার এওয়ান-১৭১ ফ্লাইটটি। গন্তব্য ছিল লন্ডনের গ্যাটউইক বিমানবন্দর। বোয়িং ৭৮৭-৮ ড্রিমলাইনার মডেলের বিমানটি মেঘানিনগর এলাকার বিএজে মেডিকেল কলেজের আবাসিক কোয়ার্টারে ভেঙে পড়ে এবং সঙ্গে সঙ্গে আগুন ধরে যায়।

বিমানটিতে ছিলেন মোট ২৪২ জন, যার মধ্যে ২৩০ জন যাত্রী, ২ জন পাইলট ও ১০ জন কেবিন ক্রু। বেঁচে ফিরেছেন কেবল একজন যাত্রী ভারতীয় বংশোদ্ভূত একজন ব্রিটিশ নাগরিক। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন গুজরাটের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানিও।

সূত্র জানায়, দুর্ঘটনার সময় বিএজে মেডিকেল কলেজের আবাসিকে অবস্থান করছিলেন অন্তত ১০ জন চিকিৎসক ও তাদের স্বজন, যারা ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান। এছাড়া, ২৪ জন এমবিবিএস শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

উদ্ধার কার্যক্রমে নিযুক্ত করা হয় শতাধিক কর্মী ও ৪০ জন প্রকৌশলী। দুর্ঘটনার পরদিন শুক্রবার মেডিকেল কলেজের হোস্টেলের ছাদ থেকে উদ্ধার করা হয় বিমানের ব্ল্যাক বক্স। এটি বিশ্লেষণ করে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে কাজ করছে তদন্তকারী দল।

জানা গেছে, উড্ডয়নের পরপরই পাইলট ‘মেডে’ সংকেত পাঠান, যা সম্পূর্ণ বিপদের নির্দেশ দেয়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, ইঞ্জিনের পর্যাপ্ত গতি না পাওয়া, বার্ড হিট অথবা ফ্ল্যাপ ও ইঞ্জিন কন্ট্রোল সিস্টেমের ত্রুটির কারণে দুর্ঘটনাটি ঘটে থাকতে পারে।

শুক্রবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি একমাত্র জীবিত যাত্রীসহ আহতদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন এবং উদ্ধার কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন।

এই দুর্ঘটনা ভারতের ইতিহাসে সবচেয়ে হৃদয়বিদারক বিমান দুর্ঘটনাগুলোর একটি হিসেবে ইতিমধ্যেই চিহ্নিত হয়েছে। পুরো দেশ জুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।